CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

দাবি না মানলে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন না শিক্ষকরা

#
news image

নভেম্বরের মধ্যে দাবি না মানায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এ বছরের বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন না শিক্ষকরা। লাগাতার কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে রবিবার (৩০ নভেম্বর) এই ঘোষণা দেয় ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’।

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শামছুদ্দিন মাসুদ বলেন, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে দাবি না মানায় শিক্ষার্থীদের তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন (বার্ষিক পরীক্ষা) বর্জন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে নির্ধারণসহ তিন দফা দাবি আদায়ে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) থেকে লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন। শুক্র ও শনিবার ছুটির পর রবিবার দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি পালন করেন শিক্ষকরা।


কর্মবিরতি প্রথম দিন ঘোষণা দেওয়া হয়, কর্মবিরতির আওতায় থাকবে ‘শিক্ষার্থীদের শিখন অবস্থান যাচাই-দ্বিতীয় পর্ব’। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (শাহিন-লিপি) সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি জানিয়েছিলেন, শিক্ষার্থীদের শিখন অবস্থান যাচাই-দ্বিতীয় পর্ব কর্মবিরতির আওতাভুক্ত থাকবে।


প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি
শিক্ষক নেতারা জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড জটিলতা নিরসণ এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির দাবিতে গত ৮ নভেম্বর থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু হয়। ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি ও ঢাকার শাহবাগে কলম সমর্পণ কর্মসূচি পালন এবং কর্মসূচিতে পুলিশের হামলায় শতাধিক শিক্ষক আহত হওয়ার পর প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের নেতাদের সঙ্গে ৯ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ১০ নভেম্বর অর্থমন্ত্রণালয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ নভেম্বর অর্থমন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তিন দফা দাবির মধ্যে ১১তম গ্রেডের প্রজ্ঞাপন জারি ও অন্যান্য দাবি বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে।

তিন দফা দাবি

প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের তিন দফা দাবি হলো– সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে নির্ধারণ, ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিষয়ে জটিলতার অবসান এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ নভেম্বর, ২০২৫,  6:24 PM

news image

নভেম্বরের মধ্যে দাবি না মানায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এ বছরের বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন না শিক্ষকরা। লাগাতার কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে রবিবার (৩০ নভেম্বর) এই ঘোষণা দেয় ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’।

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শামছুদ্দিন মাসুদ বলেন, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে দাবি না মানায় শিক্ষার্থীদের তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন (বার্ষিক পরীক্ষা) বর্জন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে নির্ধারণসহ তিন দফা দাবি আদায়ে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) থেকে লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন। শুক্র ও শনিবার ছুটির পর রবিবার দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি পালন করেন শিক্ষকরা।


কর্মবিরতি প্রথম দিন ঘোষণা দেওয়া হয়, কর্মবিরতির আওতায় থাকবে ‘শিক্ষার্থীদের শিখন অবস্থান যাচাই-দ্বিতীয় পর্ব’। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (শাহিন-লিপি) সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি জানিয়েছিলেন, শিক্ষার্থীদের শিখন অবস্থান যাচাই-দ্বিতীয় পর্ব কর্মবিরতির আওতাভুক্ত থাকবে।


প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি
শিক্ষক নেতারা জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড জটিলতা নিরসণ এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির দাবিতে গত ৮ নভেম্বর থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু হয়। ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি ও ঢাকার শাহবাগে কলম সমর্পণ কর্মসূচি পালন এবং কর্মসূচিতে পুলিশের হামলায় শতাধিক শিক্ষক আহত হওয়ার পর প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের নেতাদের সঙ্গে ৯ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ১০ নভেম্বর অর্থমন্ত্রণালয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ নভেম্বর অর্থমন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তিন দফা দাবির মধ্যে ১১তম গ্রেডের প্রজ্ঞাপন জারি ও অন্যান্য দাবি বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে।

তিন দফা দাবি

প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের তিন দফা দাবি হলো– সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে নির্ধারণ, ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিষয়ে জটিলতার অবসান এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।