নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:30 PM
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে সাব-কন্ট্রাক্টর প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৯০ কোটি টাকা বকেয়া পরিশোধ না করা এবং প্রতারণার মামলায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এডিসি (ADC)-এর দুই কর্মকর্তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন বাতিল করে এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালত আজ যে দুই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন তারা হলেন: হিসক কিম (কোরিয়ান নাগরিক) মো. সায়েম চৌধুরী (বাংলাদেশি নাগরিক)
এছাড়াও এই মামলায় জড়িত আরও তিন কোরিয়ান নাগরিকের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পরোয়ানাভুক্তরা হলেন— কিউংজু কাং, ইর্য়কওয়ান চোই ও জুয়োক ইয়াং।
সাব-কন্ট্রাক্টর প্রতিষ্ঠান ‘প্লিয়াডিস কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড কনসাল্টিং লিমিটেড’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জুবায়ের আখতার চৌধুরী বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলার নথি অনুযায়ী অভিযোগসমূহ হলো:
বিশাল কাজের পরিধি: প্লিয়াডিস কনস্ট্রাকশন থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের মাল্টি-লেভেল কার পার্কিং (MLCP), এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট কার্গো টার্মিনাল, জেনারেটর হাউস, এসটিপি এবং সাবস্টেশনসহ মূল ভবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করে।
বকেয়া পাওনা: চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত কাজ করানো হলেও মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এডিসি দীর্ঘ সময় ধরে পাওনা প্রায় ৯০ কোটি টাকা পরিশোধ করেনি।
প্রতারণার অভিযোগ: বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও অর্থ না দিয়ে বরং প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ায় বাদী আদালতের শরণাপন্ন হন।
আজ আসামিরা আদালতে উপস্থিত হয়ে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের পূর্ববর্তী জামিন নামঞ্জুর করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের মতো মেগা প্রজেক্টে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত এই ধরনের আইনি জটিলতা ও কর্মকর্তাদের কারাবাসের ঘটনা সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:30 PM
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে সাব-কন্ট্রাক্টর প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৯০ কোটি টাকা বকেয়া পরিশোধ না করা এবং প্রতারণার মামলায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এডিসি (ADC)-এর দুই কর্মকর্তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন বাতিল করে এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালত আজ যে দুই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন তারা হলেন: হিসক কিম (কোরিয়ান নাগরিক) মো. সায়েম চৌধুরী (বাংলাদেশি নাগরিক)
এছাড়াও এই মামলায় জড়িত আরও তিন কোরিয়ান নাগরিকের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পরোয়ানাভুক্তরা হলেন— কিউংজু কাং, ইর্য়কওয়ান চোই ও জুয়োক ইয়াং।
সাব-কন্ট্রাক্টর প্রতিষ্ঠান ‘প্লিয়াডিস কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড কনসাল্টিং লিমিটেড’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জুবায়ের আখতার চৌধুরী বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলার নথি অনুযায়ী অভিযোগসমূহ হলো:
বিশাল কাজের পরিধি: প্লিয়াডিস কনস্ট্রাকশন থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের মাল্টি-লেভেল কার পার্কিং (MLCP), এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট কার্গো টার্মিনাল, জেনারেটর হাউস, এসটিপি এবং সাবস্টেশনসহ মূল ভবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করে।
বকেয়া পাওনা: চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত কাজ করানো হলেও মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এডিসি দীর্ঘ সময় ধরে পাওনা প্রায় ৯০ কোটি টাকা পরিশোধ করেনি।
প্রতারণার অভিযোগ: বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও অর্থ না দিয়ে বরং প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ায় বাদী আদালতের শরণাপন্ন হন।
আজ আসামিরা আদালতে উপস্থিত হয়ে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের পূর্ববর্তী জামিন নামঞ্জুর করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের মতো মেগা প্রজেক্টে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত এই ধরনের আইনি জটিলতা ও কর্মকর্তাদের কারাবাসের ঘটনা সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।