নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, 5:10 PM
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক শওকত মাহমুদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) শওকত মাহমুদকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সরকার ‘উৎখাতের ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে যে মামলায় সম্প্রতি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী গ্রেফতার হয়েছেন। সেই মামলায় শওকত মাহমুদকে গত ৬ ডিসেম্বর গ্রেফতার করা হয়। পরদিন পুলিশ তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। তবে মামলার মূল নথি না থাকায় সেদিন রিমান্ড শুনানি না হয়ে ১১ ডিসেম্বর তারিখ ধার্য করা হয়। পরে ওই দিন আদালত শওকত মাহমুদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী ১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং ২০০৪ সালে মার্কিন পাসপোর্ট লাভ করেন। বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যে অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে তিনি গত ৬ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে আসেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় আরও বলা হয়, ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিন্টো রোড এলাকায় একটি প্রাডো গাড়িতে করে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছিলেন এনায়েত করিম চৌধুরী। সন্দেহ হলে পুলিশ তার গাড়ি থামায়। জিজ্ঞাসাবাদে সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি আইফোন জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। পরে এই মামলায় জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি অংশের মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশীদসহ আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, 5:10 PM
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক শওকত মাহমুদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) শওকত মাহমুদকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সরকার ‘উৎখাতের ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে যে মামলায় সম্প্রতি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী গ্রেফতার হয়েছেন। সেই মামলায় শওকত মাহমুদকে গত ৬ ডিসেম্বর গ্রেফতার করা হয়। পরদিন পুলিশ তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। তবে মামলার মূল নথি না থাকায় সেদিন রিমান্ড শুনানি না হয়ে ১১ ডিসেম্বর তারিখ ধার্য করা হয়। পরে ওই দিন আদালত শওকত মাহমুদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী ১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং ২০০৪ সালে মার্কিন পাসপোর্ট লাভ করেন। বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যে অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে তিনি গত ৬ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে আসেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় আরও বলা হয়, ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিন্টো রোড এলাকায় একটি প্রাডো গাড়িতে করে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছিলেন এনায়েত করিম চৌধুরী। সন্দেহ হলে পুলিশ তার গাড়ি থামায়। জিজ্ঞাসাবাদে সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি আইফোন জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। পরে এই মামলায় জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি অংশের মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশীদসহ আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।