CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

কারখানা বন্ধের নোটিশের পর পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ

#
news image

গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) শ্রমিকরা সকালে কারখানার গেটে এসে বন্ধের নোটিশ দেখে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা মিতালি ক্লাব থেকে কোনাবাড়ী নতুন বাজার সড়ক বন্ধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। হানিওয়েল নামে ওই পোশাককারখানাটি গাজীপুরের কোনাবাড়ীর বাঘিয়া এলাকায় অবস্থিত।

কারখানা বন্ধের নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সোমবার কারখানার শ্রমিকরা কিছু অযোক্তিক দাবি উত্থাপন করে অবৈধভাবে কারখানাতে সংঘবদ্ধ হয়ে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে চরম বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করেন। এ কারণে কারখানার অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। এ ছাড়াও কারখানার নির্ধারিত রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার কারণে কর্তৃপক্ষ বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। কারখানা কর্তৃপক্ষ বারবার শ্রমিকদের কাজে যোগদানের জন্য অনুরোধ করলেও তারা শোনেননি। শ্রমিকদের এ ধরনের আচরণ অবৈধ ধর্মঘটের শামিল এবং শ্রম আইন পরিপন্থি।


কারখানার শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাধ্য হয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ১৩(১) ধারা মোতাবেক মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হলো। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে খোলা হবে।


বিক্ষোভকারী শ্রমিকরা জানান, কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে, তা সম্পূর্ণ সাজানো ও ভিত্তিহীন। তারা কারখানার অভ্যন্তরে কোনও ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করেননি। তারা কারখানার পাশে খোলা মাঠে অবস্থান নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রমের বিষয়ে মিটিং করছেন।

গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ (কোনাবাড়ী জোন) পরিদর্শক মোর্শেদ জামান বলেন, ‘শ্রমিক ও মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি। বিশৃঙ্খলা এড়াতে কারখানার সামনে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’

গাজীপুর প্রতিনিধি

২৫ নভেম্বর, ২০২৫,  4:30 PM

news image

গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) শ্রমিকরা সকালে কারখানার গেটে এসে বন্ধের নোটিশ দেখে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা মিতালি ক্লাব থেকে কোনাবাড়ী নতুন বাজার সড়ক বন্ধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। হানিওয়েল নামে ওই পোশাককারখানাটি গাজীপুরের কোনাবাড়ীর বাঘিয়া এলাকায় অবস্থিত।

কারখানা বন্ধের নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সোমবার কারখানার শ্রমিকরা কিছু অযোক্তিক দাবি উত্থাপন করে অবৈধভাবে কারখানাতে সংঘবদ্ধ হয়ে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে চরম বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করেন। এ কারণে কারখানার অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। এ ছাড়াও কারখানার নির্ধারিত রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার কারণে কর্তৃপক্ষ বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। কারখানা কর্তৃপক্ষ বারবার শ্রমিকদের কাজে যোগদানের জন্য অনুরোধ করলেও তারা শোনেননি। শ্রমিকদের এ ধরনের আচরণ অবৈধ ধর্মঘটের শামিল এবং শ্রম আইন পরিপন্থি।


কারখানার শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাধ্য হয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ১৩(১) ধারা মোতাবেক মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হলো। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে খোলা হবে।


বিক্ষোভকারী শ্রমিকরা জানান, কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে, তা সম্পূর্ণ সাজানো ও ভিত্তিহীন। তারা কারখানার অভ্যন্তরে কোনও ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করেননি। তারা কারখানার পাশে খোলা মাঠে অবস্থান নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রমের বিষয়ে মিটিং করছেন।

গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ (কোনাবাড়ী জোন) পরিদর্শক মোর্শেদ জামান বলেন, ‘শ্রমিক ও মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি। বিশৃঙ্খলা এড়াতে কারখানার সামনে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’