CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

পোশাক শ্রমিক দিপুকে হত্যা ও মরদেহ পোড়ানোয় সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদের নিন্দা

#
news image

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে নৃশংসভাবে নির্যাতন, হত্যা এবং পরবর্তীতে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মৃতদেহ পুড়িয়ে দেওয়ার বর্বরোচিত ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শ্রম সংস্কার কমিশন-২০২৪-এর প্রধান এবং বিলস (BILS) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে মানবাধিকার ও শ্রম অধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেন।
সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ বলেন, এই বর্বর হত্যাকাণ্ড কেবল একজন শ্রমিকের জীবন কেড়ে নেওয়া নয়, বরং এটি দেশের শ্রম অধিকার, মানবাধিকার এবং বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুতর সতর্ক সংকেত। তিনি এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকলকে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের অধীনে নেওয়ার জন্য তিনি সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
 ঘটনার পেছনে কারখানা কর্তৃপক্ষের কোনো গাফেলতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখে দায়ী ব্যক্তিদেরও শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।
 আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করার জন্য তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে র‍্যাবের তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
সমাজে ক্রমবর্ধমান এই ধরনের নৃশংসতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে শক্ত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নাগরিক সমাজ, সাংস্কৃতিক কর্মী, মানবাধিকার সংগঠন এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগে ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয় এবং পরে তার পরিচয় ও তথ্য গোপন করতে মৃতদেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধানের এই বক্তব্য শ্রমিক সমাজের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫,  4:01 PM

news image

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে নৃশংসভাবে নির্যাতন, হত্যা এবং পরবর্তীতে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মৃতদেহ পুড়িয়ে দেওয়ার বর্বরোচিত ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শ্রম সংস্কার কমিশন-২০২৪-এর প্রধান এবং বিলস (BILS) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে মানবাধিকার ও শ্রম অধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেন।
সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ বলেন, এই বর্বর হত্যাকাণ্ড কেবল একজন শ্রমিকের জীবন কেড়ে নেওয়া নয়, বরং এটি দেশের শ্রম অধিকার, মানবাধিকার এবং বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুতর সতর্ক সংকেত। তিনি এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকলকে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের অধীনে নেওয়ার জন্য তিনি সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
 ঘটনার পেছনে কারখানা কর্তৃপক্ষের কোনো গাফেলতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখে দায়ী ব্যক্তিদেরও শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।
 আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করার জন্য তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে র‍্যাবের তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
সমাজে ক্রমবর্ধমান এই ধরনের নৃশংসতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে শক্ত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নাগরিক সমাজ, সাংস্কৃতিক কর্মী, মানবাধিকার সংগঠন এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগে ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয় এবং পরে তার পরিচয় ও তথ্য গোপন করতে মৃতদেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধানের এই বক্তব্য শ্রমিক সমাজের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে।