CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০২ জানুয়ারি, ২০২৬

দাঙ্গা হাঙ্গামার আশংকায় রংপুরে ১১শতাংশ জমিতে ১৪৪ ধারা জারি 

#
news image

দুই ভাই-বোনের মালিকানাধীন জমিতে বে-আইনী ভাবে অনুপ্রবেশ ও দাঙ্গা হাঙ্গামার আশংকায় নালিশের ভিত্তিতে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রট আদালত ১১ শতাংশ জমির উপর ১৪৪ ধারা জারি করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রংপুর জেলার পীরগাছা উপজেলার অন্নদানগর ইউপির রাজবল্লভ গ্রামে।

জানা যায়, ওই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদের পুত্র ও আইনজীবী ইফতেখারুল ইসলাম প্রিন্স জানান,  তার পিতা আব্দুল হামিদ সহ পাঁচ ভাই ক্রয় সূত্রে ১১ শতাংশ জমির অংশিদার। পারিবারিক আপস ভাগ বন্টন সূত্রে আ: আহাদ সর্ব পশ্চিমে ভোগ দখল করে আসতো। আ: আহাদ তার অংশের জমি প্রিন্স এবং লাবনীর নিকট বিক্রয় করেন। অভিযুক্ত মাইদুল ইসলামের বোন জেসমিন ও আরএস মালিক আবুল হোসেনের পুত্র বাবু মিয়া উক্ত দাগের জমি  প্রিন্স এবং লাবনীর নিকট বিক্রয় করেন।

 প্রিন্স এবং লাবনী কবলা খরিদ এবং তার পিতার অংশের প্রায় ৭ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে আসছেন। আর এস মালিক আব্দুল জব্বারের ওয়ারিশ মাইদুল ইসলাম গং ১১ শতাক জমি সর্ব পুর্ব দিকে ভোগ দখল করেন। উক্ত ২ শতাংশ জমিতে মাইদুলের শিশুপুত্র এবং তার মাতার কবর ও কিছু সুপারির গাছ রয়েছে।

 এছাড়াও  মাইদুলের  বড় ভাই জাহিদুল ইসলাম ওই অংশের বাইরেও ঘর উত্তোলন করে এবং  জমি মাপ জোকের পর তার উত্তোলিত ঘর বিক্রয় করে ঢাকায় বসবাস করছেন।  এরপরও দলবেঁধে ওই জমি দখলের অপচেষ্টা অব্যাহত রাখায় ১৪৪/ ১৪৫ ধারা জারি করা হয়।   

প্রিন্স আরও জানান, বিএনপির অন্নদানগর ইউপির সহ সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন মেম্বার এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ৬০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন এবং আরও চাঁদা দাবি অব্যাহত রেখেছেন।  বিষয়টি জানতে মোশাররফ মেম্বারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায় নি। 

 তবে, এবিষয়ে জানতে চাইলে অন্নদানগর ইউপির বিএনপির সভাপতি মো: জিল্লুর রহমান জানান, ব্যক্তির দায় দলের নয়। অপরাধী যেই হোক, আইনের উর্ধে কেউই নয়। তবে, মাইদুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান,  আমার জমি আমি ভোগ করতে পারছি না। এজন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শরণাপন্ন হয়েছি।

মোস্তাফিজার বাবলু, রংপুর অফিস

১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫,  5:29 PM

news image

দুই ভাই-বোনের মালিকানাধীন জমিতে বে-আইনী ভাবে অনুপ্রবেশ ও দাঙ্গা হাঙ্গামার আশংকায় নালিশের ভিত্তিতে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রট আদালত ১১ শতাংশ জমির উপর ১৪৪ ধারা জারি করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রংপুর জেলার পীরগাছা উপজেলার অন্নদানগর ইউপির রাজবল্লভ গ্রামে।

জানা যায়, ওই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদের পুত্র ও আইনজীবী ইফতেখারুল ইসলাম প্রিন্স জানান,  তার পিতা আব্দুল হামিদ সহ পাঁচ ভাই ক্রয় সূত্রে ১১ শতাংশ জমির অংশিদার। পারিবারিক আপস ভাগ বন্টন সূত্রে আ: আহাদ সর্ব পশ্চিমে ভোগ দখল করে আসতো। আ: আহাদ তার অংশের জমি প্রিন্স এবং লাবনীর নিকট বিক্রয় করেন। অভিযুক্ত মাইদুল ইসলামের বোন জেসমিন ও আরএস মালিক আবুল হোসেনের পুত্র বাবু মিয়া উক্ত দাগের জমি  প্রিন্স এবং লাবনীর নিকট বিক্রয় করেন।

 প্রিন্স এবং লাবনী কবলা খরিদ এবং তার পিতার অংশের প্রায় ৭ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে আসছেন। আর এস মালিক আব্দুল জব্বারের ওয়ারিশ মাইদুল ইসলাম গং ১১ শতাক জমি সর্ব পুর্ব দিকে ভোগ দখল করেন। উক্ত ২ শতাংশ জমিতে মাইদুলের শিশুপুত্র এবং তার মাতার কবর ও কিছু সুপারির গাছ রয়েছে।

 এছাড়াও  মাইদুলের  বড় ভাই জাহিদুল ইসলাম ওই অংশের বাইরেও ঘর উত্তোলন করে এবং  জমি মাপ জোকের পর তার উত্তোলিত ঘর বিক্রয় করে ঢাকায় বসবাস করছেন।  এরপরও দলবেঁধে ওই জমি দখলের অপচেষ্টা অব্যাহত রাখায় ১৪৪/ ১৪৫ ধারা জারি করা হয়।   

প্রিন্স আরও জানান, বিএনপির অন্নদানগর ইউপির সহ সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন মেম্বার এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ৬০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন এবং আরও চাঁদা দাবি অব্যাহত রেখেছেন।  বিষয়টি জানতে মোশাররফ মেম্বারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায় নি। 

 তবে, এবিষয়ে জানতে চাইলে অন্নদানগর ইউপির বিএনপির সভাপতি মো: জিল্লুর রহমান জানান, ব্যক্তির দায় দলের নয়। অপরাধী যেই হোক, আইনের উর্ধে কেউই নয়। তবে, মাইদুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান,  আমার জমি আমি ভোগ করতে পারছি না। এজন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শরণাপন্ন হয়েছি।