CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
টাইটেল ঢাকা-৯ এর ‘ঘরের মেয়ে’ তাসনিম জারা, কিন্তু ভোটার ঢাকা-১১? ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অধিকারহরণের অপকৌশল রুখতে হবে কুৎসা রটিয়ে ও ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ 'জাহাজপোড়া ক্যাসেল' রিসোর্ট’র শুভ উদ্বোধন করলেন ডিআইজি ২২তম জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র তায়কোয়ানডো সিনিয়রে আনসার ও জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন নড়াইল জেলা সমিতি রাজশাহীর নতুন সভাপতি দীপু, সম্পাদক তাজ মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে: মির্জা আব্বাস ধর্ম ও বিকাশ দিয়ে ভোট কেনা আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়? প্রশ্ন রিজভীর ন্যায়, ইনসাফ ও জবাবদিহিতার বাংলাদেশ গড়তে চাই.....ডা. শফিকুর রহমান পরাজিত শক্তির সহযোগীরাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’র বিরোধী

রোদ মানেই কি ভিটামিন ডি?

#
news image

রোদে একটু ঘোরাফেরা করলেই তো পারো, ভিটামিন ডি-এর অভাব হবে না; বাড়ির বড়দের কাছে আমরা একথা প্রায়ই শুনে থাকি। আসলেই কি রোদে ভিটামিন ডি থাকে? কিংবা সারাদিনে যে কোনও সময়ে রোদে গেলেই কি মিলবে ভিটামিন ডি। এর উত্তর হলো- না, রোদ মানেই ভিটামিন ডি নয়— তবে রোদ ভিটামিন ডি তৈরির সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উৎস বটে।

তাহলে? কোন রোদে ভিটামিন ডি থাকে। আমাদের ত্বক সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট বি (ইউভিবি) রশ্মি পেলে স্বাভাবিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি করতে পারে। কিন্তু সব রোদে ইউভিবি থাকে না। সকাল খুব ভোরের রোদ বা বিকেলের দেরির রোদে ইউভিবি কম থাকে। মেঘলা দিনে, শীতকালে বা দূষণ বেশি হলে ইউভিবি আরও কমে যায়।

আবার রোদে থাকলেই ভিটামিন ডি হবে এমনও নয়। সাধারণভাবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে প্রতিদিন/সপ্তাহে কয়েকদিন ১০–২০ মিনিট রোদে থাকা ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে। এসময় মুখ, হাত এবং বাহুর অংশ খোলা থাকলে ভালো। আমাদের জীবন যাপন নানাভাবে ভিটামিন ডি থেকে আমাদের সরিয়ে রাখে। শরীর ঢেকে রাখা কাপড় পরলে, সানস্ক্রিন ব্যবহারে, ঘরের জানালার কাঁচের কারণে, গায়ের রং-এর বিভিন্নতার কারণে (গা শ্যামলা হলে বেশি সময় লাগে) ভিটামিন ডি উৎপাদন কমে যেতে থাকে।


শিশুদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ

গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন ডি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে এবং স্নায়ুতান্ত্রিক কার্যক্রমকে সমর্থন করে। ভিটামিন ডি দেহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সাহায্য করে। এগুলো হাড় শক্ত করা ও দাঁত গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে শিশুর হাড় নরম হতে পারে, ফলে রিকেটস নামের রোগ দেখা যায়। ভিটামিন ডি শিশুদের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। ফলে সংক্রমণ, সর্দি–কাশি বা শ্বাসতন্ত্রের অসুখের ঝুঁকি কমে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি না থাকলে শিশুর দুর্বলতা, হাঁটতে দেরি হওয়া বা মোটর ডেভেলপমেন্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

লাইফস্টাইল ডেস্ক

২৫ নভেম্বর, ২০২৫,  4:55 PM

news image

রোদে একটু ঘোরাফেরা করলেই তো পারো, ভিটামিন ডি-এর অভাব হবে না; বাড়ির বড়দের কাছে আমরা একথা প্রায়ই শুনে থাকি। আসলেই কি রোদে ভিটামিন ডি থাকে? কিংবা সারাদিনে যে কোনও সময়ে রোদে গেলেই কি মিলবে ভিটামিন ডি। এর উত্তর হলো- না, রোদ মানেই ভিটামিন ডি নয়— তবে রোদ ভিটামিন ডি তৈরির সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উৎস বটে।

তাহলে? কোন রোদে ভিটামিন ডি থাকে। আমাদের ত্বক সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট বি (ইউভিবি) রশ্মি পেলে স্বাভাবিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি করতে পারে। কিন্তু সব রোদে ইউভিবি থাকে না। সকাল খুব ভোরের রোদ বা বিকেলের দেরির রোদে ইউভিবি কম থাকে। মেঘলা দিনে, শীতকালে বা দূষণ বেশি হলে ইউভিবি আরও কমে যায়।

আবার রোদে থাকলেই ভিটামিন ডি হবে এমনও নয়। সাধারণভাবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে প্রতিদিন/সপ্তাহে কয়েকদিন ১০–২০ মিনিট রোদে থাকা ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে। এসময় মুখ, হাত এবং বাহুর অংশ খোলা থাকলে ভালো। আমাদের জীবন যাপন নানাভাবে ভিটামিন ডি থেকে আমাদের সরিয়ে রাখে। শরীর ঢেকে রাখা কাপড় পরলে, সানস্ক্রিন ব্যবহারে, ঘরের জানালার কাঁচের কারণে, গায়ের রং-এর বিভিন্নতার কারণে (গা শ্যামলা হলে বেশি সময় লাগে) ভিটামিন ডি উৎপাদন কমে যেতে থাকে।


শিশুদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ

গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন ডি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে এবং স্নায়ুতান্ত্রিক কার্যক্রমকে সমর্থন করে। ভিটামিন ডি দেহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সাহায্য করে। এগুলো হাড় শক্ত করা ও দাঁত গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে শিশুর হাড় নরম হতে পারে, ফলে রিকেটস নামের রোগ দেখা যায়। ভিটামিন ডি শিশুদের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। ফলে সংক্রমণ, সর্দি–কাশি বা শ্বাসতন্ত্রের অসুখের ঝুঁকি কমে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি না থাকলে শিশুর দুর্বলতা, হাঁটতে দেরি হওয়া বা মোটর ডেভেলপমেন্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে।