নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ নভেম্বর, ২০২৫, 5:16 PM
পল্টন মোড়ে জামায়াতসহ আটটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ২টায় শুরুর কথা থাকলেও সকাল থেকেই মিছিল নিয়ে যোগ দেন কয়েক হাজার নেতাকর্মী। লোকে লোকারণ্য হয়ে গেছে আশপাশের সব সড়ক। ফলে ওই এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও পথচারীরা।
বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে সমাবেশের বিস্তৃতি দক্ষিণে জিরো পয়েন্ট, উত্তরে বিজয়নগর, পূর্বে বায়তুল মোকাররম ও পশ্চিমে জাতীয় প্রেসক্লাব পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। এতে এসব সড়কে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ২টায় সরেজমিন দেখা গেছে, সমাবেশ মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে পল্টন মোড় থেকে উত্তরমুখী সড়কের মাঝখানের রাস্তায়। এতে এর উভয় পাশেই গুলিস্তান-গাজীপুরগামী বাস চলাচল করতে পারছে না।
অপরদিকে যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ থেকে মিরপুর-ফার্মগেটগামী বাসগুলোও এদিকটায় প্রবেশ করতে পারছে না। তবে গুলিস্তান থেকে কিছু বাস সচিবালয় হয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে দিয়ে চলাচল করলেও সেখানেও একই অবস্থা। শুধু তাই নয়, সমাবেশের প্রভাবে কাকরাইল, শাহবাগ ও সাইন্স ল্যাব পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে। অনেকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে হেঁটেই রওনা হয়েছেন গন্তব্যস্থলের দিকে।
মিরপুরগামী শিকড় পরিবহনের যাত্রী তুহিন প্রজন্ম বলেন, ‘যাত্রাবাড়ী থেকে রওনা হয়েছি শাহবাগের উদ্দেশে। সমাবেশের কারণে গুলিস্তান পর্যন্ত এসে বাস আর যেতে রাজি হচ্ছে না। আর রিকশায় উঠলেও একই অবস্থা। তাই বাধ্য হয়ে হেঁটেই রওনা হয়েছি।’
এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন একাধিক যাত্রী ও পথচারী। তারা বলেন, ‘এসব সমাবেশ জনবহুল সড়কে না হয়ে কোনও মাঠে হলে ভালো হতো।’
অবশ্য যানজট নিরসনের জন্য চেষ্টা করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও দলগুলোর নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ নভেম্বর, ২০২৫, 5:16 PM
পল্টন মোড়ে জামায়াতসহ আটটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ২টায় শুরুর কথা থাকলেও সকাল থেকেই মিছিল নিয়ে যোগ দেন কয়েক হাজার নেতাকর্মী। লোকে লোকারণ্য হয়ে গেছে আশপাশের সব সড়ক। ফলে ওই এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও পথচারীরা।
বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে সমাবেশের বিস্তৃতি দক্ষিণে জিরো পয়েন্ট, উত্তরে বিজয়নগর, পূর্বে বায়তুল মোকাররম ও পশ্চিমে জাতীয় প্রেসক্লাব পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। এতে এসব সড়কে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ২টায় সরেজমিন দেখা গেছে, সমাবেশ মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে পল্টন মোড় থেকে উত্তরমুখী সড়কের মাঝখানের রাস্তায়। এতে এর উভয় পাশেই গুলিস্তান-গাজীপুরগামী বাস চলাচল করতে পারছে না।
অপরদিকে যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ থেকে মিরপুর-ফার্মগেটগামী বাসগুলোও এদিকটায় প্রবেশ করতে পারছে না। তবে গুলিস্তান থেকে কিছু বাস সচিবালয় হয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে দিয়ে চলাচল করলেও সেখানেও একই অবস্থা। শুধু তাই নয়, সমাবেশের প্রভাবে কাকরাইল, শাহবাগ ও সাইন্স ল্যাব পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে। অনেকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে হেঁটেই রওনা হয়েছেন গন্তব্যস্থলের দিকে।
মিরপুরগামী শিকড় পরিবহনের যাত্রী তুহিন প্রজন্ম বলেন, ‘যাত্রাবাড়ী থেকে রওনা হয়েছি শাহবাগের উদ্দেশে। সমাবেশের কারণে গুলিস্তান পর্যন্ত এসে বাস আর যেতে রাজি হচ্ছে না। আর রিকশায় উঠলেও একই অবস্থা। তাই বাধ্য হয়ে হেঁটেই রওনা হয়েছি।’
এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন একাধিক যাত্রী ও পথচারী। তারা বলেন, ‘এসব সমাবেশ জনবহুল সড়কে না হয়ে কোনও মাঠে হলে ভালো হতো।’
অবশ্য যানজট নিরসনের জন্য চেষ্টা করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও দলগুলোর নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকরা।