CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

নারী সংবাদকর্মীর মৃত্যু: হাইকোর্টের নির্দেশনা মেনে তদন্ত ও বিচার দাবি

#
news image

গণমাধ্যমকর্মী স্বর্ণময়ী বিশ্বাসের (২৮) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত তদন্ত ও অভিযুক্তের বিচারের দাবি জানিয়েছে নারী অধিকার সংগঠনগুলো। রবিবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি’র ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গণমাধ্যম জাতির বিবেক হলেও প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই যৌন হয়রানির অভিযোগের সঠিক তদন্ত না হওয়া উদ্বেগজনক। হাইকোর্টের ২০০৯ সালের রায় অনুযায়ী প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানিবিষয়ক অভিযোগ তদন্তে কমিটি থাকার কথা; যা আইন না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

এ সময় সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির জয়া সরকার বলেন, ‘প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে একটা কমিটি থাকবে, যেখানে সব কর্মী যৌন হয়রানির অভিযোগ দিতে পারবেন। আশা করবো, দেশের সব মিডিয়া যৌন নিপীড়কদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলবে।’

নারী প্রগতি সংঘের সভাপতি সাহানা সুমি বলেন, ‘দীর্ঘদিন যৌন হয়রানি হওয়ার পর বিচার না পাওয়ায় স্বর্ণময়ী আত্মহত্যা করেছেন। আমরা জানি, গণমাধ্যম জাতির বিবেক। কিন্তু একজন গণমাধ্যমকর্মী মারা যাওয়ার পর সে বিবেক সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। ২০০৯ সালের হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, সব প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানির একটি কমিটি থাকবে। রায় অনুসারে আইন না হওয়া পর্যন্ত সেটিই আইন হিসেবে কার্যকর হবে।’

তিনি বলেন, ‘কেউ যত বড় সাংবাদিক হোক না কেন, যৌন হয়রানি করলে সে একজন অপরাধী। তাকে অপরাধী হিসেবেই বলতে হবে। তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।’

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ও সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির প্রধান সমন্বয় ডা. ফাওজিয়া মোসলেম বলেন, ‘দেশের পরিস্থিতি এমন হয়ে গেছে, আমার মনে হচ্ছে প্রতি মাসে এখানে দাঁড়াচ্ছি। কোথাও ধর্ষণ করে খুন, কোথাও নারীদের হয়রানি বা যৌন নিপীড়ন করা হচ্ছে। তবে হয়তো কোনও একটা ঘটনার বিচার হচ্ছে তাও সেটি নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গার নারীদের প্রতি হয়রানির ঘটনার মিডিয়া থেকে নিয়ে কাজ করি। কিন্তু মিডিয়াতেই যদি এমন হয় তাহলে বলা যায়, যে নিজের ঘর অন্ধকার রেখে অন্যকে আলোকিত করা সম্ভব নয়।’

মিডিয়া মালিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি মিডিয়া হাউজ যাতে নারীদের প্রতি সংবেদনশীল হয়। কর্মক্ষেত্র যাতে নারীদের সর্বোচ্চ নিরাপদ হয়, তাহলেই লিঙ্গ বৈষম্য দূর হবে।’

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানুসহ নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগরের বাসা থেকে ওই নারী সংবাদকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬ অক্টোবর, ২০২৫,  4:33 PM

news image

গণমাধ্যমকর্মী স্বর্ণময়ী বিশ্বাসের (২৮) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত তদন্ত ও অভিযুক্তের বিচারের দাবি জানিয়েছে নারী অধিকার সংগঠনগুলো। রবিবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি’র ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গণমাধ্যম জাতির বিবেক হলেও প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই যৌন হয়রানির অভিযোগের সঠিক তদন্ত না হওয়া উদ্বেগজনক। হাইকোর্টের ২০০৯ সালের রায় অনুযায়ী প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানিবিষয়ক অভিযোগ তদন্তে কমিটি থাকার কথা; যা আইন না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

এ সময় সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির জয়া সরকার বলেন, ‘প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে একটা কমিটি থাকবে, যেখানে সব কর্মী যৌন হয়রানির অভিযোগ দিতে পারবেন। আশা করবো, দেশের সব মিডিয়া যৌন নিপীড়কদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলবে।’

নারী প্রগতি সংঘের সভাপতি সাহানা সুমি বলেন, ‘দীর্ঘদিন যৌন হয়রানি হওয়ার পর বিচার না পাওয়ায় স্বর্ণময়ী আত্মহত্যা করেছেন। আমরা জানি, গণমাধ্যম জাতির বিবেক। কিন্তু একজন গণমাধ্যমকর্মী মারা যাওয়ার পর সে বিবেক সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। ২০০৯ সালের হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, সব প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানির একটি কমিটি থাকবে। রায় অনুসারে আইন না হওয়া পর্যন্ত সেটিই আইন হিসেবে কার্যকর হবে।’

তিনি বলেন, ‘কেউ যত বড় সাংবাদিক হোক না কেন, যৌন হয়রানি করলে সে একজন অপরাধী। তাকে অপরাধী হিসেবেই বলতে হবে। তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।’

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ও সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির প্রধান সমন্বয় ডা. ফাওজিয়া মোসলেম বলেন, ‘দেশের পরিস্থিতি এমন হয়ে গেছে, আমার মনে হচ্ছে প্রতি মাসে এখানে দাঁড়াচ্ছি। কোথাও ধর্ষণ করে খুন, কোথাও নারীদের হয়রানি বা যৌন নিপীড়ন করা হচ্ছে। তবে হয়তো কোনও একটা ঘটনার বিচার হচ্ছে তাও সেটি নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গার নারীদের প্রতি হয়রানির ঘটনার মিডিয়া থেকে নিয়ে কাজ করি। কিন্তু মিডিয়াতেই যদি এমন হয় তাহলে বলা যায়, যে নিজের ঘর অন্ধকার রেখে অন্যকে আলোকিত করা সম্ভব নয়।’

মিডিয়া মালিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি মিডিয়া হাউজ যাতে নারীদের প্রতি সংবেদনশীল হয়। কর্মক্ষেত্র যাতে নারীদের সর্বোচ্চ নিরাপদ হয়, তাহলেই লিঙ্গ বৈষম্য দূর হবে।’

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানুসহ নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগরের বাসা থেকে ওই নারী সংবাদকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।