নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, 3:47 PM
বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ যেন থামছেই না। গত এক মাসেই দেশে নতুন করে আরও ২ হাজার ৭৩৮ জন রোহিঙ্গা এসেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সংস্থাটির প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত এক বছরে বাংলাদেশে নতুন নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩৭৮ জনে। গত অক্টোবর পর্যন্ত ১১ মাসে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪০। সেপ্টেম্বরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৫১ জন। অর্থাৎ নভেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে ধারাবাহিকভাবে আগমন বেড়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বর্তমানে কক্সবাজার ও ভাসানচরের বিভিন্ন ক্যাম্পে ১১ লাখ ৭৩ হাজার ১৭১ জন রোহিঙ্গাকে চিহ্নিত করা গেছে। ইউএনএইচসিআর জানায়, ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৯৩৭ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার ফলে ২০২৪ সাল থেকে ফের সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ বাড়তে থাকে। ইউএনএইচসিআর বলছে, ২০২৪ সালের শেষ দিকে ক্যাম্পগুলোতে নতুন আগতদের একটি বড় ঢল তৈরি হয়। এদের সবার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন কাজ চলছে।
নারী–শিশু বেশি, ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য
নতুন নিবন্ধিতদের মধ্যে— ৭৮ শতাংশ নারী ও শিশু। যাদের মধ্যে ১২ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী। রয়েছে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, গুরুতর অসুস্থ রোগী, একক অভিভাবক, সঙ্গীহীন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং ঝুঁকিতে থাকা বয়স্করা।
বাংলাদেশে আসা সামগ্রিক রোহিঙ্গা জনসংখ্যার ৫২ শতাংশ নারী, ৪৮ শতাংশ পুরুষ।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, 3:47 PM
বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ যেন থামছেই না। গত এক মাসেই দেশে নতুন করে আরও ২ হাজার ৭৩৮ জন রোহিঙ্গা এসেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সংস্থাটির প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত এক বছরে বাংলাদেশে নতুন নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩৭৮ জনে। গত অক্টোবর পর্যন্ত ১১ মাসে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪০। সেপ্টেম্বরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৫১ জন। অর্থাৎ নভেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে ধারাবাহিকভাবে আগমন বেড়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বর্তমানে কক্সবাজার ও ভাসানচরের বিভিন্ন ক্যাম্পে ১১ লাখ ৭৩ হাজার ১৭১ জন রোহিঙ্গাকে চিহ্নিত করা গেছে। ইউএনএইচসিআর জানায়, ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৯৩৭ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার ফলে ২০২৪ সাল থেকে ফের সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ বাড়তে থাকে। ইউএনএইচসিআর বলছে, ২০২৪ সালের শেষ দিকে ক্যাম্পগুলোতে নতুন আগতদের একটি বড় ঢল তৈরি হয়। এদের সবার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন কাজ চলছে।
নারী–শিশু বেশি, ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য
নতুন নিবন্ধিতদের মধ্যে— ৭৮ শতাংশ নারী ও শিশু। যাদের মধ্যে ১২ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী। রয়েছে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, গুরুতর অসুস্থ রোগী, একক অভিভাবক, সঙ্গীহীন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং ঝুঁকিতে থাকা বয়স্করা।
বাংলাদেশে আসা সামগ্রিক রোহিঙ্গা জনসংখ্যার ৫২ শতাংশ নারী, ৪৮ শতাংশ পুরুষ।