রাবি প্রতিনিধি:
০২ ডিসেম্বর, ২০২৫, 6:30 PM
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আরবী বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় স্বজনপ্রীতি, আঞ্চলিকতা ও অর্থনৈতিক প্রভাবসহ বেশকিছু অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন নিয়োগপ্রত্যাশী চার প্রার্থী। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন মার্কেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় নিয়োগ বাতিল করে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনসহ ৫দফা দাবি জানিয়েছেন। এর আগে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন।
তাদের বাকি চার দাবি হচ্ছে—তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বা সুপারিশসমূহ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হোক; তদন্ত কমিটিতে যেন অরাজনৈতিক, নীতিসংগত ও অভিজ্ঞ শিক্ষক প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত থাকেন; আঞ্চলিকতা, রাজনৈতিক পরিচয়, অর্থনৈতিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলে তা যেন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং সবশেষ, ভবিষ্যতে যেকোনো নিয়োগে স্বচ্ছতার নিশ্চয়তা দিতে একটি ট্রান্সপারেন্ট রিক্রুটমেন্ট প্রটোকল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিয়োগ প্রত্যাশী প্রার্থী মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, সম্প্রতি আরবী ভাষা বিভাগে নিয়োগ-সংক্রান্ত একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের সুনাম, একাডেমিক পরিবেশ ও ন্যায়ভিত্তিক নিয়োগনীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, বিভিন্ন সূত্র ও প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায় দেখা যাচ্ছে যে কিছু প্রার্থীকে আঞ্চলিকতা, ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা, রাজনৈতিক পরিচয়, অর্থনৈতিক লেনদেন, এমনকি অনৈতিক আচরণের পরও প্রশাসনিক সহানুভূতির সুযোগ নিয়ে বিভাগে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ব্যক্তি, অতীত প্রশাসনের নির্দিষ্ট অংশ এবং রাজনৈতিক পরিচয়ধারীরা নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অযাচিত হস্তক্ষেপ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি যাদের কারো দ্বারা অর্থের বিনিময়ে বিভাগীয় শিক্ষককে প্রভাবিত করার চেষ্টার অডিও ফাঁস হওয়ার মতো ঘটনাও ইতিপূর্বে ঘটেছে।
ক্যাম্পাসের শান্তিপূর্ণ পরিবেশের পরিপন্থী ব্যক্তিদেরও বিশেষ পরিচয়ের ভিত্তিতে নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়ার হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের আদর্শিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের পরিপন্থী মিছিল-মিটিং, নিপীড়ন, নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর হয়ে সক্রিয় তৎপরতা, অথবা কোনো গোষ্ঠীর তল্পিবাহক হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিদেরও বিশেষ পরিচয়ের ভিত্তিতে নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে।কিছু প্রার্থীকে ব্যক্তিগত নৈতিক স্খলন বা শৃঙ্খলাভঙ্গের ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও বিভাগে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে। এ ধরনের ঘটনাগুলো শুধু নিয়োগ ব্যবস্থায়সহ পরবর্তী প্রজন্মের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে আবু ইউসুফ আলী নামে আরেক প্রার্থী বলেন, বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চল, বিশেষ করে পিরোজপুর থেকে অধিকাংশ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। কারণ আরবী বিভাগের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা কমিটির এক সদস্যের বাড়ি পিরোজপুরে। ফলে স্পষ্ট স্বজনপ্রীতির চিত্র দেখা যাচ্ছে। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায়ভিত্তিক নিয়োগনীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বাকি দুই প্রার্থী হলেন সাদিয়া খাতুন এবং ড. নুরুল ইসলাম।
রাবি প্রতিনিধি:
০২ ডিসেম্বর, ২০২৫, 6:30 PM
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আরবী বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় স্বজনপ্রীতি, আঞ্চলিকতা ও অর্থনৈতিক প্রভাবসহ বেশকিছু অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন নিয়োগপ্রত্যাশী চার প্রার্থী। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন মার্কেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় নিয়োগ বাতিল করে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনসহ ৫দফা দাবি জানিয়েছেন। এর আগে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন।
তাদের বাকি চার দাবি হচ্ছে—তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বা সুপারিশসমূহ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হোক; তদন্ত কমিটিতে যেন অরাজনৈতিক, নীতিসংগত ও অভিজ্ঞ শিক্ষক প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত থাকেন; আঞ্চলিকতা, রাজনৈতিক পরিচয়, অর্থনৈতিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলে তা যেন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং সবশেষ, ভবিষ্যতে যেকোনো নিয়োগে স্বচ্ছতার নিশ্চয়তা দিতে একটি ট্রান্সপারেন্ট রিক্রুটমেন্ট প্রটোকল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিয়োগ প্রত্যাশী প্রার্থী মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, সম্প্রতি আরবী ভাষা বিভাগে নিয়োগ-সংক্রান্ত একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের সুনাম, একাডেমিক পরিবেশ ও ন্যায়ভিত্তিক নিয়োগনীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, বিভিন্ন সূত্র ও প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায় দেখা যাচ্ছে যে কিছু প্রার্থীকে আঞ্চলিকতা, ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা, রাজনৈতিক পরিচয়, অর্থনৈতিক লেনদেন, এমনকি অনৈতিক আচরণের পরও প্রশাসনিক সহানুভূতির সুযোগ নিয়ে বিভাগে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ব্যক্তি, অতীত প্রশাসনের নির্দিষ্ট অংশ এবং রাজনৈতিক পরিচয়ধারীরা নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অযাচিত হস্তক্ষেপ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি যাদের কারো দ্বারা অর্থের বিনিময়ে বিভাগীয় শিক্ষককে প্রভাবিত করার চেষ্টার অডিও ফাঁস হওয়ার মতো ঘটনাও ইতিপূর্বে ঘটেছে।
ক্যাম্পাসের শান্তিপূর্ণ পরিবেশের পরিপন্থী ব্যক্তিদেরও বিশেষ পরিচয়ের ভিত্তিতে নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়ার হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের আদর্শিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের পরিপন্থী মিছিল-মিটিং, নিপীড়ন, নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর হয়ে সক্রিয় তৎপরতা, অথবা কোনো গোষ্ঠীর তল্পিবাহক হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিদেরও বিশেষ পরিচয়ের ভিত্তিতে নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে।কিছু প্রার্থীকে ব্যক্তিগত নৈতিক স্খলন বা শৃঙ্খলাভঙ্গের ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও বিভাগে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে। এ ধরনের ঘটনাগুলো শুধু নিয়োগ ব্যবস্থায়সহ পরবর্তী প্রজন্মের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে আবু ইউসুফ আলী নামে আরেক প্রার্থী বলেন, বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চল, বিশেষ করে পিরোজপুর থেকে অধিকাংশ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। কারণ আরবী বিভাগের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা কমিটির এক সদস্যের বাড়ি পিরোজপুরে। ফলে স্পষ্ট স্বজনপ্রীতির চিত্র দেখা যাচ্ছে। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায়ভিত্তিক নিয়োগনীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বাকি দুই প্রার্থী হলেন সাদিয়া খাতুন এবং ড. নুরুল ইসলাম।