নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ নভেম্বর, ২০২৫, 5:36 PM
দেশের স্থল, নৌ ও সমুদ্রবন্দরসমূহের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এই বছরের মধ্যেই 'ন্যাশনাল পোর্ট স্ট্র্যাটেজি' (জাতীয় বন্দর কৌশলপত্র) চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে। নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই সভাটি জাপান সরকার ও জাইকা’র সহযোগিতায় প্রণীতব্য বাংলাদেশ ন্যাশনাল পোর্ট স্ট্র্যাটেজি ২০২৫ চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে অনুষ্ঠিত হয়।
ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "ন্যাশনাল পোর্ট স্ট্র্যাটেজির খসড়া প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আশা করছি এই বছরের মধ্যেই এই স্ট্র্যাটেজি চূড়ান্তকরণের কাজ শেষ হবে এবং আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হবে।"
৫৪ বছরের অপেক্ষার অবসান
নৌপরিবহন উপদেষ্টা জানান, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বন্দরসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশে কোনো সমন্বিত বন্দর ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়নি। প্রত্যেকটি বন্দর পৃথকভাবে তাদের কার্যক্রম ও উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করত। আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. এম সাখাওয়াত হোসেনের উদ্যোগে এই কৌশলপত্র প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বৈপ্লবিক পরিবর্তন এবং সিঙ্গেল উইন্ডো
ড. সাখাওয়াত হোসেন উল্লেখ করেন, এই কৌশলপত্রের মাধ্যমে একটি সমন্বিত, শক্তিশালী ও যুগোপযোগী বন্দর কাঠামো গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
মেরিটাইম সিঙ্গেল উইন্ডো: উপদেষ্টা ঘোষণা করেন, "বন্দরকেন্দ্রিক সব সেবাকে একটি প্লাটফর্মে আনতে মেরিটাইম সিঙ্গেল উইন্ডো চালু করা হবে। যেখানে ব্যবসায়ীরা স্বল্পতম সময়ের মধ্যে হয়রানিমুক্ত সেবা পাবে।"
সমান্তরাল সংযোগ: জাতীয় এই কৌশলপত্রে দেশের সমুদ্রবন্দর ও অভ্যন্তরীণ নদী-বন্দরগুলোর কার্যক্রমের সাথে স্থলবন্দরগুলোর কার্যক্রমকে সমান্তরালে সংযুক্ত রেখে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই জাতীয় কৌশলপত্র প্রণয়নের মাধ্যমে দেশের মেরিটাইম সেক্টরে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে।
মতবিনিময় সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী, এনডিসি, জাপান সরকার ও জাইকা-কে সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং কৌশলপত্রটিকে ভবিষ্যৎ মেরিটাইম সেক্টরের এক অনবদ্য দলিল হিসেবে উল্লেখ করেন। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান সভায় ফোকাল পারসন হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ নভেম্বর, ২০২৫, 5:36 PM
দেশের স্থল, নৌ ও সমুদ্রবন্দরসমূহের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এই বছরের মধ্যেই 'ন্যাশনাল পোর্ট স্ট্র্যাটেজি' (জাতীয় বন্দর কৌশলপত্র) চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে। নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই সভাটি জাপান সরকার ও জাইকা’র সহযোগিতায় প্রণীতব্য বাংলাদেশ ন্যাশনাল পোর্ট স্ট্র্যাটেজি ২০২৫ চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে অনুষ্ঠিত হয়।
ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "ন্যাশনাল পোর্ট স্ট্র্যাটেজির খসড়া প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আশা করছি এই বছরের মধ্যেই এই স্ট্র্যাটেজি চূড়ান্তকরণের কাজ শেষ হবে এবং আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হবে।"
৫৪ বছরের অপেক্ষার অবসান
নৌপরিবহন উপদেষ্টা জানান, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বন্দরসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশে কোনো সমন্বিত বন্দর ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়নি। প্রত্যেকটি বন্দর পৃথকভাবে তাদের কার্যক্রম ও উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করত। আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. এম সাখাওয়াত হোসেনের উদ্যোগে এই কৌশলপত্র প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বৈপ্লবিক পরিবর্তন এবং সিঙ্গেল উইন্ডো
ড. সাখাওয়াত হোসেন উল্লেখ করেন, এই কৌশলপত্রের মাধ্যমে একটি সমন্বিত, শক্তিশালী ও যুগোপযোগী বন্দর কাঠামো গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
মেরিটাইম সিঙ্গেল উইন্ডো: উপদেষ্টা ঘোষণা করেন, "বন্দরকেন্দ্রিক সব সেবাকে একটি প্লাটফর্মে আনতে মেরিটাইম সিঙ্গেল উইন্ডো চালু করা হবে। যেখানে ব্যবসায়ীরা স্বল্পতম সময়ের মধ্যে হয়রানিমুক্ত সেবা পাবে।"
সমান্তরাল সংযোগ: জাতীয় এই কৌশলপত্রে দেশের সমুদ্রবন্দর ও অভ্যন্তরীণ নদী-বন্দরগুলোর কার্যক্রমের সাথে স্থলবন্দরগুলোর কার্যক্রমকে সমান্তরালে সংযুক্ত রেখে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই জাতীয় কৌশলপত্র প্রণয়নের মাধ্যমে দেশের মেরিটাইম সেক্টরে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে।
মতবিনিময় সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী, এনডিসি, জাপান সরকার ও জাইকা-কে সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং কৌশলপত্রটিকে ভবিষ্যৎ মেরিটাইম সেক্টরের এক অনবদ্য দলিল হিসেবে উল্লেখ করেন। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান সভায় ফোকাল পারসন হিসেবে বক্তব্য রাখেন।