বিনোদন ডেস্ক
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:29 PM
থাইল্যান্ডে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মিস ইউনিভার্স ২০২৫ প্রতিযোগিতায় ফিনল্যান্ডের প্রতিনিধি সারাহ জাফস আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি শেয়ার করা হয়, যেখানে তিনি চোখের কোণ টেনে চোখ বাঁকা করার ভঙ্গি দেখিয়েছেন এবং ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এক চীনার সঙ্গে খাচ্ছি’। ছবিটি মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় ও প্রধানত চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে। চোখ বাঁকা করার ভঙ্গি পূর্ব এশীয়দের প্রতি নিন্দনীয় হিসেবে ধরা হয়।
এই ঘটনায় শুধু সারাহ নয়, সমালোচনার মুখে পড়েছে ফিনল্যান্ডের জাতীয় বিমান সংস্থা ‘ফিনএয়ার’ও। ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেত্তেরি অর্পো বিষয়টিকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং বলেছেন, ‘এধরনের আচরণ ফিনল্যান্ডের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।’
বিবিসি জানিয়েছে, এই ঘটনায় ২২ বছর বয়সী সারাহর ‘মিস ফিনল্যান্ড’ মুকুট বাতিল করা হয়েছে।
সারাহ জাফস দাবি করেছেন, ছবিতে দেখানো ভঙ্গি শুধু রাতের খাবারের সময় মাথাব্যথার কারণে হয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন, পোস্টে আপত্তিকর ক্যাপশন যোগ করা হয়েছিল তার অনুমতি ছাড়াই। এরপর ইনস্টাগ্রামে ক্ষমা চেয়ে তিনি লিখেছেন, ‘এটি অনেকের মনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। এমনটি করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। মানুষ ও তাদের সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
তবে ক্ষমা চাওয়ার পোস্টকেও সমালোচনা করা হয়েছে। পোস্টটি ফিনিশ ভাষায় হওয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে অনেকেই এর প্রেক্ষাপট বুঝতে পারছেন না। ফলে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক এখনো উত্তপ্ত রয়েছে এবং সারাহ জাফসকে নিয়ে সমালোচনা ও আলোচনা অব্যাহত।
বিনোদন ডেস্ক
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:29 PM
থাইল্যান্ডে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মিস ইউনিভার্স ২০২৫ প্রতিযোগিতায় ফিনল্যান্ডের প্রতিনিধি সারাহ জাফস আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি শেয়ার করা হয়, যেখানে তিনি চোখের কোণ টেনে চোখ বাঁকা করার ভঙ্গি দেখিয়েছেন এবং ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এক চীনার সঙ্গে খাচ্ছি’। ছবিটি মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় ও প্রধানত চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে। চোখ বাঁকা করার ভঙ্গি পূর্ব এশীয়দের প্রতি নিন্দনীয় হিসেবে ধরা হয়।
এই ঘটনায় শুধু সারাহ নয়, সমালোচনার মুখে পড়েছে ফিনল্যান্ডের জাতীয় বিমান সংস্থা ‘ফিনএয়ার’ও। ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেত্তেরি অর্পো বিষয়টিকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং বলেছেন, ‘এধরনের আচরণ ফিনল্যান্ডের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।’
বিবিসি জানিয়েছে, এই ঘটনায় ২২ বছর বয়সী সারাহর ‘মিস ফিনল্যান্ড’ মুকুট বাতিল করা হয়েছে।
সারাহ জাফস দাবি করেছেন, ছবিতে দেখানো ভঙ্গি শুধু রাতের খাবারের সময় মাথাব্যথার কারণে হয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন, পোস্টে আপত্তিকর ক্যাপশন যোগ করা হয়েছিল তার অনুমতি ছাড়াই। এরপর ইনস্টাগ্রামে ক্ষমা চেয়ে তিনি লিখেছেন, ‘এটি অনেকের মনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। এমনটি করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। মানুষ ও তাদের সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
তবে ক্ষমা চাওয়ার পোস্টকেও সমালোচনা করা হয়েছে। পোস্টটি ফিনিশ ভাষায় হওয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে অনেকেই এর প্রেক্ষাপট বুঝতে পারছেন না। ফলে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক এখনো উত্তপ্ত রয়েছে এবং সারাহ জাফসকে নিয়ে সমালোচনা ও আলোচনা অব্যাহত।