নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ অক্টোবর, ২০২৫, 5:51 PM
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রতি সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাজানো নাটক ছিল বলে দাবি করেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, ঘটনার প্রকৃত ভিডিও ফুটেজ ও তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা এবং নিরীহ ছাত্রদের ফাঁদে ফেলে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা চালানো।
ড্যাফোডিল কর্তৃপক্ষের দাবি, ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে:
পূর্বপরিকল্পিত হামলা: রাতের অন্ধকারে সিটি ইউনিভার্সিটির বিপুল সংখ্যক ছাত্র অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্যারাডাইস ব্যাচেলর হোস্টেলে হামলা চালায়।
ভাঙচুর ও নির্যাতন: হোস্টেলের ভেতরে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও নিরীহ ছাত্রদের ওপর হামলা করা হয়।
অপহরণ ও নির্যাতন: বেশ কয়েকজন ড্যাফোডিল শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন এবং কিছু শিক্ষার্থীকে সিটি ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা ধরে নিয়ে যায়। তাদের দড়ি বেঁধে নির্যাতন করার দৃশ্য ভিডিও ফুটেজে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
নাটকীয়তার প্রমাণ: ফুটেজে দেখা গেছে, ছাত্রদের অপহরণের সময় বা তাদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের সময় কোনো গাড়িতে আগুন ছিল না। এতে প্রমাণিত হয় যে, পরবর্তী সময়ে পরিবহন পোড়ানোর ঘটনাটি নাটকীয়ভাবে সাজানো হয়েছে।
পেট্রোল বোমা ও ভুয়া অভিযোগ
ড্যাফোডিল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে, সিটি ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের নিজস্ব ভিডিওতেই পেট্রোল বোমা তৈরি ও ব্যবহারের প্রমাণ রয়েছে। তাদের দাবি, এই ঘটনাগুলো সাজানো নাটকের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে দোষ অন্যের ওপর চাপিয়ে নিজেদের অপরাধ আড়াল করা যায়।
এছাড়াও, থানায় করা মামলায় “ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি ড্রোন ব্যবহার করে হামলা করেছে” মর্মে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আশেপাশে হাজারো মানুষ উপস্থিত থাকলেও কেউ ড্রোন দেখেনি বলে কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে।
মূল পরিকল্পনাকারী চিহ্নিত
ড্যাফোডিল কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী চিহ্নিত হয়েছে সিটি ইউনিভার্সিটির করা মামলার মাধ্যমেই: পরিচালনাকারী: ঘটনাটি পরিচালনা করেছিল ফাহাদ নামের এক ব্যক্তি।
বহিষ্কারের কারণ: এই ফাহাদ বহু আগে (নভেম্বর ২০০৩ সালে) স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে অসদাচরণের কারণে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হন।
প্রতিশোধ: কর্তৃপক্ষ মনে করে, প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ফাহাদ সিটি ইউনিভার্সিটির কিছু ছাত্রের সাথে সমন্বয় করে এই পরিকল্পিত ঘটনাটি ঘটান।
ড্যাফোডিলের দাবি ও আহ্বান
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই পুরো ঘটনাকে একটি সংঘবদ্ধ স্বার্থান্বেষী চক্রের কাজ বলে দাবি করেছে, যারা শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শুরু থেকেই শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে ছিল বলে তারা জানিয়েছে।
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে নিম্নলিখিত দাবি জানিয়েছে:
প্যারাডাইস ব্যাচেলর হোস্টেলে হামলাকারী সিটি ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা হোক।
এই ঘটনার স্ক্রিপ্ট রচনা ও মঞ্চস্থকারী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে আইনের আওতায় আনা হোক।
ভুয়া মামলা ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও ছাত্রদের নিরাপত্তা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির পক্ষ থেকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত টিম কার্যকরভাবে কাজ করুক।
কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের প্রতি যেকোনো প্রকার উস্কানি, গুজব বা স্বার্থান্বেষী চক্রের প্ররোচনায় না পড়ার আহ্বান জানিয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ অক্টোবর, ২০২৫, 5:51 PM
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রতি সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাজানো নাটক ছিল বলে দাবি করেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, ঘটনার প্রকৃত ভিডিও ফুটেজ ও তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা এবং নিরীহ ছাত্রদের ফাঁদে ফেলে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা চালানো।
ড্যাফোডিল কর্তৃপক্ষের দাবি, ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে:
পূর্বপরিকল্পিত হামলা: রাতের অন্ধকারে সিটি ইউনিভার্সিটির বিপুল সংখ্যক ছাত্র অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্যারাডাইস ব্যাচেলর হোস্টেলে হামলা চালায়।
ভাঙচুর ও নির্যাতন: হোস্টেলের ভেতরে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও নিরীহ ছাত্রদের ওপর হামলা করা হয়।
অপহরণ ও নির্যাতন: বেশ কয়েকজন ড্যাফোডিল শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন এবং কিছু শিক্ষার্থীকে সিটি ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা ধরে নিয়ে যায়। তাদের দড়ি বেঁধে নির্যাতন করার দৃশ্য ভিডিও ফুটেজে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
নাটকীয়তার প্রমাণ: ফুটেজে দেখা গেছে, ছাত্রদের অপহরণের সময় বা তাদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের সময় কোনো গাড়িতে আগুন ছিল না। এতে প্রমাণিত হয় যে, পরবর্তী সময়ে পরিবহন পোড়ানোর ঘটনাটি নাটকীয়ভাবে সাজানো হয়েছে।
পেট্রোল বোমা ও ভুয়া অভিযোগ
ড্যাফোডিল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে, সিটি ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের নিজস্ব ভিডিওতেই পেট্রোল বোমা তৈরি ও ব্যবহারের প্রমাণ রয়েছে। তাদের দাবি, এই ঘটনাগুলো সাজানো নাটকের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে দোষ অন্যের ওপর চাপিয়ে নিজেদের অপরাধ আড়াল করা যায়।
এছাড়াও, থানায় করা মামলায় “ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি ড্রোন ব্যবহার করে হামলা করেছে” মর্মে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আশেপাশে হাজারো মানুষ উপস্থিত থাকলেও কেউ ড্রোন দেখেনি বলে কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে।
মূল পরিকল্পনাকারী চিহ্নিত
ড্যাফোডিল কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী চিহ্নিত হয়েছে সিটি ইউনিভার্সিটির করা মামলার মাধ্যমেই: পরিচালনাকারী: ঘটনাটি পরিচালনা করেছিল ফাহাদ নামের এক ব্যক্তি।
বহিষ্কারের কারণ: এই ফাহাদ বহু আগে (নভেম্বর ২০০৩ সালে) স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে অসদাচরণের কারণে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হন।
প্রতিশোধ: কর্তৃপক্ষ মনে করে, প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ফাহাদ সিটি ইউনিভার্সিটির কিছু ছাত্রের সাথে সমন্বয় করে এই পরিকল্পিত ঘটনাটি ঘটান।
ড্যাফোডিলের দাবি ও আহ্বান
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই পুরো ঘটনাকে একটি সংঘবদ্ধ স্বার্থান্বেষী চক্রের কাজ বলে দাবি করেছে, যারা শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শুরু থেকেই শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে ছিল বলে তারা জানিয়েছে।
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে নিম্নলিখিত দাবি জানিয়েছে:
প্যারাডাইস ব্যাচেলর হোস্টেলে হামলাকারী সিটি ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা হোক।
এই ঘটনার স্ক্রিপ্ট রচনা ও মঞ্চস্থকারী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে আইনের আওতায় আনা হোক।
ভুয়া মামলা ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও ছাত্রদের নিরাপত্তা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির পক্ষ থেকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত টিম কার্যকরভাবে কাজ করুক।
কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের প্রতি যেকোনো প্রকার উস্কানি, গুজব বা স্বার্থান্বেষী চক্রের প্ররোচনায় না পড়ার আহ্বান জানিয়েছে।