CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

‘চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেই’

#
news image

চট্টগ্রাম বন্দরের সব স্থাপনার একক মালিকানা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের। চট্টগ্রাম বন্দরের কোনও টার্মিনালের মালিকানা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা বন্দর কর্তৃপক্ষ বা সরকারের নেই। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সোমবার বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দরের চিফ পারসোনাল অফিসার নাসির উদ্দিন।


রবিবার রাতে বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিবের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক সময়ে অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করা যাচ্ছে, চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনালগুলো পরিচালনার ব্যাপারে কতিপয় সংবাদমাধ্যম সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করছে। এসব অসত্য ও ভিত্তিহীন তথ্য সাধারণ জনগণ এবং বন্দর ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।


‘চট্টগ্রাম বন্দরের সব টার্মিনাল, জেটি, ইয়ার্ড ও অন্য সব স্থাপনার একক মালিকানা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের। চট্টগ্রাম বন্দরের কোনও টার্মিনালের মালিকানা ইতোপূর্বে কখনোই কোনও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা বন্দর কর্তৃপক্ষ বা সরকারের ছিল না বা এখনও নেই। বাংলাদেশের প্রচলিত বিধিবিধান প্রতিপালন সাপেক্ষে শুধু লাইসেন্সি হিসেবে অপারেটর নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে– যা সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জনবান্ধব।’

এ বিষয়ে গণমাধ্যমে সতর্কতার সঙ্গে সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ‘গণমাধ্যমে কোনও বিষয়ে প্রকৃত তথ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ না জেনে মনগড়া, ধারণাভিত্তিক বা অনির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে সংবাদ পরিবেশন করা হলে তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দর সম্পর্কিত মনগড়া, অবাস্তব সংবাদ বন্দরের স্বাভাবিক কর্মপরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যা বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতির হৃদপিণ্ড চট্টগ্রাম বন্দর এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে বড় অন্তরায়। বন্দরের সুষ্ঠু কর্ম পরিবেশ বজায় রাখা এবং ক্রমবর্ধমান উন্নতির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখাসহ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক রাখার  লক্ষ্যে সবার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

‘এ অবস্থায়, চট্টগ্রাম বন্দর সম্পর্কিত সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আরও বেশি পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য এবং অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ অক্টোবর, ২০২৫,  5:23 PM

news image

চট্টগ্রাম বন্দরের সব স্থাপনার একক মালিকানা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের। চট্টগ্রাম বন্দরের কোনও টার্মিনালের মালিকানা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা বন্দর কর্তৃপক্ষ বা সরকারের নেই। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সোমবার বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দরের চিফ পারসোনাল অফিসার নাসির উদ্দিন।


রবিবার রাতে বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিবের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক সময়ে অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করা যাচ্ছে, চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনালগুলো পরিচালনার ব্যাপারে কতিপয় সংবাদমাধ্যম সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করছে। এসব অসত্য ও ভিত্তিহীন তথ্য সাধারণ জনগণ এবং বন্দর ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।


‘চট্টগ্রাম বন্দরের সব টার্মিনাল, জেটি, ইয়ার্ড ও অন্য সব স্থাপনার একক মালিকানা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের। চট্টগ্রাম বন্দরের কোনও টার্মিনালের মালিকানা ইতোপূর্বে কখনোই কোনও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা বন্দর কর্তৃপক্ষ বা সরকারের ছিল না বা এখনও নেই। বাংলাদেশের প্রচলিত বিধিবিধান প্রতিপালন সাপেক্ষে শুধু লাইসেন্সি হিসেবে অপারেটর নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে– যা সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জনবান্ধব।’

এ বিষয়ে গণমাধ্যমে সতর্কতার সঙ্গে সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ‘গণমাধ্যমে কোনও বিষয়ে প্রকৃত তথ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ না জেনে মনগড়া, ধারণাভিত্তিক বা অনির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে সংবাদ পরিবেশন করা হলে তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দর সম্পর্কিত মনগড়া, অবাস্তব সংবাদ বন্দরের স্বাভাবিক কর্মপরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যা বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতির হৃদপিণ্ড চট্টগ্রাম বন্দর এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে বড় অন্তরায়। বন্দরের সুষ্ঠু কর্ম পরিবেশ বজায় রাখা এবং ক্রমবর্ধমান উন্নতির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখাসহ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক রাখার  লক্ষ্যে সবার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

‘এ অবস্থায়, চট্টগ্রাম বন্দর সম্পর্কিত সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আরও বেশি পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য এবং অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।’