CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

ফিলিস্তিনমুখী অধিকার কর্মীদের মুক্তির দাবিতে সমাবেশ ও মিছিল

#
news image

ফিলিস্তিনমুখী 'ফ্রিডম ফ্লোটিলা' থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে অপহৃত অধিকার কর্মী, ফটোসাংবাদিক শহিদুল আলমের আশু মুক্তির দাবিতে আজ ঢাকায় সংহতি সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল করেছে গণসংহতি আন্দোলন। সংগঠনটির নেতারা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি এই অপহৃত কর্মীদের মুক্তির জন্য সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখার দাবি জানিয়েছেন।

আজ বুধবার ঢাকার ইস্কাটনের বিয়ামের গলির মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

শহিদুল আলমের মুক্তি দাবি ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ
সমাবেশের সভাপতি এবং গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ও বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার শহিদুল আলমের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন: ফ্রিডম ফ্লোটিলায় থাকা কর্মীদের অপহরণ করে কোথায় রাখা হয়েছে, তা জানা নেই। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তাদের মুক্তির জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে।
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যায় ইতোমধ্যে ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ২০ হাজারের বেশি শিশু প্রাণ হারিয়েছে।
শহিদুল আলম এবং রুহি লোরেনের মতো মানুষেরা বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে ফিলিস্তিনের মানুষের মুক্তির দাবিতে গ্লোবাল ফ্লোটিলায় গিয়েছিলেন। তাদেরকে অপহরণের ঘটনা মানবতার কণ্ঠরোধ।
তাসলিমা আখতার আরও বলেন, এর আগে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার শহিদুল আলমকে কারাবন্দী করে নির্যাতন করেছিল। তিনি ফিলিস্তিনের মানুষের মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশের মানুষের প্রতিনিধি হয়ে গিয়েছেন। তার মুক্তির দাবি সারা বাংলাদেশের মানুষের দাবি।

আন্তর্জাতিক নীরবতার তীব্র সমালোচনা
তাসলিমা আখতার ইসরায়েলপন্থী সরকারগুলোর ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো সরকারগুলো ভান করছে তারা যুদ্ধ বন্ধ করতে চায়, কিন্তু বাস্তবে তারা ফিলিস্তিনের মানুষের স্বাধীনতার দাবিকে দমিয়ে রাখতে চায়। তিনি ফিলিস্তিনের মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির দাবির পক্ষে আওয়াজ তোলাকে সারা বিশ্বের মানুষের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন।

গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া বলেন, সারা পৃথিবীর শ্রমিকসহ সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ আজ ফিলিস্তিনের পক্ষে রাস্তায় নেমেছে। শহিদুল আলমের প্রতিবাদের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে তারা এখানে দাঁড়িয়েছেন।

বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফের সঞ্চালনায় সমাবেশে পাঠশালার শিক্ষক নাসিমা, সমগীতের রেবেকা নীলা, প্রতিবেশ আন্দোলনের সংগঠক আবদুল্লাহ নাদভীসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি প্রতিবাদী মিছিল নিয়ে ইস্কাটন-মগবাজার এলাকা প্রদক্ষিণ করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ অক্টোবর, ২০২৫,  6:07 PM

news image

ফিলিস্তিনমুখী 'ফ্রিডম ফ্লোটিলা' থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে অপহৃত অধিকার কর্মী, ফটোসাংবাদিক শহিদুল আলমের আশু মুক্তির দাবিতে আজ ঢাকায় সংহতি সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল করেছে গণসংহতি আন্দোলন। সংগঠনটির নেতারা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি এই অপহৃত কর্মীদের মুক্তির জন্য সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখার দাবি জানিয়েছেন।

আজ বুধবার ঢাকার ইস্কাটনের বিয়ামের গলির মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

শহিদুল আলমের মুক্তি দাবি ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ
সমাবেশের সভাপতি এবং গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ও বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার শহিদুল আলমের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন: ফ্রিডম ফ্লোটিলায় থাকা কর্মীদের অপহরণ করে কোথায় রাখা হয়েছে, তা জানা নেই। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তাদের মুক্তির জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে।
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যায় ইতোমধ্যে ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ২০ হাজারের বেশি শিশু প্রাণ হারিয়েছে।
শহিদুল আলম এবং রুহি লোরেনের মতো মানুষেরা বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে ফিলিস্তিনের মানুষের মুক্তির দাবিতে গ্লোবাল ফ্লোটিলায় গিয়েছিলেন। তাদেরকে অপহরণের ঘটনা মানবতার কণ্ঠরোধ।
তাসলিমা আখতার আরও বলেন, এর আগে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার শহিদুল আলমকে কারাবন্দী করে নির্যাতন করেছিল। তিনি ফিলিস্তিনের মানুষের মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশের মানুষের প্রতিনিধি হয়ে গিয়েছেন। তার মুক্তির দাবি সারা বাংলাদেশের মানুষের দাবি।

আন্তর্জাতিক নীরবতার তীব্র সমালোচনা
তাসলিমা আখতার ইসরায়েলপন্থী সরকারগুলোর ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো সরকারগুলো ভান করছে তারা যুদ্ধ বন্ধ করতে চায়, কিন্তু বাস্তবে তারা ফিলিস্তিনের মানুষের স্বাধীনতার দাবিকে দমিয়ে রাখতে চায়। তিনি ফিলিস্তিনের মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির দাবির পক্ষে আওয়াজ তোলাকে সারা বিশ্বের মানুষের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন।

গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া বলেন, সারা পৃথিবীর শ্রমিকসহ সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ আজ ফিলিস্তিনের পক্ষে রাস্তায় নেমেছে। শহিদুল আলমের প্রতিবাদের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে তারা এখানে দাঁড়িয়েছেন।

বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফের সঞ্চালনায় সমাবেশে পাঠশালার শিক্ষক নাসিমা, সমগীতের রেবেকা নীলা, প্রতিবেশ আন্দোলনের সংগঠক আবদুল্লাহ নাদভীসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি প্রতিবাদী মিছিল নিয়ে ইস্কাটন-মগবাজার এলাকা প্রদক্ষিণ করেন।