নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ নভেম্বর, ২০২৫, 3:45 PM
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, পাঁচটি দুর্বল ব্যাংককে একীভূত করে গঠিত নতুন ব্যাংকের যাত্রা আগামী সপ্তাহেই শুরু হতে পারে। তিনি বলেন, “অচল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে কিছু করার দরকার ছিল। ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ প্রয়োগ করে পাঁচ ব্যাংককে নিয়ে আমরা একটি শক্তিশালী নতুন ব্যাংক গঠন করছি। আশা করি, আগামী সপ্তাহেই এর আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।” শনিবার (২৯ নভেম্বর ) ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে গভর্নর এ তথ্য জানান। ‘ব্যবসা, বিনিয়োগ ও সামষ্টিক অর্থনীতি’ শীর্ষক সম্মেলনের আয়োজনে সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন।
নতুন একীভূত ব্যাংকের সক্ষমতা তুলে ধরে গভর্নর বলেন, “৩৫ হাজার কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন নিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাংক তৈরি হচ্ছে। সরকারের সহযোগিতায় দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একত্রিত করে একটি সবল ব্যাংক গড়ে তোলা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতিতে নানামুখী সমস্যা থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। “বিনিময় হার এখন স্থিতিশীল। কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সারপ্লাসসহ বৈদেশিক লেনদেনেও ভালো অবস্থানে আছি,”—যোগ করেন গভর্নর।
আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে পণ্যের সরবরাহ নিয়ে কোনও উদ্বেগ নেই বলে মন্তব্য করেন গভর্নর। তিনি বলেন, “গত বছর কঠিন পরিস্থিতির মাঝেও রমজানে সর্বোচ্চ সরবরাহ বজায় রেখেছি। এ বছরও কোনো সংকট দেখছি না।”
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের আগে সরকারের দেখানো খেলাপি ঋণ হার নিয়ে প্রশ্ন তুলে গভর্নর বলেন, “সরকার ৮ শতাংশ খেলাপি ঋণ দেখিয়েছিল। আমি ভেবেছিলাম হয়তো বাস্তব হার ২৫ শতাংশ। এখন দেখি তা ৩৫ শতাংশ। ব্যাংকগুলোকে তাদের ঋণের দুই-তৃতীয়াংশ নিয়েই কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। ধাপে ধাপে এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।”
বর্তমান নীতি সুদহার নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে গভর্নর বলেন, “যখন মূল্যস্ফীতি ছিল সাড়ে ১২ শতাংশ, তখন নীতি সুদহার ১০ শতাংশ খুব বেশি নয়। ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের সঙ্গেও বড় পার্থক্য নেই।”
সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন বিআইডিএস মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক, হা-মীম গ্রুপ চেয়ারম্যান এ কে আজাদ, বিএসএমএ সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং এবিবি চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংক এমডি মাসরুর আরেফিন। তারা দেশের বিনিয়োগ জলবায়ু, অর্থনীতির নীতি-পরিবেশ ও ব্যাংক খাতের সংস্কার নিয়ে নিজেদের অভিমত তুলে ধরেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ নভেম্বর, ২০২৫, 3:45 PM
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, পাঁচটি দুর্বল ব্যাংককে একীভূত করে গঠিত নতুন ব্যাংকের যাত্রা আগামী সপ্তাহেই শুরু হতে পারে। তিনি বলেন, “অচল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে কিছু করার দরকার ছিল। ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ প্রয়োগ করে পাঁচ ব্যাংককে নিয়ে আমরা একটি শক্তিশালী নতুন ব্যাংক গঠন করছি। আশা করি, আগামী সপ্তাহেই এর আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।” শনিবার (২৯ নভেম্বর ) ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে গভর্নর এ তথ্য জানান। ‘ব্যবসা, বিনিয়োগ ও সামষ্টিক অর্থনীতি’ শীর্ষক সম্মেলনের আয়োজনে সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন।
নতুন একীভূত ব্যাংকের সক্ষমতা তুলে ধরে গভর্নর বলেন, “৩৫ হাজার কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন নিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাংক তৈরি হচ্ছে। সরকারের সহযোগিতায় দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একত্রিত করে একটি সবল ব্যাংক গড়ে তোলা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতিতে নানামুখী সমস্যা থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। “বিনিময় হার এখন স্থিতিশীল। কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সারপ্লাসসহ বৈদেশিক লেনদেনেও ভালো অবস্থানে আছি,”—যোগ করেন গভর্নর।
আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে পণ্যের সরবরাহ নিয়ে কোনও উদ্বেগ নেই বলে মন্তব্য করেন গভর্নর। তিনি বলেন, “গত বছর কঠিন পরিস্থিতির মাঝেও রমজানে সর্বোচ্চ সরবরাহ বজায় রেখেছি। এ বছরও কোনো সংকট দেখছি না।”
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের আগে সরকারের দেখানো খেলাপি ঋণ হার নিয়ে প্রশ্ন তুলে গভর্নর বলেন, “সরকার ৮ শতাংশ খেলাপি ঋণ দেখিয়েছিল। আমি ভেবেছিলাম হয়তো বাস্তব হার ২৫ শতাংশ। এখন দেখি তা ৩৫ শতাংশ। ব্যাংকগুলোকে তাদের ঋণের দুই-তৃতীয়াংশ নিয়েই কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। ধাপে ধাপে এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।”
বর্তমান নীতি সুদহার নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে গভর্নর বলেন, “যখন মূল্যস্ফীতি ছিল সাড়ে ১২ শতাংশ, তখন নীতি সুদহার ১০ শতাংশ খুব বেশি নয়। ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের সঙ্গেও বড় পার্থক্য নেই।”
সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন বিআইডিএস মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক, হা-মীম গ্রুপ চেয়ারম্যান এ কে আজাদ, বিএসএমএ সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং এবিবি চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংক এমডি মাসরুর আরেফিন। তারা দেশের বিনিয়োগ জলবায়ু, অর্থনীতির নীতি-পরিবেশ ও ব্যাংক খাতের সংস্কার নিয়ে নিজেদের অভিমত তুলে ধরেন।