CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

মোহাম্মদপুরে অটোচালককে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ২

#
news image

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাসেল (৩৪) নামে এক অটোরিকশা চালককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এসময় তার দুই বন্ধু রিয়াদ ও বিপ্লব আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (১ নভেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোহাম্মদপুর নবীনগর হাউজিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, রাতে গ্যারেজ থেকে ফিরে দুই বন্ধুকে নিয়ে বাসার পথে হাঁটছিলেন রাসেল। নবীনগর হাউজিংয়ের ৪ নম্বর রোডের সেলিম সাহেবের বাসার সামনে পৌঁছালে হঠাৎ ১৫–২০ জন সশস্ত্র লোক তাদের ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাসেল মারা যান। আহত দুজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসান বাবু ও মোবারক নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুল ইসলাম বলেন, নিহতের বাবা আফছার আলম বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। গ্রেফতার দুজনকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে। হত্যার কারণ ও পরিকল্পনায় কারা যুক্ত ছিল তা যাচাই করা হচ্ছে।

নিহত রাসেলের বাবা আফছার আলম বলেন, “আগে থেকেই ওদের সঙ্গে শত্রুতা ছিল। সুযোগ পেয়ে তারা আমার ছেলেকে মেরে ফেললো। আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।”

পুলিশ বলছে, এটি পূর্ব বিরোধের জেরে পরিকল্পিত হামলা। এলাকার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আসামিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

নিহত রাসেল মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার রুদ্রপাড়া গ্রামের আফছার আলমের ছেলে। পেশায় তিনি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক ছিলেন। রাজধানীর চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকার ৫ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাসায় পরিবারসহ বসবাস করতেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ নভেম্বর, ২০২৫,  4:08 PM

news image

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাসেল (৩৪) নামে এক অটোরিকশা চালককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এসময় তার দুই বন্ধু রিয়াদ ও বিপ্লব আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (১ নভেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোহাম্মদপুর নবীনগর হাউজিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, রাতে গ্যারেজ থেকে ফিরে দুই বন্ধুকে নিয়ে বাসার পথে হাঁটছিলেন রাসেল। নবীনগর হাউজিংয়ের ৪ নম্বর রোডের সেলিম সাহেবের বাসার সামনে পৌঁছালে হঠাৎ ১৫–২০ জন সশস্ত্র লোক তাদের ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাসেল মারা যান। আহত দুজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসান বাবু ও মোবারক নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুল ইসলাম বলেন, নিহতের বাবা আফছার আলম বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। গ্রেফতার দুজনকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে। হত্যার কারণ ও পরিকল্পনায় কারা যুক্ত ছিল তা যাচাই করা হচ্ছে।

নিহত রাসেলের বাবা আফছার আলম বলেন, “আগে থেকেই ওদের সঙ্গে শত্রুতা ছিল। সুযোগ পেয়ে তারা আমার ছেলেকে মেরে ফেললো। আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।”

পুলিশ বলছে, এটি পূর্ব বিরোধের জেরে পরিকল্পিত হামলা। এলাকার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আসামিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

নিহত রাসেল মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার রুদ্রপাড়া গ্রামের আফছার আলমের ছেলে। পেশায় তিনি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক ছিলেন। রাজধানীর চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকার ৫ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাসায় পরিবারসহ বসবাস করতেন।