নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ নভেম্বর, ২০২৫, 4:55 PM
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় মো. বাপ্পি (১৫) নামের এক কিশোরকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১২ নভেম্বর) রাতে বাইতুল রহমত নুরানি মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ রাতেই তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আসাদুজ্জামান জুয়েল। তিনি জানান, বুধবার রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নির্যাতনের জখম রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নিহত ঐ কিশোরকে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’
মো. আসাদুজ্জামান জুয়েল আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত নামা ৬/৭ জনসহ ১২/১৩ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ফৌজিয়া রওশন আক্তার প্রীতি নামে এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
নিহতের বড় ভাই মো. পারভেজ বলেন, ‘মো. বাপ্পি মা পারুল বেগমের সঙ্গে একটি কারখানায় শ্রমিক হিসাবে কাজ করতো। শেখপাড়া এলাকায় এক নারীর বাসা থেকে চুরি করেছে অভিযোগ দিয়ে মঙ্গলবার স্থানীয় মাদক বিক্রেতা কাপশি রাসেল, মোল্লা শুভ ও সাকিব তাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর পারুল বেগমের বাসায় তাকে আটকে রাখে। সেখানে ওই নারী এবং তার স্বজনরা বাপ্পির ওপর নির্যাতন চালায়, যা চলে বুধবার পর্যন্ত। বুধবার সন্ধ্যার পর বাপ্পিকে পাশের বড় বাড়ির গলিতে তারা ফেলে যায়। আমরা সেখানে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় পাই। পরে পুলিশ রাত ৩টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।’
বাপ্পি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে। সে ধোলাইপাড় যুক্তিবাদী গলির শ্যামপুর এলাকায় থেকে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ নভেম্বর, ২০২৫, 4:55 PM
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় মো. বাপ্পি (১৫) নামের এক কিশোরকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১২ নভেম্বর) রাতে বাইতুল রহমত নুরানি মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ রাতেই তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আসাদুজ্জামান জুয়েল। তিনি জানান, বুধবার রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নির্যাতনের জখম রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নিহত ঐ কিশোরকে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’
মো. আসাদুজ্জামান জুয়েল আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত নামা ৬/৭ জনসহ ১২/১৩ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ফৌজিয়া রওশন আক্তার প্রীতি নামে এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
নিহতের বড় ভাই মো. পারভেজ বলেন, ‘মো. বাপ্পি মা পারুল বেগমের সঙ্গে একটি কারখানায় শ্রমিক হিসাবে কাজ করতো। শেখপাড়া এলাকায় এক নারীর বাসা থেকে চুরি করেছে অভিযোগ দিয়ে মঙ্গলবার স্থানীয় মাদক বিক্রেতা কাপশি রাসেল, মোল্লা শুভ ও সাকিব তাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর পারুল বেগমের বাসায় তাকে আটকে রাখে। সেখানে ওই নারী এবং তার স্বজনরা বাপ্পির ওপর নির্যাতন চালায়, যা চলে বুধবার পর্যন্ত। বুধবার সন্ধ্যার পর বাপ্পিকে পাশের বড় বাড়ির গলিতে তারা ফেলে যায়। আমরা সেখানে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় পাই। পরে পুলিশ রাত ৩টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।’
বাপ্পি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে। সে ধোলাইপাড় যুক্তিবাদী গলির শ্যামপুর এলাকায় থেকে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো।