CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

গুমের সাজা মৃত্যুদণ্ড, অধ্যাদেশ অনুমোদন

#
news image

‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রেস সচিব জানান, এই অধ্যাদেশে গুমকে সজ্ঞায়নের পাশাপাশি চলমান অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। গোপন আটককেন্দ্র স্থাপন যা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত এবং এর ব্যবহারকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুম সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের লক্ষ্যে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা ভুক্তভোগী ও তথ্য প্রচারকারী এবং সাক্ষীর অধিকার, সুরক্ষা ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তার নিশ্চয়তা সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষার উদ্দেশ্যে তহবিল গঠন ও তথ্যভান্ডার প্রতিষ্ঠার বিধানও সংযোজিত হয়েছে।


তিনি বলেন, গুম সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশন আছে, সেখানে বাংলাদেশ গত বছরের ২৯ আগস্ট উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে এবং বাংলাদেশ এটায় পক্ষভুক্ত হয়েছে। এই পুরো আইন এই কনভেনশনকে অনুসরণ করে এই অধ্যাদেশ তৈরি করা হয়েছে।


প্রেস সচিব বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক আইন। এর ফলে বাংলাদেশে কোন ফ্যাসিস্ট সরকার এসে দেশে গুমের রাজত্ব চালাতে পারবে না এবং দেশে কোন ‘আয়নাঘর’ তৈরি হবে না।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ নভেম্বর, ২০২৫,  5:23 PM

news image

‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রেস সচিব জানান, এই অধ্যাদেশে গুমকে সজ্ঞায়নের পাশাপাশি চলমান অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। গোপন আটককেন্দ্র স্থাপন যা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত এবং এর ব্যবহারকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুম সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের লক্ষ্যে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা ভুক্তভোগী ও তথ্য প্রচারকারী এবং সাক্ষীর অধিকার, সুরক্ষা ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তার নিশ্চয়তা সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষার উদ্দেশ্যে তহবিল গঠন ও তথ্যভান্ডার প্রতিষ্ঠার বিধানও সংযোজিত হয়েছে।


তিনি বলেন, গুম সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশন আছে, সেখানে বাংলাদেশ গত বছরের ২৯ আগস্ট উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে এবং বাংলাদেশ এটায় পক্ষভুক্ত হয়েছে। এই পুরো আইন এই কনভেনশনকে অনুসরণ করে এই অধ্যাদেশ তৈরি করা হয়েছে।


প্রেস সচিব বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক আইন। এর ফলে বাংলাদেশে কোন ফ্যাসিস্ট সরকার এসে দেশে গুমের রাজত্ব চালাতে পারবে না এবং দেশে কোন ‘আয়নাঘর’ তৈরি হবে না।