CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৪ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
টাইটেল ঢাকা-৯ এর ‘ঘরের মেয়ে’ তাসনিম জারা, কিন্তু ভোটার ঢাকা-১১? ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অধিকারহরণের অপকৌশল রুখতে হবে কুৎসা রটিয়ে ও ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ 'জাহাজপোড়া ক্যাসেল' রিসোর্ট’র শুভ উদ্বোধন করলেন ডিআইজি ২২তম জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র তায়কোয়ানডো সিনিয়রে আনসার ও জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন নড়াইল জেলা সমিতি রাজশাহীর নতুন সভাপতি দীপু, সম্পাদক তাজ মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে: মির্জা আব্বাস ধর্ম ও বিকাশ দিয়ে ভোট কেনা আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়? প্রশ্ন রিজভীর ন্যায়, ইনসাফ ও জবাবদিহিতার বাংলাদেশ গড়তে চাই.....ডা. শফিকুর রহমান পরাজিত শক্তির সহযোগীরাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’র বিরোধী

যাত্রা শুরু খুলনার আধুনিক কারাগারের, ফুল দিয়ে কয়েদিদের বরণ

#
news image

১০০ বন্দি স্থানান্তরের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করলো খুলনা জেলার আধুনিক কারাগার। গোলাপ ও রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে বরণ করা হলো ১০০ কয়েদিকে। শনিবার বেলা ১১টার দিকে তিনটি গাড়িতে করে তাদের নতুন কারাগারে নেওয়া হয়। নতুন স্থাপনা উদ্বোধনের পর এটি ছিল প্রথম দফায় হাজতিদের স্থানান্তর।

খুলনা জেলা পুরাতন কারাগার থেকে বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে বন্দিদের নিয়ে যাত্রা শুরু করে  ১১টায় তিনটি গাড়ি জেলার  আধুনিক  কারাগারে প্রবেশ করে। কারাগার কর্তৃপক্ষ ১১টা ৩০ মিনিটে বন্দিদের স্থানান্তর সম্পন্ন করা হয়। হাজতি ভবন-১ বন্দিদের রাখা হবে বলে জানিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন কারা উপ মহপরিদর্শক খুলনার  মনির আহম্মেদ, খুলনা জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান ও  খুলনা জেলার মনির হোসাইনসহ কারা কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

খুলনার জেলার মনির হোসাইন বলেন, ‘বেলা ১১টায় ১০০ কয়েদিকে নতুন কারাগারে আনা হয়। এখানে তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন কারারক্ষীরা। তাদের হাজতি ভবন ১-এ রাখা হয়েছে। কোনও নারী কয়েদিকে প্রথম দফায় আনা হয়নি। এ নতুন কারাগারে ৮৩ জন কারারক্ষী দায়িত্ব পালন করছেন। প্রয়োজনে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’

কারা সূত্রে জানায়, পূর্ণাঙ্গ জনবল না পাওয়া পর্যন্ত শুধু ছয়তলা পুরুষ হাজতি ব্যারাক চালু করা হয়েছে। নারী ও কিশোরী বন্দিদের ব্যারাকও চালু রাখা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে সাজাপ্রাপ্ত ১০০ কয়েদিকে রাখা হচ্ছে। এতে আদালতে আনা-নেওয়ার ঝামেলা কমবে। ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য আলাদা ব্যারাকও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আরও জানা গেছে, নতুন কারাগারটি নির্মাণ করা হয়েছে আধুনিক সংশোধনাগার হিসেবে। এখানে বিচারাধীন ও সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য রয়েছে পৃথক ভবন, কিশোর ও কিশোরীদের জন্য আলাদা ব্যারাক, আর নারীদের জন্য হাসপাতাল, মোটিভেশন সেন্টার ও ওয়ার্কশেড। বন্দিদের চিকিৎসার জন্য থাকবে ৫০ শয্যার হাসপাতাল, পাশাপাশি কারারক্ষীদের সন্তানদের জন্য স্কুল, লাইব্রেরি, ডাইনিং, আধুনিক সেলুন ও লন্ড্রি। শিশুসন্তানসহ নারী বন্দিদের জন্যও রয়েছে পৃথক ওয়ার্ড ও ডে-কেয়ার সেন্টার, যেখানে সাধারণ বন্দিদের প্রবেশাধিকার থাকবে না।

খুলনা প্রতিনিধি

০১ নভেম্বর, ২০২৫,  3:36 PM

news image

১০০ বন্দি স্থানান্তরের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করলো খুলনা জেলার আধুনিক কারাগার। গোলাপ ও রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে বরণ করা হলো ১০০ কয়েদিকে। শনিবার বেলা ১১টার দিকে তিনটি গাড়িতে করে তাদের নতুন কারাগারে নেওয়া হয়। নতুন স্থাপনা উদ্বোধনের পর এটি ছিল প্রথম দফায় হাজতিদের স্থানান্তর।

খুলনা জেলা পুরাতন কারাগার থেকে বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে বন্দিদের নিয়ে যাত্রা শুরু করে  ১১টায় তিনটি গাড়ি জেলার  আধুনিক  কারাগারে প্রবেশ করে। কারাগার কর্তৃপক্ষ ১১টা ৩০ মিনিটে বন্দিদের স্থানান্তর সম্পন্ন করা হয়। হাজতি ভবন-১ বন্দিদের রাখা হবে বলে জানিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন কারা উপ মহপরিদর্শক খুলনার  মনির আহম্মেদ, খুলনা জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান ও  খুলনা জেলার মনির হোসাইনসহ কারা কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

খুলনার জেলার মনির হোসাইন বলেন, ‘বেলা ১১টায় ১০০ কয়েদিকে নতুন কারাগারে আনা হয়। এখানে তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন কারারক্ষীরা। তাদের হাজতি ভবন ১-এ রাখা হয়েছে। কোনও নারী কয়েদিকে প্রথম দফায় আনা হয়নি। এ নতুন কারাগারে ৮৩ জন কারারক্ষী দায়িত্ব পালন করছেন। প্রয়োজনে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’

কারা সূত্রে জানায়, পূর্ণাঙ্গ জনবল না পাওয়া পর্যন্ত শুধু ছয়তলা পুরুষ হাজতি ব্যারাক চালু করা হয়েছে। নারী ও কিশোরী বন্দিদের ব্যারাকও চালু রাখা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে সাজাপ্রাপ্ত ১০০ কয়েদিকে রাখা হচ্ছে। এতে আদালতে আনা-নেওয়ার ঝামেলা কমবে। ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য আলাদা ব্যারাকও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আরও জানা গেছে, নতুন কারাগারটি নির্মাণ করা হয়েছে আধুনিক সংশোধনাগার হিসেবে। এখানে বিচারাধীন ও সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য রয়েছে পৃথক ভবন, কিশোর ও কিশোরীদের জন্য আলাদা ব্যারাক, আর নারীদের জন্য হাসপাতাল, মোটিভেশন সেন্টার ও ওয়ার্কশেড। বন্দিদের চিকিৎসার জন্য থাকবে ৫০ শয্যার হাসপাতাল, পাশাপাশি কারারক্ষীদের সন্তানদের জন্য স্কুল, লাইব্রেরি, ডাইনিং, আধুনিক সেলুন ও লন্ড্রি। শিশুসন্তানসহ নারী বন্দিদের জন্যও রয়েছে পৃথক ওয়ার্ড ও ডে-কেয়ার সেন্টার, যেখানে সাধারণ বন্দিদের প্রবেশাধিকার থাকবে না।