নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, 3:24 PM
বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিকের ইমামতিতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হাজারো জনতার অংশগ্রহণে হাদির জানাজা শুরু হয়।
জানাজায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতারা অংশ নেন।জানাজা শেষে ওসমান হাদির মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়ার কথা রয়েছে। সেখানেই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি চত্বরে তাকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদ।
এদিকে ওসমান হাদির জানাজাকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন ও এর আশপাশের সড়কে মোতায়েন করা হয় সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। কঠোর নিরাপত্তার চাদরে বেস্টিত সংসদ ভবন এলাকা।
এদিকে শরীফ ওসমান হাদির জানাজার পর মিছিল নিয়ে সবাইকে শাহবাগে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
তিনি বলেন, আমরা এখানে কান্না করার জন্য দাঁড়াইনি, ভাইয়ের বদলা নিতে জানাজায় দাঁড়িয়েছি।
কোনও ধরনের সহিংসতার আহ্বানে সাড়া না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জাবের বলেন, ইনকিলাব মঞ্চ থেকে সব ধরনের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
তিনি বলেন, এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও হাদির ওপর হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়নি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদাবক্স চৌধুরীকে সপ্তাহব্যাপী তাদের পদক্ষেপ সম্পর্কে জনগণকে জানানোর দাবি জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ওসমান হাদি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ দেশে আনা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, 3:24 PM
বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিকের ইমামতিতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হাজারো জনতার অংশগ্রহণে হাদির জানাজা শুরু হয়।
জানাজায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতারা অংশ নেন।জানাজা শেষে ওসমান হাদির মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়ার কথা রয়েছে। সেখানেই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি চত্বরে তাকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদ।
এদিকে ওসমান হাদির জানাজাকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন ও এর আশপাশের সড়কে মোতায়েন করা হয় সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। কঠোর নিরাপত্তার চাদরে বেস্টিত সংসদ ভবন এলাকা।
এদিকে শরীফ ওসমান হাদির জানাজার পর মিছিল নিয়ে সবাইকে শাহবাগে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
তিনি বলেন, আমরা এখানে কান্না করার জন্য দাঁড়াইনি, ভাইয়ের বদলা নিতে জানাজায় দাঁড়িয়েছি।
কোনও ধরনের সহিংসতার আহ্বানে সাড়া না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জাবের বলেন, ইনকিলাব মঞ্চ থেকে সব ধরনের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
তিনি বলেন, এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও হাদির ওপর হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়নি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদাবক্স চৌধুরীকে সপ্তাহব্যাপী তাদের পদক্ষেপ সম্পর্কে জনগণকে জানানোর দাবি জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ওসমান হাদি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ দেশে আনা হয়।