বিনোদন ডেস্ক
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:35 PM
যাদের পাপারাৎজি বলা হয়, সেই ছবি শিকারিদের নিয়ে কিছুদিন আগে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন বর্ষীয়ান বলিউড অভিনেত্রী জয়া বচ্চন। বলেছিলেন, ‘নোংরা জামাকাপড় পরে চলে আসে, এরা কারা? ওদের কি কোনো পড়াশোনা আছে?’ যদিও জয়ার এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন তাঁর সমসাময়িক অভিনেতা সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। তারপরও বিষয়টি নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষে ভাগ হয়ে গেছেন বলিউড বাসিন্দারা।
এবার ছবি শিকারীদের পক্ষ নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী হুমা কুরেশি। আনন্দবাজারসহ একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ছবি শিকারীদের নিয়ে সোজাসাপ্টা মত প্রকাশ করেছেন হুমা কুরেশি।
তাঁর ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় পাপারাৎজির প্রয়োজন রয়েছে। সত্যি বলতে, আমরাই ওদের অনেক সময় ব্যবহার করি। যখন আমাদের ছবি প্রকাশিত হয় কিংবা আমরা আমাদের জীবনের একটা আঙ্গিক দর্শককে দেখাতে চাই, তখন আমরাই তো ওদের ডাকি।’
হুমা জানান, তাঁর সঙ্গে পাপারাৎজির সম্পর্ক খুব একটা খারাপ নয়। তাঁর যখন মনে হয় যে তিনি ছবি তোলার মতো অবস্থায় নেই, তখন চিত্রগ্রাহকদের অনুরোধ করেন। কথা রাখেন ছবি শিকারিরাও।
যদিও জয়া বচ্চনের সাফ কথা, তিনি পাপারাৎজির ‘মিডিয়া’ বা সাংবাদিক বলে মনেই করেন না। বরং তিনি নিজে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের সম্মান করেন বলেই জানিয়েছেন। কারণ, তাঁর বাবা তরুণ কুমার ভাদুড়ি দুটি নামি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একাধিক উপন্যাসও লিখেছেন তিনি।
জয়া ক্ষোভ উগড়ে বলেছিলেন, ‘এরা মিডিয়া? আমিও একজন সাংবাদিকের মেয়ে। সুতরাং ভালো করে জানি মিডিয়া, সাংবাদিক কাদের বলে। নোংরা পোশাক পরে চলে আসে। হাতে চারটে ফোন নিয়ে উদ্ভট প্রশ্ন করে। নানা ধরনের মন্তব্য করে। এদের কী করে সাংবাদিক বলা যায়?’
তবে হুমা মনে করেন, যে কোনো মানুষের জানা উচিত, যে তাঁর কতটা সীমা। যদি কেউ কারও ব্যক্তিগত জীবনে ঢোকার চেষ্টা করে, তখন প্রতিবাদ জানানো দরকার। তা ছাড়া এই ‘পাপারাৎজি’ সংস্কৃতিতে তেমন অসুবিধার কিছু দেখেন না হুমা।
বিনোদন ডেস্ক
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:35 PM
যাদের পাপারাৎজি বলা হয়, সেই ছবি শিকারিদের নিয়ে কিছুদিন আগে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন বর্ষীয়ান বলিউড অভিনেত্রী জয়া বচ্চন। বলেছিলেন, ‘নোংরা জামাকাপড় পরে চলে আসে, এরা কারা? ওদের কি কোনো পড়াশোনা আছে?’ যদিও জয়ার এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন তাঁর সমসাময়িক অভিনেতা সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। তারপরও বিষয়টি নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষে ভাগ হয়ে গেছেন বলিউড বাসিন্দারা।
এবার ছবি শিকারীদের পক্ষ নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী হুমা কুরেশি। আনন্দবাজারসহ একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ছবি শিকারীদের নিয়ে সোজাসাপ্টা মত প্রকাশ করেছেন হুমা কুরেশি।
তাঁর ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় পাপারাৎজির প্রয়োজন রয়েছে। সত্যি বলতে, আমরাই ওদের অনেক সময় ব্যবহার করি। যখন আমাদের ছবি প্রকাশিত হয় কিংবা আমরা আমাদের জীবনের একটা আঙ্গিক দর্শককে দেখাতে চাই, তখন আমরাই তো ওদের ডাকি।’
হুমা জানান, তাঁর সঙ্গে পাপারাৎজির সম্পর্ক খুব একটা খারাপ নয়। তাঁর যখন মনে হয় যে তিনি ছবি তোলার মতো অবস্থায় নেই, তখন চিত্রগ্রাহকদের অনুরোধ করেন। কথা রাখেন ছবি শিকারিরাও।
যদিও জয়া বচ্চনের সাফ কথা, তিনি পাপারাৎজির ‘মিডিয়া’ বা সাংবাদিক বলে মনেই করেন না। বরং তিনি নিজে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের সম্মান করেন বলেই জানিয়েছেন। কারণ, তাঁর বাবা তরুণ কুমার ভাদুড়ি দুটি নামি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একাধিক উপন্যাসও লিখেছেন তিনি।
জয়া ক্ষোভ উগড়ে বলেছিলেন, ‘এরা মিডিয়া? আমিও একজন সাংবাদিকের মেয়ে। সুতরাং ভালো করে জানি মিডিয়া, সাংবাদিক কাদের বলে। নোংরা পোশাক পরে চলে আসে। হাতে চারটে ফোন নিয়ে উদ্ভট প্রশ্ন করে। নানা ধরনের মন্তব্য করে। এদের কী করে সাংবাদিক বলা যায়?’
তবে হুমা মনে করেন, যে কোনো মানুষের জানা উচিত, যে তাঁর কতটা সীমা। যদি কেউ কারও ব্যক্তিগত জীবনে ঢোকার চেষ্টা করে, তখন প্রতিবাদ জানানো দরকার। তা ছাড়া এই ‘পাপারাৎজি’ সংস্কৃতিতে তেমন অসুবিধার কিছু দেখেন না হুমা।