CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

সমন্বিত মতামতের পর খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত: ডা. জাহিদ

#
news image

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি আছে কিনা সে বিষয়ে মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। আজকেও যুক্তরাজ্য থেকে এসে বিশেষজ্ঞরা তাকে দেখবেন। দেখার পর সমন্বিত মতামতের ভিত্তিতে লন্ডন নেওয়ার সিদ্ধান্ত হবে।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে। তবে এ মুহূর্তে রোগীর বর্তমান অবস্থা এবং মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শের বাইরে কোনও কিছু করার সুযোগ নেই। সেটিও সর্বোচ্চ বিবেচনায় রাখতে হবে।


তিনি সংকটময় মুহূর্তে খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। বলেন, দোয়ার কারণেই হয়তো তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আমরা আশা করি।

এর আগে রবিবার (২৩ নভেম্বর) রাত ৮টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি টেস্ট করানোর পর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ফুসফুস ও হার্টে সংক্রমণ হয়েছে।

বিএনপির চেয়ারপারসনের চিকিৎসায় অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার ছাড়াও মেডিক্যাল বোর্ডে রয়েছেন অধ্যাপক এফএস সিদ্দিকী, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. জিয়াউল হক, ডা. মামুন আহমেদ ও অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাইফুল ইসলাম।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ ডিসেম্বর, ২০২৫,  3:23 PM

news image

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি আছে কিনা সে বিষয়ে মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। আজকেও যুক্তরাজ্য থেকে এসে বিশেষজ্ঞরা তাকে দেখবেন। দেখার পর সমন্বিত মতামতের ভিত্তিতে লন্ডন নেওয়ার সিদ্ধান্ত হবে।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে। তবে এ মুহূর্তে রোগীর বর্তমান অবস্থা এবং মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শের বাইরে কোনও কিছু করার সুযোগ নেই। সেটিও সর্বোচ্চ বিবেচনায় রাখতে হবে।


তিনি সংকটময় মুহূর্তে খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। বলেন, দোয়ার কারণেই হয়তো তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আমরা আশা করি।

এর আগে রবিবার (২৩ নভেম্বর) রাত ৮টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি টেস্ট করানোর পর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ফুসফুস ও হার্টে সংক্রমণ হয়েছে।

বিএনপির চেয়ারপারসনের চিকিৎসায় অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার ছাড়াও মেডিক্যাল বোর্ডে রয়েছেন অধ্যাপক এফএস সিদ্দিকী, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. জিয়াউল হক, ডা. মামুন আহমেদ ও অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাইফুল ইসলাম।