মোস্তাফিজার বাবলু, রংপুর অফিস:
২৫ নভেম্বর, ২০২৫, 3:39 PM
শিক্ষকরা ইচ্ছে মতো কর্মস্থলে আসা- যাওয়া করে এমন অভিযোগ উঠেছে ইটাকুমারী পূর্ব পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সকালে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের ইটাকুমারী পূর্ব পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গেলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শিক্ষক,শিক্ষার্থী সহ স্থানীয়রা।
(এ প্রতিবেদকের ধারণকৃত ভিডিও তে) সকাল ৯টা ১৮ মিনিটে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো: মানিক রতন সহকারী শিক্ষক আবেদ আলীর বাড়ি থেকে চাবি এনে তালা খোলেন এবং ভিতরে প্রবেশ করে। এসময় ওই শিক্ষার্থীর নিকট জানতে চাইলে সে বলেন যে নিয়মিত এভাবেই স্কুলের তালা খোলেন সে।
এরপর, সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে সহকারী শিক্ষক আবেদ আলী। বিদ্যালয়ে দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাস্তা খারাপ থাকায় বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে বিলম্ব হয়েছে। তবে, স্থানীয়রা জানান, পাকা রাস্তার কয়েক শ' গজ সামনেই আবেদ আলী মাষ্টারের বাড়ি।
১০টা ৩ মিনিটে শিক্ষক দম্পতি তাজনু- সওদা বেগম মোটরসাইকেল যোগে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে এবং শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে জাতীয় পতাকার রশি নিয়ে তিনি নিজেই উত্তোলন করেন। বিদ্যালয়ে দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে ওই শিক্ষক দম্পতি জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণে আসতে বিলম্ব হয়েছে।
তবে, স্থানীয় মো: সোনা মিয়া(৪২), মো: রাব্বি আহমেদ (১৯) সহ এক মুদি দোকানি জানান, ১৯৯১ সাল থেকেই এখানকার শিক্ষকরা ১০টার পরে বিদ্যালয়ে আসে এবং সাড়ে ৩টায় ছুটি দেয়।
এসময় তারা আরও জানান, আওয়ামী লীগ নেতা কাশেম মাষ্টার ৫ আগস্টের আগেও ক্ষমতার দাপটে দেরিতে আসতো বিদ্যালয়ে এখনও আগের মতোই দেরিতে বিদ্যালয়ে আসেন তিনি।
এবিষয়ে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে আওয়ামীলীগ নেতা ও ইটাকুমারী পূর্ব পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবুল কাশেম জানান, প্রতিবেশী এক ব্যাক্তি মারা যাওয়ায় সেখানেই ছিলেন তিনি। এজন্য বিদ্যালয়ে যাওয়া হয়নি তার। তবে, সরকারি চাকরি করে কেউই রাজনীতি করতে পারেন না। শত্রুতা মূলক তাকে আওয়ামী লীগের ট্যাগ দেওয়া হয়েছে।
সাতদরগা ক্লাস্টারের নিয়োজিত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো: মোজাম্মেল হক জানান, তদন্ত সাপেক্ষে রিপোর্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্যার কে প্রদান করা হবে। তারপর স্যার বিষয় টি দেখবেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পীরগাছা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: আবুল হোসেন জানান, নিয়োজিত এটিও কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট পেলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোস্তাফিজার বাবলু, রংপুর অফিস:
২৫ নভেম্বর, ২০২৫, 3:39 PM
শিক্ষকরা ইচ্ছে মতো কর্মস্থলে আসা- যাওয়া করে এমন অভিযোগ উঠেছে ইটাকুমারী পূর্ব পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সকালে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের ইটাকুমারী পূর্ব পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গেলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শিক্ষক,শিক্ষার্থী সহ স্থানীয়রা।
(এ প্রতিবেদকের ধারণকৃত ভিডিও তে) সকাল ৯টা ১৮ মিনিটে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো: মানিক রতন সহকারী শিক্ষক আবেদ আলীর বাড়ি থেকে চাবি এনে তালা খোলেন এবং ভিতরে প্রবেশ করে। এসময় ওই শিক্ষার্থীর নিকট জানতে চাইলে সে বলেন যে নিয়মিত এভাবেই স্কুলের তালা খোলেন সে।
এরপর, সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে সহকারী শিক্ষক আবেদ আলী। বিদ্যালয়ে দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাস্তা খারাপ থাকায় বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে বিলম্ব হয়েছে। তবে, স্থানীয়রা জানান, পাকা রাস্তার কয়েক শ' গজ সামনেই আবেদ আলী মাষ্টারের বাড়ি।
১০টা ৩ মিনিটে শিক্ষক দম্পতি তাজনু- সওদা বেগম মোটরসাইকেল যোগে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে এবং শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে জাতীয় পতাকার রশি নিয়ে তিনি নিজেই উত্তোলন করেন। বিদ্যালয়ে দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে ওই শিক্ষক দম্পতি জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণে আসতে বিলম্ব হয়েছে।
তবে, স্থানীয় মো: সোনা মিয়া(৪২), মো: রাব্বি আহমেদ (১৯) সহ এক মুদি দোকানি জানান, ১৯৯১ সাল থেকেই এখানকার শিক্ষকরা ১০টার পরে বিদ্যালয়ে আসে এবং সাড়ে ৩টায় ছুটি দেয়।
এসময় তারা আরও জানান, আওয়ামী লীগ নেতা কাশেম মাষ্টার ৫ আগস্টের আগেও ক্ষমতার দাপটে দেরিতে আসতো বিদ্যালয়ে এখনও আগের মতোই দেরিতে বিদ্যালয়ে আসেন তিনি।
এবিষয়ে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে আওয়ামীলীগ নেতা ও ইটাকুমারী পূর্ব পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবুল কাশেম জানান, প্রতিবেশী এক ব্যাক্তি মারা যাওয়ায় সেখানেই ছিলেন তিনি। এজন্য বিদ্যালয়ে যাওয়া হয়নি তার। তবে, সরকারি চাকরি করে কেউই রাজনীতি করতে পারেন না। শত্রুতা মূলক তাকে আওয়ামী লীগের ট্যাগ দেওয়া হয়েছে।
সাতদরগা ক্লাস্টারের নিয়োজিত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো: মোজাম্মেল হক জানান, তদন্ত সাপেক্ষে রিপোর্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্যার কে প্রদান করা হবে। তারপর স্যার বিষয় টি দেখবেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পীরগাছা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: আবুল হোসেন জানান, নিয়োজিত এটিও কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট পেলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।