CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণের দাবি

#
news image

সম্প্রতি বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানা, রাসায়নিক গুদাম ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ড ও রাসায়নিক বিস্ফোরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম (এসআরএস) সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। ফোরামের পক্ষ থেকে কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা এবং আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম, বাংলাদেশের নেতৃত্বশীল জাতীয় ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনসমূহ (স্কপ, আইবিসি, জিস্কপ) এবং শ্রমিক অধিকার ও মানবাধিকার সংগঠনসমূহের সমন্বয়ে এই যৌথ সংবাদ সম্মেলন আয়োজিত হয়।

১. দুর্ঘটনার ভয়াবহ চিত্র ও রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা
সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহ কিছু দুর্ঘটনার তথ্য তুলে ধরে:

সাম্প্রতিক বিপর্যয়: গত ১৪ অক্টোবর ঢাকার মিরপুরের পোশাক কারখানা ও রাসায়নিক গুদামে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন শ্রমিক নিহত হন। এরপরে ১৭ অক্টোবর চট্টগ্রাম ইপিজেডে ও ১৯ অক্টোবর ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

পূর্বের মর্মান্তিক ঘটনা: অতীতের বড় দুর্ঘটনাগুলো—যেমন ২০২২ সালের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণে অর্ধশত মৃত্যু, ২০২১ সালে হাসেম ফুডস কারখানায় ৫২ জনের মৃত্যু, ২০১৯ সালের চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ৭৭ জনের মৃত্যু, ২০১২ সালের তাজরীন ফ্যাশনসে ১১১ জন শ্রমিকের মৃত্যু—আমাদের রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা এবং নিরাপত্তা বিষয়ে পুরো সমাজেরই অজ্ঞতা-অবহেলাকে নির্দেশ করে।

ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান (বিএলএস জরিপ): ২০১৮ সাল থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে শিল্প-কারখানায় মোট ১৫২টি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, যেখানে নিহত হয়েছেন ১৩১ জন এবং আহত হয়েছেন ৫৭৮ জন।

সংস্থাটি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, অগ্নিনিরাপত্তা, ভবন নিরাপত্তা ও রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের জবাবদিহিতার অভাব, ব্যর্থতা, অবহেলা ও আইন না মানার প্রবণতার কারণে সারাদেশের কর্মক্ষেত্রগুলো আজ 'মৃত্যুকূপে' পরিণত হয়েছে।

২. সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি প্রধান সুপারিশসমূহ (১২ দফা)
শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে নিম্নোক্ত ১২টি মূল সুপারিশ তুলে ধরেছে:

ক. আইন ও নীতির কঠোর প্রয়োগ ও সংস্কার
১. 'জিরো টলারেন্স' নীতি: কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা এবং রাসায়নিক দ্রব্য ও বিস্ফোরক মজুত সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক আইন ও বিধিবিধানের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকারকে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করতে হবে। ২. আইনে কঠোর শাস্তি: শ্রম আইন সংশোধনের চলমান উদ্যোগে নিরাপত্তা ও আইন লঙ্ঘনের শাস্তি সংক্রান্ত বিধিবিধান আরও কঠোর করা। 3. আইন হালনাগাদ: শ্রম আইন, বিস্ফোরক আইন, বয়লার আইন, পরিবেশ আইনসহ নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালাসমূহ আন্তর্জাতিক নীতিমালা ও গাইডলাইন অনুসরণে যুগোপযোগী ও হালনাগাদ করা।

খ. পরিদর্শন, সমন্বয় ও ক্ষতিপূরণ
৪. সমন্বিত পরিদর্শন: বিস্ফোরক পরিদপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বিত ও শক্তিশালী পরিদর্শন ও মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং এই কার্যক্রমে ট্রেড ইউনিয়ন ও সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনগুলোকে যুক্ত করা। ৫. ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ: আইন প্রয়োগে সংশ্লিষ্টদের ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা দূরীকরণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ৬. উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন: দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আইএলও কনভেনশন ১২১ অনুসারে জীবনব্যাপী আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করা এবং রানা প্লাজা ক্লেইম এডমিনিস্ট্রেশনের অনুরূপ একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন করা। ৭. তদন্ত প্রকাশ ও বাস্তবায়ন: প্রতিটি দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করা, প্রতিবেদনের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়ন করা এবং পূর্বের সরকারি প্রতিশ্রুতিসমূহের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

গ. বিচার, প্রাতিষ্ঠানিক ও কমিউনিটি উদ্যোগ
৮. দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি: রানা প্লাজা ও তাজরীনসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় জড়িত দায়ী ব্যক্তিদের অবিলম্বে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। ৯. কমিউনিটির সম্পৃক্ততা: দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কারখানা ও কমিউনিটিভিত্তিক সেইফটি কমিটি গঠন করা। নিরাপত্তা উন্নয়ন ও মনিটরিং কার্যক্রমে স্থানীয় সরকার ও কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করা। নিয়মিত অগ্নিনির্বাপক মহড়া ও ঝুঁকি নিরূপণ নিশ্চিত করা। ১০. প্রাতিষ্ঠানিক রূপ: জাতীয় শিল্প স্বাস্থ্য ও সেইফটি কাউন্সিলকে সক্রিয় করে নিরাপত্তা উন্নয়নকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া। ১১. শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ: নিরাপত্তা উন্নয়ন বিষয়ে শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা। ১২. সচেতনতা বৃদ্ধি: সরকারি ও বেসরকারি মিডিয়াগুলোকে সম্পৃক্ত করে সুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রচারণা জোরদার করা।

শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম সরকারের আইএলও কনভেনশন ১৯০, ১৫৫ ও ১৮৭ অনুসমর্থনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে এবং এটিকে সকল সেক্টরের শ্রমিকদের নিরাপত্তা উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ অক্টোবর, ২০২৫,  3:36 PM

news image

সম্প্রতি বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানা, রাসায়নিক গুদাম ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ড ও রাসায়নিক বিস্ফোরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম (এসআরএস) সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। ফোরামের পক্ষ থেকে কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা এবং আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম, বাংলাদেশের নেতৃত্বশীল জাতীয় ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনসমূহ (স্কপ, আইবিসি, জিস্কপ) এবং শ্রমিক অধিকার ও মানবাধিকার সংগঠনসমূহের সমন্বয়ে এই যৌথ সংবাদ সম্মেলন আয়োজিত হয়।

১. দুর্ঘটনার ভয়াবহ চিত্র ও রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা
সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহ কিছু দুর্ঘটনার তথ্য তুলে ধরে:

সাম্প্রতিক বিপর্যয়: গত ১৪ অক্টোবর ঢাকার মিরপুরের পোশাক কারখানা ও রাসায়নিক গুদামে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন শ্রমিক নিহত হন। এরপরে ১৭ অক্টোবর চট্টগ্রাম ইপিজেডে ও ১৯ অক্টোবর ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

পূর্বের মর্মান্তিক ঘটনা: অতীতের বড় দুর্ঘটনাগুলো—যেমন ২০২২ সালের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণে অর্ধশত মৃত্যু, ২০২১ সালে হাসেম ফুডস কারখানায় ৫২ জনের মৃত্যু, ২০১৯ সালের চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ৭৭ জনের মৃত্যু, ২০১২ সালের তাজরীন ফ্যাশনসে ১১১ জন শ্রমিকের মৃত্যু—আমাদের রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা এবং নিরাপত্তা বিষয়ে পুরো সমাজেরই অজ্ঞতা-অবহেলাকে নির্দেশ করে।

ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান (বিএলএস জরিপ): ২০১৮ সাল থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে শিল্প-কারখানায় মোট ১৫২টি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, যেখানে নিহত হয়েছেন ১৩১ জন এবং আহত হয়েছেন ৫৭৮ জন।

সংস্থাটি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, অগ্নিনিরাপত্তা, ভবন নিরাপত্তা ও রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের জবাবদিহিতার অভাব, ব্যর্থতা, অবহেলা ও আইন না মানার প্রবণতার কারণে সারাদেশের কর্মক্ষেত্রগুলো আজ 'মৃত্যুকূপে' পরিণত হয়েছে।

২. সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি প্রধান সুপারিশসমূহ (১২ দফা)
শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে নিম্নোক্ত ১২টি মূল সুপারিশ তুলে ধরেছে:

ক. আইন ও নীতির কঠোর প্রয়োগ ও সংস্কার
১. 'জিরো টলারেন্স' নীতি: কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা এবং রাসায়নিক দ্রব্য ও বিস্ফোরক মজুত সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক আইন ও বিধিবিধানের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকারকে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করতে হবে। ২. আইনে কঠোর শাস্তি: শ্রম আইন সংশোধনের চলমান উদ্যোগে নিরাপত্তা ও আইন লঙ্ঘনের শাস্তি সংক্রান্ত বিধিবিধান আরও কঠোর করা। 3. আইন হালনাগাদ: শ্রম আইন, বিস্ফোরক আইন, বয়লার আইন, পরিবেশ আইনসহ নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালাসমূহ আন্তর্জাতিক নীতিমালা ও গাইডলাইন অনুসরণে যুগোপযোগী ও হালনাগাদ করা।

খ. পরিদর্শন, সমন্বয় ও ক্ষতিপূরণ
৪. সমন্বিত পরিদর্শন: বিস্ফোরক পরিদপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বিত ও শক্তিশালী পরিদর্শন ও মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং এই কার্যক্রমে ট্রেড ইউনিয়ন ও সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনগুলোকে যুক্ত করা। ৫. ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ: আইন প্রয়োগে সংশ্লিষ্টদের ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা দূরীকরণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ৬. উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন: দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আইএলও কনভেনশন ১২১ অনুসারে জীবনব্যাপী আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করা এবং রানা প্লাজা ক্লেইম এডমিনিস্ট্রেশনের অনুরূপ একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন করা। ৭. তদন্ত প্রকাশ ও বাস্তবায়ন: প্রতিটি দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করা, প্রতিবেদনের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়ন করা এবং পূর্বের সরকারি প্রতিশ্রুতিসমূহের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

গ. বিচার, প্রাতিষ্ঠানিক ও কমিউনিটি উদ্যোগ
৮. দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি: রানা প্লাজা ও তাজরীনসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় জড়িত দায়ী ব্যক্তিদের অবিলম্বে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। ৯. কমিউনিটির সম্পৃক্ততা: দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কারখানা ও কমিউনিটিভিত্তিক সেইফটি কমিটি গঠন করা। নিরাপত্তা উন্নয়ন ও মনিটরিং কার্যক্রমে স্থানীয় সরকার ও কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করা। নিয়মিত অগ্নিনির্বাপক মহড়া ও ঝুঁকি নিরূপণ নিশ্চিত করা। ১০. প্রাতিষ্ঠানিক রূপ: জাতীয় শিল্প স্বাস্থ্য ও সেইফটি কাউন্সিলকে সক্রিয় করে নিরাপত্তা উন্নয়নকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া। ১১. শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ: নিরাপত্তা উন্নয়ন বিষয়ে শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা। ১২. সচেতনতা বৃদ্ধি: সরকারি ও বেসরকারি মিডিয়াগুলোকে সম্পৃক্ত করে সুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রচারণা জোরদার করা।

শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম সরকারের আইএলও কনভেনশন ১৯০, ১৫৫ ও ১৮৭ অনুসমর্থনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে এবং এটিকে সকল সেক্টরের শ্রমিকদের নিরাপত্তা উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।