CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

বাউল শিল্পীর স্বামীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার, শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত

#
news image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সুমন খলিফা (৩৫) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার শরীরের একাধিক স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তিনি স্থানীয় একজন বাউল গানের শিল্পীর স্বামী। সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফতুল্লার কাশীপুর ইউনিয়নের মধ্য নরসিংহপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সামনে থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমন খলিফা বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মন্টু খলিফার ছেলে। তার স্ত্রী সোনিয়া সরকার বাউল গানের শিল্পী। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনিয়া সরকারকে নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন সুমন খলিফা। রবিবার রাতে ফতুল্লার পঞ্চবটি এলাকার বাউল ক্লাবে বাংলাদেশ বাউল শিল্পী ফাউন্ডেশনের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেন সোনিয়া ও সুমন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোনিয়াকে অনুষ্ঠানে রেখে বেরিয়ে যান সুমন। অনুষ্ঠান শেষে স্বামীকে খুঁজে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেন। সকালে জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন আসে মধ্য নরসিংহপুর এলাকায় একটি লাশ পড়ে আছে।

পুলিশ জানায়, সুমন খলিফার মাথার পেছনে, পিঠে এবং কোমরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় বাউল শিল্পী সোহেল সরকার বলেন, ‌‘রবিবার ছিল বাংলাদেশ বাউল শিল্পী ফাউন্ডেশনের বর্ষপূর্তি। এ উপলক্ষে আমাদের পঞ্চবটি বাউল ক্লাবে রাতে দোয়া মাহফিল শেষে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। আমাদের আমন্ত্রণে শিল্পী সোনিয়া ও তার স্বামী দোয়া মাহফিলে অংশ নেন। এরপর উপস্থিত অনেক শিল্পী একটি করে গান পরিবেশন করেন। সোনিয়াও একটি গান গেয়ে চলে যান। পরে কী হয়েছে, তা আমার জানা নেই।’

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। কিছুক্ষণ পর তার স্ত্রী থানায় এসে জানান স্বামী নিখোঁজ। পরে উদ্ধার হওয়া লাশটি সোনিয়াকে দেখানো হয়। তিনি স্বামীর লাশ শনাক্ত করেন। এটি হত্যাকাণ্ড। এর পেছনের কারণ এবং কারা জড়িত তা এখনও শনাক্ত করা যায়নি। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘নিহত সুমন খলিফার শরীরের একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে আমাদের। তবে কে বা কারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি আমরা।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দেড় বছর আগে সোনিয়াকে বিয়ে করেন সুমন। প্রথম স্ত্রীও বিভিন্ন ক্লাবে গান করতেন। বর্তমান স্ত্রী সোনিয়া বিভিন্ন ক্লাবে গান পরিবেশন করেন।’

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

০১ ডিসেম্বর, ২০২৫,  8:16 PM

news image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সুমন খলিফা (৩৫) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার শরীরের একাধিক স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তিনি স্থানীয় একজন বাউল গানের শিল্পীর স্বামী। সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফতুল্লার কাশীপুর ইউনিয়নের মধ্য নরসিংহপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সামনে থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমন খলিফা বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মন্টু খলিফার ছেলে। তার স্ত্রী সোনিয়া সরকার বাউল গানের শিল্পী। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনিয়া সরকারকে নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন সুমন খলিফা। রবিবার রাতে ফতুল্লার পঞ্চবটি এলাকার বাউল ক্লাবে বাংলাদেশ বাউল শিল্পী ফাউন্ডেশনের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেন সোনিয়া ও সুমন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোনিয়াকে অনুষ্ঠানে রেখে বেরিয়ে যান সুমন। অনুষ্ঠান শেষে স্বামীকে খুঁজে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেন। সকালে জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন আসে মধ্য নরসিংহপুর এলাকায় একটি লাশ পড়ে আছে।

পুলিশ জানায়, সুমন খলিফার মাথার পেছনে, পিঠে এবং কোমরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় বাউল শিল্পী সোহেল সরকার বলেন, ‌‘রবিবার ছিল বাংলাদেশ বাউল শিল্পী ফাউন্ডেশনের বর্ষপূর্তি। এ উপলক্ষে আমাদের পঞ্চবটি বাউল ক্লাবে রাতে দোয়া মাহফিল শেষে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। আমাদের আমন্ত্রণে শিল্পী সোনিয়া ও তার স্বামী দোয়া মাহফিলে অংশ নেন। এরপর উপস্থিত অনেক শিল্পী একটি করে গান পরিবেশন করেন। সোনিয়াও একটি গান গেয়ে চলে যান। পরে কী হয়েছে, তা আমার জানা নেই।’

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। কিছুক্ষণ পর তার স্ত্রী থানায় এসে জানান স্বামী নিখোঁজ। পরে উদ্ধার হওয়া লাশটি সোনিয়াকে দেখানো হয়। তিনি স্বামীর লাশ শনাক্ত করেন। এটি হত্যাকাণ্ড। এর পেছনের কারণ এবং কারা জড়িত তা এখনও শনাক্ত করা যায়নি। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘নিহত সুমন খলিফার শরীরের একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে আমাদের। তবে কে বা কারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি আমরা।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দেড় বছর আগে সোনিয়াকে বিয়ে করেন সুমন। প্রথম স্ত্রীও বিভিন্ন ক্লাবে গান করতেন। বর্তমান স্ত্রী সোনিয়া বিভিন্ন ক্লাবে গান পরিবেশন করেন।’