নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ অক্টোবর, ২০২৫, 5:44 PM
বাংলাদেশে দীর্ঘ ৫৪ বছরেও টেকসই পরিবহন কৌশল বাস্তবায়ন না হওয়ায় সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরেনি এবং সড়ক দুর্ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশ রোড সেফটি নেটওয়ার্ক নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠা ও অব্যবস্থাপনা নিরসনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কার কমিশন গঠনসহ একগুচ্ছ টেকসই পরিবহন কৌশল ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবিগুলো তুলে ধরা হয়।
সংস্থাটি জানায়, সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়েছে এবং প্রতিদিনের দুর্ঘটনা হাজারো পরিবারের দুর্ভোগ ও বড় ধরনের আর্থ-সামাজিক সংকটের প্রতিচ্ছবি।
টেকসই পরিবহন কৌশলের দাবি (১১ দফা)
১. রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত গণপরিবহন: গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করতে এই খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে হবে। ২. চালক সুবিধা নিশ্চিতকরণ: গণপরিবহন চালকদের নিয়োগপত্র, নির্দিষ্ট বেতন ও কর্মঘন্টা, প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা। ৩. মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার: সড়ক থেকে ৫ লাখের বেশি (যার ৭০% চলাচল করছে) মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন দ্রুত প্রত্যাহার করা। নতুন যানবাহন ক্রয়ের জন্য মালিকদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার নীতিমালা প্রণয়ন করা। ৪. আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার: আইটিএস, জিপিএস, আরটিএসএমএস এবং সার্ভিলেন্স ক্যামেরা বাধ্যতামূলকভাবে চালু করা। ৫. কোম্পানীভিত্তিক বাস সার্ভিস: রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ও যানজট কমাতে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানীভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু করা। মাত্র সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৪ হাজার নতুন বাস ক্রয়ের মাধ্যমে এটি সম্ভব। ৬. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বাস: যানজট কমাতে রাজধানীর সকল স্কুল-কলেজের জন্য নিজস্ব বাস সার্ভিস বাধ্যতামূলক করা এবং বাস ক্রয়ের জন্য আমদানী শুল্ক কমানো। ৭. শারীরিক প্রতিবন্ধী-বান্ধব সার্ভিস: র্যাম্পযুক্ত বাস আমদানি, সড়ক নিরাপত্তা পরিকল্পনায় শারীরিক প্রতিবন্ধীদের অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং পরিবহন ও নগর পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধী সংগঠন (OPD)-এর সাথে পরামর্শ করা। ৮. নারীবান্ধব গণপরিবহন: বাসের দরজা বাসের মধ্যভাগে করা, সরু ও ত্রুটিপূর্ণ কাঠামো দূর করা, এবং নারী যাত্রীদের প্রতি পরিবহন শ্রমিক ও পুরুষ যাত্রীদের আপত্তি বন্ধ করা। নগর গণপরিবহনে ৮৩ শতাংশ নারী শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। ৯. মোটরসাইকেলের গতি নিয়ন্ত্রণ: মোটরসাইকেলের গতি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত হেলমেট নিশ্চিতকরণ এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের চালানো বন্ধ করতে আইনের কঠোর প্রয়োগ করা। ১০. ট্রাফিক ও পার্কিং ব্যবস্থাপনা: সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোকে স্মার্ট সিগন্যাল ব্যবস্থা, নির্দিষ্ট পার্কিং জোন চালু এবং ফুটপাত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। ১১. ছোট যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ: অটোরিকশা, নসিমন, ভটভটির মতো অনিরাপদ ছোট যানবাহনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করে নিবন্ধন ও চালকদের স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণ দিতে হবে। গ্রামীণ সড়কে বাস সার্ভিস চালু করা।
প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি (৮ দফা)
১. জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনআরএসসি) পুনর্গঠন: এনআরএসসি-কে সড়ক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ উল্লেখ করে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতিকে প্রধান করে পুনর্গঠন করা। কাউন্সিলের অধীনে বিআরটিএ, বিআরটিসি এবং ডিটিসিএ পরিচালিত হবে। কাউন্সিলকে নিজস্ব আইন, বিধি ও নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে হবে। ২. শীর্ষ পদে টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ নিয়োগ: বিআরটিএ, বিআরটিসি এবং ডিটিসিএ-এর মতো বিশেষায়িত টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষ ও টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দেওয়া, যাতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়। ৩. ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত সংস্কার: বিআরটিএ, বিআরটিসি এবং ডিটিসিএ-এর প্রাতিষ্ঠানিক অব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত ত্রুটি দূর করে কার্যকারিতা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। ৪. সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন: খসড়া সড়ক নিরাপত্তা আইন (Road Safety Act) দ্রুত চূড়ান্ত করা। ৫. অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়: সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহনকে একত্রিত করে একটি অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠন করা। এতে পণ্য পরিবহন খরচ কমবে, সড়কে চাপ কমবে এবং দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে। ৬. জাতীয় বাজেটে আলাদা বরাদ্দ: সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতের বরাদ্দ থেকে ৩% সড়ক ব্যবহারকারীদের শিক্ষা-সচেতনতা কার্যক্রমের জন্য আলাদা অর্থনৈতিক কোড সৃষ্টি করে বরাদ্দ দেওয়া। ৭. ট্রাস্ট ফান্ডে ৭ শত কোটি টাকা বরাদ্দ: সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য গঠিত ট্রাস্ট ফান্ডে প্রতি বছর ৭ শত কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি। ট্রাস্ট ফান্ডের তথ্য প্রচার এবং তাৎক্ষণিক আর্থিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা। ৮. প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ: বিসিএস ক্যাডারের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এবং রিফ্রেশার কোর্সে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ মডিউল অন্তর্ভুক্ত করা।
পরিশেষে, বাংলাদেশ রোড সেফটি নেটওয়ার্ক অবিলম্বে সড়ক পরিবহন খাত সংস্কারের জন্য একটি সংস্কার কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে, যাতে সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং সমতাভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ অক্টোবর, ২০২৫, 5:44 PM
বাংলাদেশে দীর্ঘ ৫৪ বছরেও টেকসই পরিবহন কৌশল বাস্তবায়ন না হওয়ায় সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরেনি এবং সড়ক দুর্ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশ রোড সেফটি নেটওয়ার্ক নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠা ও অব্যবস্থাপনা নিরসনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কার কমিশন গঠনসহ একগুচ্ছ টেকসই পরিবহন কৌশল ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবিগুলো তুলে ধরা হয়।
সংস্থাটি জানায়, সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়েছে এবং প্রতিদিনের দুর্ঘটনা হাজারো পরিবারের দুর্ভোগ ও বড় ধরনের আর্থ-সামাজিক সংকটের প্রতিচ্ছবি।
টেকসই পরিবহন কৌশলের দাবি (১১ দফা)
১. রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত গণপরিবহন: গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করতে এই খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে হবে। ২. চালক সুবিধা নিশ্চিতকরণ: গণপরিবহন চালকদের নিয়োগপত্র, নির্দিষ্ট বেতন ও কর্মঘন্টা, প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা। ৩. মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার: সড়ক থেকে ৫ লাখের বেশি (যার ৭০% চলাচল করছে) মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন দ্রুত প্রত্যাহার করা। নতুন যানবাহন ক্রয়ের জন্য মালিকদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার নীতিমালা প্রণয়ন করা। ৪. আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার: আইটিএস, জিপিএস, আরটিএসএমএস এবং সার্ভিলেন্স ক্যামেরা বাধ্যতামূলকভাবে চালু করা। ৫. কোম্পানীভিত্তিক বাস সার্ভিস: রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ও যানজট কমাতে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানীভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু করা। মাত্র সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৪ হাজার নতুন বাস ক্রয়ের মাধ্যমে এটি সম্ভব। ৬. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বাস: যানজট কমাতে রাজধানীর সকল স্কুল-কলেজের জন্য নিজস্ব বাস সার্ভিস বাধ্যতামূলক করা এবং বাস ক্রয়ের জন্য আমদানী শুল্ক কমানো। ৭. শারীরিক প্রতিবন্ধী-বান্ধব সার্ভিস: র্যাম্পযুক্ত বাস আমদানি, সড়ক নিরাপত্তা পরিকল্পনায় শারীরিক প্রতিবন্ধীদের অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং পরিবহন ও নগর পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধী সংগঠন (OPD)-এর সাথে পরামর্শ করা। ৮. নারীবান্ধব গণপরিবহন: বাসের দরজা বাসের মধ্যভাগে করা, সরু ও ত্রুটিপূর্ণ কাঠামো দূর করা, এবং নারী যাত্রীদের প্রতি পরিবহন শ্রমিক ও পুরুষ যাত্রীদের আপত্তি বন্ধ করা। নগর গণপরিবহনে ৮৩ শতাংশ নারী শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। ৯. মোটরসাইকেলের গতি নিয়ন্ত্রণ: মোটরসাইকেলের গতি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত হেলমেট নিশ্চিতকরণ এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের চালানো বন্ধ করতে আইনের কঠোর প্রয়োগ করা। ১০. ট্রাফিক ও পার্কিং ব্যবস্থাপনা: সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোকে স্মার্ট সিগন্যাল ব্যবস্থা, নির্দিষ্ট পার্কিং জোন চালু এবং ফুটপাত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। ১১. ছোট যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ: অটোরিকশা, নসিমন, ভটভটির মতো অনিরাপদ ছোট যানবাহনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করে নিবন্ধন ও চালকদের স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণ দিতে হবে। গ্রামীণ সড়কে বাস সার্ভিস চালু করা।
প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি (৮ দফা)
১. জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনআরএসসি) পুনর্গঠন: এনআরএসসি-কে সড়ক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ উল্লেখ করে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতিকে প্রধান করে পুনর্গঠন করা। কাউন্সিলের অধীনে বিআরটিএ, বিআরটিসি এবং ডিটিসিএ পরিচালিত হবে। কাউন্সিলকে নিজস্ব আইন, বিধি ও নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে হবে। ২. শীর্ষ পদে টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ নিয়োগ: বিআরটিএ, বিআরটিসি এবং ডিটিসিএ-এর মতো বিশেষায়িত টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষ ও টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দেওয়া, যাতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়। ৩. ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত সংস্কার: বিআরটিএ, বিআরটিসি এবং ডিটিসিএ-এর প্রাতিষ্ঠানিক অব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত ত্রুটি দূর করে কার্যকারিতা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। ৪. সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন: খসড়া সড়ক নিরাপত্তা আইন (Road Safety Act) দ্রুত চূড়ান্ত করা। ৫. অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়: সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহনকে একত্রিত করে একটি অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠন করা। এতে পণ্য পরিবহন খরচ কমবে, সড়কে চাপ কমবে এবং দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে। ৬. জাতীয় বাজেটে আলাদা বরাদ্দ: সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতের বরাদ্দ থেকে ৩% সড়ক ব্যবহারকারীদের শিক্ষা-সচেতনতা কার্যক্রমের জন্য আলাদা অর্থনৈতিক কোড সৃষ্টি করে বরাদ্দ দেওয়া। ৭. ট্রাস্ট ফান্ডে ৭ শত কোটি টাকা বরাদ্দ: সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য গঠিত ট্রাস্ট ফান্ডে প্রতি বছর ৭ শত কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি। ট্রাস্ট ফান্ডের তথ্য প্রচার এবং তাৎক্ষণিক আর্থিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা। ৮. প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ: বিসিএস ক্যাডারের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এবং রিফ্রেশার কোর্সে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ মডিউল অন্তর্ভুক্ত করা।
পরিশেষে, বাংলাদেশ রোড সেফটি নেটওয়ার্ক অবিলম্বে সড়ক পরিবহন খাত সংস্কারের জন্য একটি সংস্কার কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে, যাতে সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং সমতাভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়।