নিজস্ব প্রতিবেদক
০২ নভেম্বর, ২০২৫, 7:05 PM
দুই বছর সময়সীমার পরে বাল্যবিয়ের অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত বাধা কেন অসাংবিধানিক হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে দুই বছর সময়সীমার পরে বাল্যবিয়ের অপরাধ আমলে গ্রহণে আইনগত বাধা কেন ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।
আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (২ নভেম্বর) বিচারপতি কাজী জিনাত হক এবং বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট তানজিলা রহমান।
এর আগে, ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭’ এর ধারা ১৮ এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।
‘বাল্যবিয়ে নিরোধ আইনের’ ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, বাল্যবিয়ে সংঘটনের দুই বছর পর কোনও অভিযোগ আদালত আমলে নিতে পারবে না।
এ বিষয়ে রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, বাল্যবিয়ের শিকার শিশুরা প্রায়ই অল্পবয়সী ও মানসিকভাবে অসহায় থাকে। তারা তখন অভিযোগ জানাতে পারে না। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর যখন বিচার চায়, তখন এই ১৮ ধারা তাদের পথ রুদ্ধ করে দেয়। এটি রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার দেওয়ার দায়িত্বের পরিপন্থি। এটি এমন একটি আইনি বাধা, যা বাস্তবে অপরাধীকে রক্ষা করে এবং ভুক্তভোগীকে বঞ্চিত করে। এটি সংবিধানের ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আইনের সমান সুরক্ষা ও ন্যায়বিচারের অধিকারের পরিপন্থি।
নিজস্ব প্রতিবেদক
০২ নভেম্বর, ২০২৫, 7:05 PM
দুই বছর সময়সীমার পরে বাল্যবিয়ের অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত বাধা কেন অসাংবিধানিক হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে দুই বছর সময়সীমার পরে বাল্যবিয়ের অপরাধ আমলে গ্রহণে আইনগত বাধা কেন ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।
আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (২ নভেম্বর) বিচারপতি কাজী জিনাত হক এবং বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট তানজিলা রহমান।
এর আগে, ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭’ এর ধারা ১৮ এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।
‘বাল্যবিয়ে নিরোধ আইনের’ ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, বাল্যবিয়ে সংঘটনের দুই বছর পর কোনও অভিযোগ আদালত আমলে নিতে পারবে না।
এ বিষয়ে রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, বাল্যবিয়ের শিকার শিশুরা প্রায়ই অল্পবয়সী ও মানসিকভাবে অসহায় থাকে। তারা তখন অভিযোগ জানাতে পারে না। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর যখন বিচার চায়, তখন এই ১৮ ধারা তাদের পথ রুদ্ধ করে দেয়। এটি রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার দেওয়ার দায়িত্বের পরিপন্থি। এটি এমন একটি আইনি বাধা, যা বাস্তবে অপরাধীকে রক্ষা করে এবং ভুক্তভোগীকে বঞ্চিত করে। এটি সংবিধানের ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আইনের সমান সুরক্ষা ও ন্যায়বিচারের অধিকারের পরিপন্থি।