CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

ফারইস্টের সাবেক চেয়ারম্যান খালেক ৩ দিনের রিমান্ডে

#
news image

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলায় ফারইস্টের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ খালেকের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (১০ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফারইস্টের ভবন নির্মাণের নামে অর্থ আত্মসাৎ করার মামলায় দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিচালক মশিউর রহমান ৭ দিনের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করেন। আমরা রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করি। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে জামিন শুনানি হবে মর্মে আদেশ দেন।’

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ খালেক দায়িত্বে থাকাকালে অন্যান্য আসামীদের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফারইস্টের ৩৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি ও বিল্ডিং  ২০৭ কোটি ৬০ লাখ ৩৬ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। এই টাকা থেকে বিক্রেতাকে ৪৫ কোটি টাকা স্থানান্তর বা হস্তান্তর করেন। সেজন্য দুদক প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ও দণ্ডবিধির ৪০৯, ১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা হয়েছে। আসামি ৪৫ কোটি টাকার মধ্যে ১০ কোটি টাকা পান। ২০১৫ সালের ২৪ মার্চ বিক্রেতা মো. আজহার খান তার নামে ৫ কোটি টাকা, তার স্ত্রী সাবিহা খালেকের নামে ২ কোটি ৬২ লাখ ৫০হাজার টাকা এবং মেয়ে সারওয়াত সিমিন খালেদের নামে ৭ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। মামলার সঙ্গে আরও কারা কারা জড়িত, অর্থ আত্মসাৎ প্রক্রিয়ায় আরও কারা সহযোগী ছিলেন সেটা জানার জন্য আসামির ৭ দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ নভেম্বর, ২০২৫,  4:48 PM

news image

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলায় ফারইস্টের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ খালেকের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (১০ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফারইস্টের ভবন নির্মাণের নামে অর্থ আত্মসাৎ করার মামলায় দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিচালক মশিউর রহমান ৭ দিনের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করেন। আমরা রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করি। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে জামিন শুনানি হবে মর্মে আদেশ দেন।’

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ খালেক দায়িত্বে থাকাকালে অন্যান্য আসামীদের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফারইস্টের ৩৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি ও বিল্ডিং  ২০৭ কোটি ৬০ লাখ ৩৬ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। এই টাকা থেকে বিক্রেতাকে ৪৫ কোটি টাকা স্থানান্তর বা হস্তান্তর করেন। সেজন্য দুদক প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ও দণ্ডবিধির ৪০৯, ১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা হয়েছে। আসামি ৪৫ কোটি টাকার মধ্যে ১০ কোটি টাকা পান। ২০১৫ সালের ২৪ মার্চ বিক্রেতা মো. আজহার খান তার নামে ৫ কোটি টাকা, তার স্ত্রী সাবিহা খালেকের নামে ২ কোটি ৬২ লাখ ৫০হাজার টাকা এবং মেয়ে সারওয়াত সিমিন খালেদের নামে ৭ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। মামলার সঙ্গে আরও কারা কারা জড়িত, অর্থ আত্মসাৎ প্রক্রিয়ায় আরও কারা সহযোগী ছিলেন সেটা জানার জন্য আসামির ৭ দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।