CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০২ জানুয়ারি, ২০২৬

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের নির্দেশনা নেই

#
news image

 

মহান বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর) উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য কর্মসূচি নির্ধারণ করা হলেও শহীদ বুদ্ধিজীবী (১৪ ডিসেম্বর) দিবস পালনের কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস পালনের কর্মসূচি দিয়েছে।

গত ১১ ডিসেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদফতর মহান বিজয় দিবস পালনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নের দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেয়। ওই নির্দেশনা ওয়েবসাইটে আপ করা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শহীদ দিবস পালনের কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ‘মহান বিজয় দিবস ২০২৫’ উদযাপন উপলক্ষে স্ট্রিয়ারিং কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানায়।

স্ট্রিয়ারিং কমিটির সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়, বিজয় দিবস সকাল ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শন।
স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা) প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট/ফুটবল টুর্নামেন্ট/কাবাডি/হাডুজু খেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালের পর বিগত বিভিন্ন সরকারগুলোর সময় প্রতিবছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও উপলক্ষ্যে ঢাবির কর্মসূচি
আগামী ১৪ ডিসেম্বর সকাল ৬টা ২০ মিনিটে উপাচার্য ভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোয় কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ৬টায় অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে জমায়েত, সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে কবরস্থান, জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণে স্মৃতিসৌধ ও বিভিন্ন আবাসিক এলাকার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ।

এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ও রায়ের বাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের উদ্দেশে যাত্রা। সকাল সোয়া ১১টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া, বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিয়াসহ বিভিন্ন হল মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত এবং শান্তি কামনায় দোয়া বা প্রার্থনা করা হবে।

মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচি

মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আগামী ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৬টা ২০ মিনিটে উপাচার্য ভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ৬টায় উপাচার্য ভবন সংলগ্ন স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে জমায়েত এবং সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণের উদ্দেশে যাত্রা।

সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ, নৃত্যকলা বিভাগ এবং থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের যৌথ ব্যবস্থাপনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিয়াসহ বিভিন্ন হল এবং আবাসিক এলাকার মসজিদে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসটি উপলক্ষে ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বর কলা ভবন, কার্জন হল, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র ও স্মৃতি চিরন্তনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা হবে। আবাসিক হলগুলোয় শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের চিত্র প্রদর্শনী/চলচ্চিত্র প্রদর্শনী/প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫,  5:13 PM

news image

 

মহান বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর) উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য কর্মসূচি নির্ধারণ করা হলেও শহীদ বুদ্ধিজীবী (১৪ ডিসেম্বর) দিবস পালনের কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস পালনের কর্মসূচি দিয়েছে।

গত ১১ ডিসেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদফতর মহান বিজয় দিবস পালনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নের দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেয়। ওই নির্দেশনা ওয়েবসাইটে আপ করা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শহীদ দিবস পালনের কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ‘মহান বিজয় দিবস ২০২৫’ উদযাপন উপলক্ষে স্ট্রিয়ারিং কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানায়।

স্ট্রিয়ারিং কমিটির সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়, বিজয় দিবস সকাল ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শন।
স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা) প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট/ফুটবল টুর্নামেন্ট/কাবাডি/হাডুজু খেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালের পর বিগত বিভিন্ন সরকারগুলোর সময় প্রতিবছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও উপলক্ষ্যে ঢাবির কর্মসূচি
আগামী ১৪ ডিসেম্বর সকাল ৬টা ২০ মিনিটে উপাচার্য ভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোয় কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ৬টায় অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে জমায়েত, সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে কবরস্থান, জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণে স্মৃতিসৌধ ও বিভিন্ন আবাসিক এলাকার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ।

এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ও রায়ের বাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের উদ্দেশে যাত্রা। সকাল সোয়া ১১টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া, বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিয়াসহ বিভিন্ন হল মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত এবং শান্তি কামনায় দোয়া বা প্রার্থনা করা হবে।

মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচি

মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আগামী ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৬টা ২০ মিনিটে উপাচার্য ভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ৬টায় উপাচার্য ভবন সংলগ্ন স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে জমায়েত এবং সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণের উদ্দেশে যাত্রা।

সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ, নৃত্যকলা বিভাগ এবং থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের যৌথ ব্যবস্থাপনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিয়াসহ বিভিন্ন হল এবং আবাসিক এলাকার মসজিদে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসটি উপলক্ষে ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বর কলা ভবন, কার্জন হল, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র ও স্মৃতি চিরন্তনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা হবে। আবাসিক হলগুলোয় শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের চিত্র প্রদর্শনী/চলচ্চিত্র প্রদর্শনী/প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হবে।