CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

মিরপুর টেস্টে ২১৭ রানের জয় বাংলাদেশের

#
news image

দ্বিতীয় টেস্টে সংক্ষিপ্ত স্কোর: আয়ারল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৩.৩ ওভারে ২৯১/১০, লক্ষ্য ৫০৯ (  ক্যাম্ফার ৭১*; বালবার্নি ১৩, স্টার্লিং ৯, কারমাইকেল ১৯, টেক্টর ৫০, টাকার ৭, ডোহেনি ১৫, ম্যাকব্রাইন ২১, জর্ডান ৩০, হোয়ে ৩৭, হামফ্রিজ ০)

ফল: বাংলাদেশ ২১৭ রানে জয়ী


ম্যাচসেরা: মুশফিকুর রহিম (১০৬ ও ৫৩*), সিরিজ সেরা ১৩ উইকেট নেওয়া তাইজুল ইসলাম। 


বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৯ ওভারে ২৯৭/৪ ডি. , লিড ৫০৮ (মুশফিকুর ৫৩*; জয় ৬০, সাদমান ৭৮, শান্ত ১, মুমিনুল ৮৭)

আয়ারল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ৮৮.৩ ওভারে ২৬৫/১০ (টাকার ৭৫*; স্টার্লিং ২৭, বালবার্নি ২১, কারমাইকেল ১৭, ক্যাম্ফার ০, টেক্টর ১৪, ডোহেনি ৪৬, ম্যাকব্রাইন ০, জার্ডান ৪৯, হোয়ে ৪, হামফ্রিজ ৪)


বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১৪১.১ ওভারে ৪৭৬/১০ (এবাদত ১৮*; সাদমান ৩৫, জয় ৩৪, শান্ত ৮, মুমিনুল ৬৩, মুশফিক ১০৬, মিরাজ ৪৭, লিটন ১২৮, তাইজুল ৪, মুরাদ ১১, খালেদ ৮) 

মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টকে জয়ে রাঙিয়েছে বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডকে শেষ দিনে হারিয়েছে ২১৭ রানে। তাতে দুই টেস্টের সিরিজে আইরিশদের হোয়াইটওয়াশ করেছে স্বাগতিকরা।  

৫০৯ রানের অসম্ভব লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়ে গতকালকেই জয়ের কাছে ছিল স্বাগতিক দল। ১৬৩ রানে তুলে নেয় ষষ্ঠ উইকেট। শেষ দিনে আয়ারল্যান্ড ৬ উইকেটে ১৭৬ রান নিয়ে খেলতে নামে। কিন্তু প্রান্ত আগলে লোয়ার অর্ডারে একের পর এক জুটিতে বাংলাদেশকে হতাশ করে চলছিলেন কার্টিস ক্যাম্ফার। যতটা সহজে জয়ের কথা ভাবা হচ্ছিল, এই ক্যাম্ফারই তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ান। 

শেষ দিনে সকালের সেশনে প্রায় ৪৫ মিনিটের মতো ম্যাকব্রাইনকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন তিনি। ১০৫ বল স্থায়ী সেই জুটিতে যোগ হয় ২৬ রান। তাইজুল শেষ পর্যন্ত ম্যাকব্রাইনকে ফিরিয়ে জুটি ভেঙেছেন। তার পর আবার অষ্টম উইকেটে জর্ডান নিলকে নিয়েও ৪৮ রান যোগ করেন ক্যাম্ফার। তুলে নেন প্রথম ফিফটি। নিলকে ৩০ রানে বোল্ড করে এই জুটিও ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু ক্যাম্ফার প্রান্ত আগলে দৃঢ়তা দেখাতে থাকেন। নবম উইকেটে গ্যাভিন হোয়েকে নিয়ে আবার প্রতিরোধ গড়েন তিনি। তাদের প্রতিরোধ ভাঙতে লাঞ্চের সময় ২০ মিনিটের মতো বাড়ানো হলেও সফল হয়নি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় সেশনে ১১৪তম ওভারে হাসান মুরাদের বলে ৩৭ রানে কাটা পড়েন গ্যাভিন হোয়ে। তাতে ভাঙে ১৯১ বল স্থায়ী ৫৪ রানের জুটি। এই জুটি ভাঙতেই পরের বলে হামফ্রিজকেও মুরাদ তুলে নিলে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯১ রানে অলআউট হয় আয়ারল্যান্ড। ক্যাম্ফার অবশ্য অপরাজিত থাকেন ৭১ রানে।খেলেছেন ২৫৯ বল।    

দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪ রানে ৪টি উইকেট নেন মুরাদ। ১০৪ রানে সমসংখ্যক উইকেট নেন তাইজুল ইসলামও। একটি করে নিয়েছেন খালেদ আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। 

লাঞ্চের আগে সময় বাড়িয়েও আইরিশদের অলআউট করতে পারেনি বাংলাদেশ

জয়ের কাছে থাকলেও যতটা দ্রুত সেটা আশা করা হচ্ছিলো সেটা হতে দিচ্ছে না আয়ারল্যান্ড। মূলত কার্টিস ক্যাম্ফারই প্রান্ত আগলে হতাশ করছেন। সকালের সেশনে প্রায় ৪৫ মিনিটের মতো ম্যাকব্রাইনকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন তিনি। ১০৫ বল স্থায়ী সেই জুটিতে যোগ হয় ২৬ রান। তাইজুল শেষ পর্যন্ত ম্যাকব্রাইনকে ফিরিয়ে জুটি ভেঙেছেন। তার পর আবার অষ্টম উইকেটে জর্ডান নিলকে নিয়েও ৪৮ রান যোগ করেন ক্যাম্ফার। তুলে নেন প্রথম ফিফটি। নিলকে ৩০ রানে বোল্ড করে এই জুটিও ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু ক্যাম্ফার প্রান্ত আগলে দৃঢ়তা দেখাচ্ছেন। নবম উইকেটে গ্যাভিন হোয়েকে নিয়ে আবার প্রতিরোধ গড়েছেন। তাদের প্রতিরোধ ভাঙতে লাঞ্চের সময় ২০ মিনিটের মতো বাড়ানো হলেও তাতে সফল হয়নি বাংলাদেশ। বরং ৮ উইকেটে ২৬৩ রান নিয়ে এই লড়াই এখন দ্বিতীয় সেশনে নিয়ে গেছে আইরিশ দল। হোয়ে ১৮ রানে ব্যাট করছেন, ক্যাম্ফার অপরাজিত ৬৩ রানে।   

আয়ারল্যান্ডের সপ্তম উইকেট তুলে টেস্টে তাইজুলের ২৫০

বাংলাদেশ দ্রুত জয়ের লক্ষ্যে শেষ দিনে নামলেও সকালের সেশনে প্রায় ৪৫ মিনিটের মতো প্রতিরোধ গড়ে তাদের হতাশ করছিল আয়ারল্যান্ডের সপ্তম উইকেট জুটি। অবশেষে ১০৫ বল স্থায়ী সেই জুটি ভেঙেছেন তাইজুল ইসলাম। লেগ বিফোরে ম্যাকব্রাইনকে সাজঘরে পাঠিয়ে তুলে নিয়েছেন টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে তার আড়াইশ উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে কারও ২৫০ উইকেটের মাইলফলক এবারই প্রথম।  

বড় জয়ের লক্ষ্যে শেষ দিনে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ

মিরপুরে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টেও বড় জয়ের সামনে বাংলাদেশ। ৫০৯ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়ে চতুর্থ দিনেই আয়ারল্যান্ডের ৬ উইকেট তুলে নিয়েছে তারা। শেষ দিনে বাকি চার উইকেট দ্রুত নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে স্বাগতিক দল মাঠে নেমেছে। 

দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারীরা ৬ উইকেটে ১৭৬ রান নিয়ে আজ খেলতে নেমেছে। ক্রিজে আছেন কার্টিস ক্যাম্ফার ৩৪* ও অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ১১*। এই উইকেটে স্বাগতিক স্পিনাররা যেভাবে দাপট দেখাচ্ছেন, তাতে বাংলাদেশের জয় সময়ের ব্যাপার মাত্র।     

স্পোর্টস ডেস্ক

২৩ নভেম্বর, ২০২৫,  4:19 PM

news image

দ্বিতীয় টেস্টে সংক্ষিপ্ত স্কোর: আয়ারল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৩.৩ ওভারে ২৯১/১০, লক্ষ্য ৫০৯ (  ক্যাম্ফার ৭১*; বালবার্নি ১৩, স্টার্লিং ৯, কারমাইকেল ১৯, টেক্টর ৫০, টাকার ৭, ডোহেনি ১৫, ম্যাকব্রাইন ২১, জর্ডান ৩০, হোয়ে ৩৭, হামফ্রিজ ০)

ফল: বাংলাদেশ ২১৭ রানে জয়ী


ম্যাচসেরা: মুশফিকুর রহিম (১০৬ ও ৫৩*), সিরিজ সেরা ১৩ উইকেট নেওয়া তাইজুল ইসলাম। 


বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৯ ওভারে ২৯৭/৪ ডি. , লিড ৫০৮ (মুশফিকুর ৫৩*; জয় ৬০, সাদমান ৭৮, শান্ত ১, মুমিনুল ৮৭)

আয়ারল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ৮৮.৩ ওভারে ২৬৫/১০ (টাকার ৭৫*; স্টার্লিং ২৭, বালবার্নি ২১, কারমাইকেল ১৭, ক্যাম্ফার ০, টেক্টর ১৪, ডোহেনি ৪৬, ম্যাকব্রাইন ০, জার্ডান ৪৯, হোয়ে ৪, হামফ্রিজ ৪)


বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১৪১.১ ওভারে ৪৭৬/১০ (এবাদত ১৮*; সাদমান ৩৫, জয় ৩৪, শান্ত ৮, মুমিনুল ৬৩, মুশফিক ১০৬, মিরাজ ৪৭, লিটন ১২৮, তাইজুল ৪, মুরাদ ১১, খালেদ ৮) 

মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টকে জয়ে রাঙিয়েছে বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডকে শেষ দিনে হারিয়েছে ২১৭ রানে। তাতে দুই টেস্টের সিরিজে আইরিশদের হোয়াইটওয়াশ করেছে স্বাগতিকরা।  

৫০৯ রানের অসম্ভব লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়ে গতকালকেই জয়ের কাছে ছিল স্বাগতিক দল। ১৬৩ রানে তুলে নেয় ষষ্ঠ উইকেট। শেষ দিনে আয়ারল্যান্ড ৬ উইকেটে ১৭৬ রান নিয়ে খেলতে নামে। কিন্তু প্রান্ত আগলে লোয়ার অর্ডারে একের পর এক জুটিতে বাংলাদেশকে হতাশ করে চলছিলেন কার্টিস ক্যাম্ফার। যতটা সহজে জয়ের কথা ভাবা হচ্ছিল, এই ক্যাম্ফারই তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ান। 

শেষ দিনে সকালের সেশনে প্রায় ৪৫ মিনিটের মতো ম্যাকব্রাইনকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন তিনি। ১০৫ বল স্থায়ী সেই জুটিতে যোগ হয় ২৬ রান। তাইজুল শেষ পর্যন্ত ম্যাকব্রাইনকে ফিরিয়ে জুটি ভেঙেছেন। তার পর আবার অষ্টম উইকেটে জর্ডান নিলকে নিয়েও ৪৮ রান যোগ করেন ক্যাম্ফার। তুলে নেন প্রথম ফিফটি। নিলকে ৩০ রানে বোল্ড করে এই জুটিও ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু ক্যাম্ফার প্রান্ত আগলে দৃঢ়তা দেখাতে থাকেন। নবম উইকেটে গ্যাভিন হোয়েকে নিয়ে আবার প্রতিরোধ গড়েন তিনি। তাদের প্রতিরোধ ভাঙতে লাঞ্চের সময় ২০ মিনিটের মতো বাড়ানো হলেও সফল হয়নি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় সেশনে ১১৪তম ওভারে হাসান মুরাদের বলে ৩৭ রানে কাটা পড়েন গ্যাভিন হোয়ে। তাতে ভাঙে ১৯১ বল স্থায়ী ৫৪ রানের জুটি। এই জুটি ভাঙতেই পরের বলে হামফ্রিজকেও মুরাদ তুলে নিলে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯১ রানে অলআউট হয় আয়ারল্যান্ড। ক্যাম্ফার অবশ্য অপরাজিত থাকেন ৭১ রানে।খেলেছেন ২৫৯ বল।    

দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪ রানে ৪টি উইকেট নেন মুরাদ। ১০৪ রানে সমসংখ্যক উইকেট নেন তাইজুল ইসলামও। একটি করে নিয়েছেন খালেদ আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। 

লাঞ্চের আগে সময় বাড়িয়েও আইরিশদের অলআউট করতে পারেনি বাংলাদেশ

জয়ের কাছে থাকলেও যতটা দ্রুত সেটা আশা করা হচ্ছিলো সেটা হতে দিচ্ছে না আয়ারল্যান্ড। মূলত কার্টিস ক্যাম্ফারই প্রান্ত আগলে হতাশ করছেন। সকালের সেশনে প্রায় ৪৫ মিনিটের মতো ম্যাকব্রাইনকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন তিনি। ১০৫ বল স্থায়ী সেই জুটিতে যোগ হয় ২৬ রান। তাইজুল শেষ পর্যন্ত ম্যাকব্রাইনকে ফিরিয়ে জুটি ভেঙেছেন। তার পর আবার অষ্টম উইকেটে জর্ডান নিলকে নিয়েও ৪৮ রান যোগ করেন ক্যাম্ফার। তুলে নেন প্রথম ফিফটি। নিলকে ৩০ রানে বোল্ড করে এই জুটিও ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু ক্যাম্ফার প্রান্ত আগলে দৃঢ়তা দেখাচ্ছেন। নবম উইকেটে গ্যাভিন হোয়েকে নিয়ে আবার প্রতিরোধ গড়েছেন। তাদের প্রতিরোধ ভাঙতে লাঞ্চের সময় ২০ মিনিটের মতো বাড়ানো হলেও তাতে সফল হয়নি বাংলাদেশ। বরং ৮ উইকেটে ২৬৩ রান নিয়ে এই লড়াই এখন দ্বিতীয় সেশনে নিয়ে গেছে আইরিশ দল। হোয়ে ১৮ রানে ব্যাট করছেন, ক্যাম্ফার অপরাজিত ৬৩ রানে।   

আয়ারল্যান্ডের সপ্তম উইকেট তুলে টেস্টে তাইজুলের ২৫০

বাংলাদেশ দ্রুত জয়ের লক্ষ্যে শেষ দিনে নামলেও সকালের সেশনে প্রায় ৪৫ মিনিটের মতো প্রতিরোধ গড়ে তাদের হতাশ করছিল আয়ারল্যান্ডের সপ্তম উইকেট জুটি। অবশেষে ১০৫ বল স্থায়ী সেই জুটি ভেঙেছেন তাইজুল ইসলাম। লেগ বিফোরে ম্যাকব্রাইনকে সাজঘরে পাঠিয়ে তুলে নিয়েছেন টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে তার আড়াইশ উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে কারও ২৫০ উইকেটের মাইলফলক এবারই প্রথম।  

বড় জয়ের লক্ষ্যে শেষ দিনে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ

মিরপুরে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টেও বড় জয়ের সামনে বাংলাদেশ। ৫০৯ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়ে চতুর্থ দিনেই আয়ারল্যান্ডের ৬ উইকেট তুলে নিয়েছে তারা। শেষ দিনে বাকি চার উইকেট দ্রুত নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে স্বাগতিক দল মাঠে নেমেছে। 

দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারীরা ৬ উইকেটে ১৭৬ রান নিয়ে আজ খেলতে নেমেছে। ক্রিজে আছেন কার্টিস ক্যাম্ফার ৩৪* ও অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ১১*। এই উইকেটে স্বাগতিক স্পিনাররা যেভাবে দাপট দেখাচ্ছেন, তাতে বাংলাদেশের জয় সময়ের ব্যাপার মাত্র।