CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০২ জানুয়ারি, ২০২৬

মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় আচরণ পরিবর্তনজনিত কার্যক্রমের জাতীয় কৌশল 

#
news image

‘কোনও কন্যা বা নারী যেন পিছিয়ে না থাকে’—এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা আচরণ পরিবর্তনগত যোগাযোগ কৌশলের আটটি কৌশলগত অগ্রাধিকার বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন জাতীয় পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনরা। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীতে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ, এমএইচএম প্ল্যাটফর্ম, এবং ইউরোপের শীর্ষ ফ্যাশন ব্র্যান্ড লিন্ডেক্স’র সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ তাগিদ দেন বিশেষজ্ঞরা।

অনুষ্ঠানে উন্নত মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার জন্য আচরণ পরিবর্তনজনিত কার্যক্রমের জাতীয় কৌশল ও সংশ্লিষ্ট গবেষণা উপস্থাপন করে আইসিডিডিআর,বি।

ওয়াটারএইড বাংলাদেশের পলিসি অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি লিড ফাইয়াজউদ্দিন আহমদের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেব ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) ডা. জিনাত সুলতানা, সমাজসেবা অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (সামাজিক সুরক্ষা) মোহাম্মদ রাবিউল ইসলাম, এবং লিন্ডেক্সের সাউথ এশিয়া সাসটেইনেবিলিটি ম্যানেজার কাজী মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে মূল গবেষণা উপস্থাপন করেন আইসিডিডিআর,বি’র মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য বিভাগের এবিএম রাশেদুজ্জামান এবং বিধান কৃষ্ণ সরকার।

স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা তাদের অভিজ্ঞতা ও অন্তর্দৃষ্টি তুলে ধরে বলেন, মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে জনআচরণ পরিবর্তনের জন্য তথ্যনির্ভর ও প্রমাণসমৃদ্ধ কৌশল জরুরি। এ ক্ষেত্রে বহু-খাতের ঘনিষ্ঠ সমন্বয় এবং জাতীয় পর্যায়ে জ্ঞান, মনোভাব ও অনুশীলনকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে।

আইসিডিডিআর,বি পরিচালিত গবেষণায় আচরণগত নির্ধারক, বিদ্যমান ঘাটতি এবং প্রোগ্রাম্যাটিক চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও কার্যকর করবে বলে বক্তারা মত দেন।

শহর, গ্রাম, দুর্গম ও জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় চলমান কার্যক্রমের অভিজ্ঞতার আলোকে গবেষণার ফলাফল ও প্রস্তাবিত কৌশল সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত আচরণ পরিবর্তন যোগাযোগ কৌশলটি গবেষণালব্ধ তথ্য ও বিদ্যমান সচেতনতামূলক উপকরণের বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তৈরি। অংশীজনদের যৌথভাবে চিহ্নিত অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলো ভবিষ্যতে আরও প্রেক্ষিতভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর যোগাযোগ উপকরণ উন্নয়নে সহায়তা করবে—বিশেষ করে ছেলে/পুরুষসহ বিভিন্ন ভৌগোলিক ও প্রোগ্রাম্যাটিক প্রেক্ষাপটে কর্মরতদের জন্য।

গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে “বস্ত্রশিল্প খাতে স্থিতিশীল ও সক্ষম পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থা—নারীকেন্দ্রিক টেকসই পোশাক খাত গড়ে তোলা” প্রকল্পের আওতায়। ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) অংশীদারিত্বে এবং লিন্ডেক্সের সহায়তায় পরিচালিত এই উদ্যোগ নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানানো হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ ডিসেম্বর, ২০২৫,  3:40 PM

news image

‘কোনও কন্যা বা নারী যেন পিছিয়ে না থাকে’—এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা আচরণ পরিবর্তনগত যোগাযোগ কৌশলের আটটি কৌশলগত অগ্রাধিকার বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন জাতীয় পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনরা। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীতে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ, এমএইচএম প্ল্যাটফর্ম, এবং ইউরোপের শীর্ষ ফ্যাশন ব্র্যান্ড লিন্ডেক্স’র সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ তাগিদ দেন বিশেষজ্ঞরা।

অনুষ্ঠানে উন্নত মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার জন্য আচরণ পরিবর্তনজনিত কার্যক্রমের জাতীয় কৌশল ও সংশ্লিষ্ট গবেষণা উপস্থাপন করে আইসিডিডিআর,বি।

ওয়াটারএইড বাংলাদেশের পলিসি অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি লিড ফাইয়াজউদ্দিন আহমদের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেব ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) ডা. জিনাত সুলতানা, সমাজসেবা অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (সামাজিক সুরক্ষা) মোহাম্মদ রাবিউল ইসলাম, এবং লিন্ডেক্সের সাউথ এশিয়া সাসটেইনেবিলিটি ম্যানেজার কাজী মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে মূল গবেষণা উপস্থাপন করেন আইসিডিডিআর,বি’র মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য বিভাগের এবিএম রাশেদুজ্জামান এবং বিধান কৃষ্ণ সরকার।

স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা তাদের অভিজ্ঞতা ও অন্তর্দৃষ্টি তুলে ধরে বলেন, মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে জনআচরণ পরিবর্তনের জন্য তথ্যনির্ভর ও প্রমাণসমৃদ্ধ কৌশল জরুরি। এ ক্ষেত্রে বহু-খাতের ঘনিষ্ঠ সমন্বয় এবং জাতীয় পর্যায়ে জ্ঞান, মনোভাব ও অনুশীলনকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে।

আইসিডিডিআর,বি পরিচালিত গবেষণায় আচরণগত নির্ধারক, বিদ্যমান ঘাটতি এবং প্রোগ্রাম্যাটিক চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও কার্যকর করবে বলে বক্তারা মত দেন।

শহর, গ্রাম, দুর্গম ও জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় চলমান কার্যক্রমের অভিজ্ঞতার আলোকে গবেষণার ফলাফল ও প্রস্তাবিত কৌশল সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত আচরণ পরিবর্তন যোগাযোগ কৌশলটি গবেষণালব্ধ তথ্য ও বিদ্যমান সচেতনতামূলক উপকরণের বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তৈরি। অংশীজনদের যৌথভাবে চিহ্নিত অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলো ভবিষ্যতে আরও প্রেক্ষিতভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর যোগাযোগ উপকরণ উন্নয়নে সহায়তা করবে—বিশেষ করে ছেলে/পুরুষসহ বিভিন্ন ভৌগোলিক ও প্রোগ্রাম্যাটিক প্রেক্ষাপটে কর্মরতদের জন্য।

গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে “বস্ত্রশিল্প খাতে স্থিতিশীল ও সক্ষম পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থা—নারীকেন্দ্রিক টেকসই পোশাক খাত গড়ে তোলা” প্রকল্পের আওতায়। ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) অংশীদারিত্বে এবং লিন্ডেক্সের সহায়তায় পরিচালিত এই উদ্যোগ নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানানো হয়।