CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
টাইটেল ঢাকা-৯ এর ‘ঘরের মেয়ে’ তাসনিম জারা, কিন্তু ভোটার ঢাকা-১১? ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অধিকারহরণের অপকৌশল রুখতে হবে কুৎসা রটিয়ে ও ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ 'জাহাজপোড়া ক্যাসেল' রিসোর্ট’র শুভ উদ্বোধন করলেন ডিআইজি ২২তম জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র তায়কোয়ানডো সিনিয়রে আনসার ও জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন নড়াইল জেলা সমিতি রাজশাহীর নতুন সভাপতি দীপু, সম্পাদক তাজ মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে: মির্জা আব্বাস ধর্ম ও বিকাশ দিয়ে ভোট কেনা আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়? প্রশ্ন রিজভীর ন্যায়, ইনসাফ ও জবাবদিহিতার বাংলাদেশ গড়তে চাই.....ডা. শফিকুর রহমান পরাজিত শক্তির সহযোগীরাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’র বিরোধী

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ৪-৫ বছর লাগে: গভর্নর

#
news image

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে সাধারণত ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। এর চেয়ে কম সময়ে অর্থ ফেরত আনা বাস্তবসম্মত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।


পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সরকার বিষয়টি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে দেখছে।


মামলার মাধ্যমে বিদেশ থেকে অর্থ ফেরত আসার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাস্তবতা আমাদের মেনে নিতে হবে। বিদেশি আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়ার কারণে অর্থ ফেরত আনতে ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে। এর কম সময়ে এটি সম্ভব নয়।

গভর্নর বলেন, লন্ডনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি হলে সেটিকে বড় সৌভাগ্য হিসেবে দেখা হবে। কারণ, সংশ্লিষ্ট পক্ষ মামলাটিতে কার্যত লড়েনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তারা মামলাটি হেরে গেছে।

অন্য মামলাগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান, সেগুলো মূলত আবেদন ও আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং সেখানে সরকারের করার মতো খুব বেশি কিছু নেই।

এস আলম গ্রুপ সংক্রান্ত অগ্রগতি জানতে চাইলে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনে এস আলম গ্রুপ আরবিট্রেশন মামলা দায়ের করেছে। তিনি বলেন, ‘চোরের মার বড় গলা—আমরা মামলাটি আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মোকাবিলা করবো।’

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫,  4:37 PM

news image

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে সাধারণত ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। এর চেয়ে কম সময়ে অর্থ ফেরত আনা বাস্তবসম্মত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।


পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সরকার বিষয়টি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে দেখছে।


মামলার মাধ্যমে বিদেশ থেকে অর্থ ফেরত আসার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাস্তবতা আমাদের মেনে নিতে হবে। বিদেশি আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়ার কারণে অর্থ ফেরত আনতে ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে। এর কম সময়ে এটি সম্ভব নয়।

গভর্নর বলেন, লন্ডনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি হলে সেটিকে বড় সৌভাগ্য হিসেবে দেখা হবে। কারণ, সংশ্লিষ্ট পক্ষ মামলাটিতে কার্যত লড়েনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তারা মামলাটি হেরে গেছে।

অন্য মামলাগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান, সেগুলো মূলত আবেদন ও আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং সেখানে সরকারের করার মতো খুব বেশি কিছু নেই।

এস আলম গ্রুপ সংক্রান্ত অগ্রগতি জানতে চাইলে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনে এস আলম গ্রুপ আরবিট্রেশন মামলা দায়ের করেছে। তিনি বলেন, ‘চোরের মার বড় গলা—আমরা মামলাটি আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মোকাবিলা করবো।’