CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

মুণ্ডা সম্প্রদায়ের জলবায়ু ঝুঁকি কমাতে সমন্বিত সহায়তার অঙ্গীকার পরিবেশ উপদেষ্টার

#
news image

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, মুণ্ডা সম্প্রদায়ের জীবনে বাস্তব উপকার বয়ে আনতে পারে এমন যে কোনও নীতি সহায়তা বা পরিবেশগত হস্তক্ষেপ নিয়ে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, তাদের সমস্যাগুলো পুরোপুরি সমাধান না করতে পারলেও অন্তত সমাধানের যাত্রা শুরু করতে পারবো।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত “ন্যাশনাল শেয়ারিং মিটিং : ফ্রম ইমপ্যাক্ট টু অ্যাকশন–মেইনস্ট্রিমিং ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স ফর দা মুন্ডা কমিউনিটি” শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


পরিবেশ উপদেষ্টা জানান, মুণ্ডা সম্প্রদায় বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে অন্যতম। তাদের ঐতিহ্য, প্রকৃতিনির্ভর জীবনধারা ও সীমিত আর্থসামাজিক সক্ষমতা বর্তমান জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আরও নাজুক হয়ে পড়ছে। 


তিনি বলেন, “প্রকৃতির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও আপনাদের এখন সবচেয়ে বেশি ভুগতে হচ্ছে জলবায়ুর ভঙ্গুরতা, পানির অভাব, ভূমি সংকট ও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।”

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বহু ক্ষেত্রে মুণ্ডা সম্প্রদায়ের প্রথাগত অধিকার উপেক্ষিত হয় এবং বন ও প্রাকৃতিক সম্পদে তাদের অভিগম্যতায় বাধা সৃষ্টি হয়। আপনাদের প্রয়োজন, প্রথাগত জীবনধারা ও অধিকারকে সম্মান জানিয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে আমরা সদা প্রস্তুত।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. সাইদুর রহমান, অক্সফাম ইন কোরিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র ম্যানেজার জুনগুন লি এবং মুণ্ডা সম্প্রদায়ের সেলফ হেল্পের সভাপতি সুরধনী মুন্ডাসহ অনেকে। 

অনুষ্ঠানে বক্তারা মুণ্ডা সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়ন, অধিকার সুরক্ষা, প্রাকৃতিক সম্পদের ন্যায়সংগত ব্যবহারে অংশগ্রহণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ নভেম্বর, ২০২৫,  4:25 PM

news image

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, মুণ্ডা সম্প্রদায়ের জীবনে বাস্তব উপকার বয়ে আনতে পারে এমন যে কোনও নীতি সহায়তা বা পরিবেশগত হস্তক্ষেপ নিয়ে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, তাদের সমস্যাগুলো পুরোপুরি সমাধান না করতে পারলেও অন্তত সমাধানের যাত্রা শুরু করতে পারবো।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত “ন্যাশনাল শেয়ারিং মিটিং : ফ্রম ইমপ্যাক্ট টু অ্যাকশন–মেইনস্ট্রিমিং ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স ফর দা মুন্ডা কমিউনিটি” শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


পরিবেশ উপদেষ্টা জানান, মুণ্ডা সম্প্রদায় বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে অন্যতম। তাদের ঐতিহ্য, প্রকৃতিনির্ভর জীবনধারা ও সীমিত আর্থসামাজিক সক্ষমতা বর্তমান জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আরও নাজুক হয়ে পড়ছে। 


তিনি বলেন, “প্রকৃতির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও আপনাদের এখন সবচেয়ে বেশি ভুগতে হচ্ছে জলবায়ুর ভঙ্গুরতা, পানির অভাব, ভূমি সংকট ও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।”

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বহু ক্ষেত্রে মুণ্ডা সম্প্রদায়ের প্রথাগত অধিকার উপেক্ষিত হয় এবং বন ও প্রাকৃতিক সম্পদে তাদের অভিগম্যতায় বাধা সৃষ্টি হয়। আপনাদের প্রয়োজন, প্রথাগত জীবনধারা ও অধিকারকে সম্মান জানিয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে আমরা সদা প্রস্তুত।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. সাইদুর রহমান, অক্সফাম ইন কোরিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র ম্যানেজার জুনগুন লি এবং মুণ্ডা সম্প্রদায়ের সেলফ হেল্পের সভাপতি সুরধনী মুন্ডাসহ অনেকে। 

অনুষ্ঠানে বক্তারা মুণ্ডা সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়ন, অধিকার সুরক্ষা, প্রাকৃতিক সম্পদের ন্যায়সংগত ব্যবহারে অংশগ্রহণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।