CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অজয় কর রিমান্ডে

#
news image

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে রাজধানীর গুলশান থানার মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অজয় কর খোকনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (৮ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমান এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক মামুন গত ২৫ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত রিমান্ড শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য রাখেন। পরে আজ তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামি পক্ষের আইনজীবী ওবাইদুল ইসলাম জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রে পক্ষের অতিরিক্ত প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে বিচারক ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

শুনানিতে আসামি পক্ষের আইনজীবী বলেন, এ মামলায় অজয় কর সন্দিগ্ধ আসামি। মামলার সঙ্গে ওনার কোনও সম্পর্ক নেই। সাতটি কারণ দেখিয়ে তার রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। কিন্তু একটি কারণও ওনার সঙ্গে মিলে না। সিআরপিসিতে বলা হয়েছে, কোনও আসামিকে রিমান্ডে নিতে হলে সুনির্দিষ্ট কারণ থাকা লাগবে। উনি ২ হাজার সালের পর কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত হননি। উনি অসুস্থ মানুষ। ওনার রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করছি। 

পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে অজয় কর বলেন, আমি ছাত্রলীগের নেতা থাকাকালীন আমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ আসেনি। আমার দ্বারা কেউ কখনও অন্যায়ের শিকার হয়নি। আমার বিরুদ্ধে এতো বছরেও কোন মামলা হয়নি। জুলাই আন্দোলনের সময় আমি বাসায় ছিলাম। বাহিরে বের হইনি। আমি আওয়ামী লীগের কোনও পদে ছিলাম না। নির্বাচনে মনোনয়ন চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি মনোনয়ন পাইনি। আমি অসুস্থ। 

প্রসঙ্গত গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাত রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরের দিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২২ এপ্রিল গুলশান থানাধীন জব্বার টাওয়ারের পাশে অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৩৫ জন সমবেত হয়। এদিন সাড়ে ৭টায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দেশবিরোধী স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ ঘটনায় এ বছরের ২২ এপ্রিল সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়।

উল্লেখ্য, অজয় কর খোকন ১৯৯৮-২০০২ মেয়াদে ‎ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে দলের মনোনয়ন চেয়েছিলেন তিনি। তবে মনোনয়ন পাননি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ অক্টোবর, ২০২৫,  6:22 PM

news image

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে রাজধানীর গুলশান থানার মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অজয় কর খোকনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (৮ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমান এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক মামুন গত ২৫ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত রিমান্ড শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য রাখেন। পরে আজ তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামি পক্ষের আইনজীবী ওবাইদুল ইসলাম জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রে পক্ষের অতিরিক্ত প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে বিচারক ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

শুনানিতে আসামি পক্ষের আইনজীবী বলেন, এ মামলায় অজয় কর সন্দিগ্ধ আসামি। মামলার সঙ্গে ওনার কোনও সম্পর্ক নেই। সাতটি কারণ দেখিয়ে তার রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। কিন্তু একটি কারণও ওনার সঙ্গে মিলে না। সিআরপিসিতে বলা হয়েছে, কোনও আসামিকে রিমান্ডে নিতে হলে সুনির্দিষ্ট কারণ থাকা লাগবে। উনি ২ হাজার সালের পর কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত হননি। উনি অসুস্থ মানুষ। ওনার রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করছি। 

পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে অজয় কর বলেন, আমি ছাত্রলীগের নেতা থাকাকালীন আমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ আসেনি। আমার দ্বারা কেউ কখনও অন্যায়ের শিকার হয়নি। আমার বিরুদ্ধে এতো বছরেও কোন মামলা হয়নি। জুলাই আন্দোলনের সময় আমি বাসায় ছিলাম। বাহিরে বের হইনি। আমি আওয়ামী লীগের কোনও পদে ছিলাম না। নির্বাচনে মনোনয়ন চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি মনোনয়ন পাইনি। আমি অসুস্থ। 

প্রসঙ্গত গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাত রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরের দিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২২ এপ্রিল গুলশান থানাধীন জব্বার টাওয়ারের পাশে অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৩৫ জন সমবেত হয়। এদিন সাড়ে ৭টায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দেশবিরোধী স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ ঘটনায় এ বছরের ২২ এপ্রিল সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়।

উল্লেখ্য, অজয় কর খোকন ১৯৯৮-২০০২ মেয়াদে ‎ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে দলের মনোনয়ন চেয়েছিলেন তিনি। তবে মনোনয়ন পাননি।