CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

মাধ্যমিক-প্রাথমিক শিক্ষার মানের আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিং জানার প্রক্রিয়া শুরু

#
news image

মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে কোথায়, তা জানার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপদেষ্টা এ কথা জানান। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদ, শিক্ষা পরিবারের সদস্য, গবেষক ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।


অধ্যাপক আবরার বলেন, বাংলাদেশের সেকেন্ডারি ও প্রাথমিক শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে কোথায় অবস্থান করছে, তা জানতে সরকার ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন কাঠামোর সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আমরা হয়তো নিচের দিকেই থাকব, তাতে সমস্যা নেই। অন্ততপক্ষে জানবো, আমরা কোথায় আছি, কী ঠিক করতে হবে?


শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, শিক্ষার মান নিয়ে যে উদ্বেগ দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান, তা কাটাতে বাস্তবসম্মত ও নির্মোহ মূল্যায়ন ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই।

পূর্ববর্তী সময়ে ফলাফল প্রকাশের ভুল সিদ্ধান্তগুলোর সমালোচনা করে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘পরীক্ষা না নিয়ে নম্বর দেওয়া ছিল অগ্রহণযোগ্য। এটি শিক্ষাব্যবস্থাকে পিছনে ফেলে দিয়েছিল। আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছি।’

উপদেষ্টা আরও জানান, মূল্যায়নে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীদের রিডিং ক্যাপাসিটি, গণিতে সক্ষমতা—উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য দুর্বলতা রয়েছে। এগুলোকে আরও বড় পরিসরে মূল্যায়ন করার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কোচিং, প্রাইভেট টিউশন ও গাইড বই প্রসঙ্গে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়ে কোচিং বা গাইড বই বন্ধ হবে না। কেন এগুলোর চাহিদা তৈরি হচ্ছে— তা আগে বুঝতে হবে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা কেন এগুলোর ওপর নির্ভরশীল, সেটাই মূল প্রশ্ন।

শিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘অভিভাবক, শিক্ষক সবাই মানের অবনতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। বহু উদ্যোগ নেওয়া হলেও গ্রাসরুট পর্যায়ের বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলোকে আরও গভীরভাবে বুঝতে হবে। শিক্ষার মান উন্নয়নে যেসব তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়েছে, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং ভবিষ্যত নীতিমালার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

প্রশাসনিক রাজনৈতিক প্রভাব দূর করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্কুল-কলেজের প্রশাসনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ শিক্ষাব্যবস্থায় বিপর্যয় এনেছে। এটি ঠিক করা এখন আমাদের সবচেয়ে জরুরি কাজগুলোর একটি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬ নভেম্বর, ২০২৫,  5:25 PM

news image

মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে কোথায়, তা জানার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপদেষ্টা এ কথা জানান। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদ, শিক্ষা পরিবারের সদস্য, গবেষক ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।


অধ্যাপক আবরার বলেন, বাংলাদেশের সেকেন্ডারি ও প্রাথমিক শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে কোথায় অবস্থান করছে, তা জানতে সরকার ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন কাঠামোর সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আমরা হয়তো নিচের দিকেই থাকব, তাতে সমস্যা নেই। অন্ততপক্ষে জানবো, আমরা কোথায় আছি, কী ঠিক করতে হবে?


শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, শিক্ষার মান নিয়ে যে উদ্বেগ দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান, তা কাটাতে বাস্তবসম্মত ও নির্মোহ মূল্যায়ন ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই।

পূর্ববর্তী সময়ে ফলাফল প্রকাশের ভুল সিদ্ধান্তগুলোর সমালোচনা করে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘পরীক্ষা না নিয়ে নম্বর দেওয়া ছিল অগ্রহণযোগ্য। এটি শিক্ষাব্যবস্থাকে পিছনে ফেলে দিয়েছিল। আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছি।’

উপদেষ্টা আরও জানান, মূল্যায়নে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীদের রিডিং ক্যাপাসিটি, গণিতে সক্ষমতা—উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য দুর্বলতা রয়েছে। এগুলোকে আরও বড় পরিসরে মূল্যায়ন করার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কোচিং, প্রাইভেট টিউশন ও গাইড বই প্রসঙ্গে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়ে কোচিং বা গাইড বই বন্ধ হবে না। কেন এগুলোর চাহিদা তৈরি হচ্ছে— তা আগে বুঝতে হবে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা কেন এগুলোর ওপর নির্ভরশীল, সেটাই মূল প্রশ্ন।

শিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘অভিভাবক, শিক্ষক সবাই মানের অবনতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। বহু উদ্যোগ নেওয়া হলেও গ্রাসরুট পর্যায়ের বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলোকে আরও গভীরভাবে বুঝতে হবে। শিক্ষার মান উন্নয়নে যেসব তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়েছে, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং ভবিষ্যত নীতিমালার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

প্রশাসনিক রাজনৈতিক প্রভাব দূর করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্কুল-কলেজের প্রশাসনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ শিক্ষাব্যবস্থায় বিপর্যয় এনেছে। এটি ঠিক করা এখন আমাদের সবচেয়ে জরুরি কাজগুলোর একটি।