রাবি প্রতিনিধি
১৪ নভেম্বর, ২০২৫, 6:23 PM
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মাসুম বিল্লাহ বাপ্পী মিয়ার বসতঘর দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে ইউনিয়নের নিজগালুয়া গ্রামে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী বাপ্পী মিয়া ওই এলাকার মৃত আব্দুল ছালাম মিয়ার ছেলে। গত দুই মাস ধরে মায়ের চিকিৎসার জন্য তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় অবস্থান করায় ঘরটি তালাবদ্ধ ছিল।
পাশের ঘরের বাসিন্দা সাইফুল মিয়া জানান, “হঠাৎ করে আগুনের আলো দেখে বিষয়টি বুঝতে পারি। সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসীদের খবর দিই।” তবে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা পৌঁছানোর আগেই টিনের তৈরি পুরো ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে ঘরে থাকা সমস্ত মালামালও সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ সভাপতি বাপ্পী মিয়া বলেন, “জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের পাঁচ তারিখে একদল লোক আমার ঘরে আগুন দিতে চেয়েছিল। স্থানীয়রা বাধা দিয়েছিলেন। এখন আমরা কেউ বাড়িতে না থাকায় কে বা কারা আগুন দিলো—নিশ্চিত বলতে পারছি না। তবে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ আগে থেকেই বিচ্ছিন্ন ছিল।”তিনি দাবি করেন, বসতঘর পুড়ে তাঁর প্রায় ১৬ থেকে ১৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। থানার ওসি বলেন, “ফায়ার সার্ভিসকে সঙ্গে নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগও পাওয়া যায়নি।”
রাজাপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন লিডার জানান, “আগুন কেউ লাগিয়েছে নাকি লেগেছে এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
রাবি প্রতিনিধি
১৪ নভেম্বর, ২০২৫, 6:23 PM
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মাসুম বিল্লাহ বাপ্পী মিয়ার বসতঘর দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে ইউনিয়নের নিজগালুয়া গ্রামে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী বাপ্পী মিয়া ওই এলাকার মৃত আব্দুল ছালাম মিয়ার ছেলে। গত দুই মাস ধরে মায়ের চিকিৎসার জন্য তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় অবস্থান করায় ঘরটি তালাবদ্ধ ছিল।
পাশের ঘরের বাসিন্দা সাইফুল মিয়া জানান, “হঠাৎ করে আগুনের আলো দেখে বিষয়টি বুঝতে পারি। সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসীদের খবর দিই।” তবে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা পৌঁছানোর আগেই টিনের তৈরি পুরো ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে ঘরে থাকা সমস্ত মালামালও সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ সভাপতি বাপ্পী মিয়া বলেন, “জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের পাঁচ তারিখে একদল লোক আমার ঘরে আগুন দিতে চেয়েছিল। স্থানীয়রা বাধা দিয়েছিলেন। এখন আমরা কেউ বাড়িতে না থাকায় কে বা কারা আগুন দিলো—নিশ্চিত বলতে পারছি না। তবে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ আগে থেকেই বিচ্ছিন্ন ছিল।”তিনি দাবি করেন, বসতঘর পুড়ে তাঁর প্রায় ১৬ থেকে ১৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। থানার ওসি বলেন, “ফায়ার সার্ভিসকে সঙ্গে নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগও পাওয়া যায়নি।”
রাজাপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন লিডার জানান, “আগুন কেউ লাগিয়েছে নাকি লেগেছে এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।