CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

২৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত

#
news image

সরকার রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে দরপত্র ছাড়াই ২৮ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি ক্রয় পদ্ধতিতে ২০২৬ সালের জন্য আমদানি করা হবে এসব জ্বালানি তেল। 

বুধবার (২২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটির সভাপতি অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৬ সাল থেকে জ্বালানি তেলের মোট চাহিদার ৫০ শতাংশ জিটুজি ভিত্তিতে এবং ৫০ শতাংশ উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে আমদানি করে আসছে।

বিক্রি প্রবণতা ও পর্যাপ্ত মজুত বিবেচনায় ২০২৬ সালের জন্য জিটুজি ভিত্তিতে ১৯ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস অয়েল, ৩ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন জেট এ-১, ১ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন (অকটেন), ৩ লাখ মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল এবং ৩০ হাজার মেট্রিক টন মেরিন ফুয়েলসহ মোট ২৮ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদনের জন্য বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। উপদেষ্টা কমিটি তা অনুমোদন দিয়েছে। 

জিটুজি ভিত্তিতে ৮টি দেশের ১০টি প্রতিষ্ঠান থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ অক্টোবর, ২০২৫,  6:46 PM

news image

সরকার রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে দরপত্র ছাড়াই ২৮ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি ক্রয় পদ্ধতিতে ২০২৬ সালের জন্য আমদানি করা হবে এসব জ্বালানি তেল। 

বুধবার (২২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটির সভাপতি অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৬ সাল থেকে জ্বালানি তেলের মোট চাহিদার ৫০ শতাংশ জিটুজি ভিত্তিতে এবং ৫০ শতাংশ উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে আমদানি করে আসছে।

বিক্রি প্রবণতা ও পর্যাপ্ত মজুত বিবেচনায় ২০২৬ সালের জন্য জিটুজি ভিত্তিতে ১৯ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস অয়েল, ৩ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন জেট এ-১, ১ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন (অকটেন), ৩ লাখ মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল এবং ৩০ হাজার মেট্রিক টন মেরিন ফুয়েলসহ মোট ২৮ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদনের জন্য বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। উপদেষ্টা কমিটি তা অনুমোদন দিয়েছে। 

জিটুজি ভিত্তিতে ৮টি দেশের ১০টি প্রতিষ্ঠান থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়।