CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ৪-৫ বছর লাগে: গভর্নর

#
news image

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে সাধারণত ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। এর চেয়ে কম সময়ে অর্থ ফেরত আনা বাস্তবসম্মত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।


পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সরকার বিষয়টি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে দেখছে।


মামলার মাধ্যমে বিদেশ থেকে অর্থ ফেরত আসার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাস্তবতা আমাদের মেনে নিতে হবে। বিদেশি আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়ার কারণে অর্থ ফেরত আনতে ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে। এর কম সময়ে এটি সম্ভব নয়।

গভর্নর বলেন, লন্ডনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি হলে সেটিকে বড় সৌভাগ্য হিসেবে দেখা হবে। কারণ, সংশ্লিষ্ট পক্ষ মামলাটিতে কার্যত লড়েনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তারা মামলাটি হেরে গেছে।

অন্য মামলাগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান, সেগুলো মূলত আবেদন ও আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং সেখানে সরকারের করার মতো খুব বেশি কিছু নেই।

এস আলম গ্রুপ সংক্রান্ত অগ্রগতি জানতে চাইলে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনে এস আলম গ্রুপ আরবিট্রেশন মামলা দায়ের করেছে। তিনি বলেন, ‘চোরের মার বড় গলা—আমরা মামলাটি আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মোকাবিলা করবো।’

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫,  4:37 PM

news image

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে সাধারণত ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। এর চেয়ে কম সময়ে অর্থ ফেরত আনা বাস্তবসম্মত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।


পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সরকার বিষয়টি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে দেখছে।


মামলার মাধ্যমে বিদেশ থেকে অর্থ ফেরত আসার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাস্তবতা আমাদের মেনে নিতে হবে। বিদেশি আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়ার কারণে অর্থ ফেরত আনতে ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে। এর কম সময়ে এটি সম্ভব নয়।

গভর্নর বলেন, লন্ডনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি হলে সেটিকে বড় সৌভাগ্য হিসেবে দেখা হবে। কারণ, সংশ্লিষ্ট পক্ষ মামলাটিতে কার্যত লড়েনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তারা মামলাটি হেরে গেছে।

অন্য মামলাগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান, সেগুলো মূলত আবেদন ও আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং সেখানে সরকারের করার মতো খুব বেশি কিছু নেই।

এস আলম গ্রুপ সংক্রান্ত অগ্রগতি জানতে চাইলে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনে এস আলম গ্রুপ আরবিট্রেশন মামলা দায়ের করেছে। তিনি বলেন, ‘চোরের মার বড় গলা—আমরা মামলাটি আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মোকাবিলা করবো।’