CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০২ জানুয়ারি, ২০২৬

বিএনপি’র কাছে ১৫ দফা ‘শ্রমিক ইশতেহার’ হস্তান্তর

#
news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে শ্রমজীবী মানুষের প্রত্যাশা তুলে ধরতে ‘শ্রমিক ইশতেহার’ হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর নিকট এই ইশতেহার তুলে দেয় ‘শ্রমিক অধিকার জাতীয় এডভোকেসি এলায়েন্স’।
ইশতেহারের বিষয়: শ্রমিকের মর্যাদা, অধিকার ও সুরক্ষার মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে ১৫ দফা সুপারিশমালা।
এলায়েন্সের আহ্বায়ক ও বিল্‌স মহাসচিব নজরুল ইসলাম খান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মেসবাহউদ্দীন আহমেদ এবং সদস্য সচিব ও শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ।
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে দলীয় নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করার আশ্বাস দেন। তিনি অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে শ্রমিক সংগঠনগুলোকে আরও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
এই ইশতেহারের মূল উদ্দেশ্য হলো ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করা, যাতে তারা তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকারে শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ রক্ষা করে। সুপারিশমালার প্রধান লক্ষ্যগুলো হলো:

শ্রমিকদের মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

আইনি সংস্কারের মাধ্যমে শ্রম অধিকারের সুরক্ষা।

শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
এই সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন ও শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরামের (এসএনএফ) নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ছিলেন:
আনোয়ার হোসাইন (সভাপতি, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল)
রাজেকুজ্জামান রতন (সভাপতি, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট)
আবুল কালাম আজাদ (যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র)
সাইফুজ্জামান বাদশা (সভাপতি, জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশ)
সাকিল আখতার চৌধুরী (সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন)
কোহিনূর মাহমুদ ও মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (বিলস প্রতিনিধি)।
এলায়েন্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিএনপি’র মাধ্যমে এই যাত্রা শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য বড় রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজের কাছেও এই ‘শ্রমিক ইশতেহার’ পৌঁছে দেওয়া হবে। শ্রমজীবী মানুষের কণ্ঠস্বরকে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়াই এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫,  5:14 PM

news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে শ্রমজীবী মানুষের প্রত্যাশা তুলে ধরতে ‘শ্রমিক ইশতেহার’ হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর নিকট এই ইশতেহার তুলে দেয় ‘শ্রমিক অধিকার জাতীয় এডভোকেসি এলায়েন্স’।
ইশতেহারের বিষয়: শ্রমিকের মর্যাদা, অধিকার ও সুরক্ষার মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে ১৫ দফা সুপারিশমালা।
এলায়েন্সের আহ্বায়ক ও বিল্‌স মহাসচিব নজরুল ইসলাম খান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মেসবাহউদ্দীন আহমেদ এবং সদস্য সচিব ও শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ।
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে দলীয় নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করার আশ্বাস দেন। তিনি অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে শ্রমিক সংগঠনগুলোকে আরও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
এই ইশতেহারের মূল উদ্দেশ্য হলো ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করা, যাতে তারা তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকারে শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ রক্ষা করে। সুপারিশমালার প্রধান লক্ষ্যগুলো হলো:

শ্রমিকদের মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

আইনি সংস্কারের মাধ্যমে শ্রম অধিকারের সুরক্ষা।

শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
এই সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন ও শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরামের (এসএনএফ) নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ছিলেন:
আনোয়ার হোসাইন (সভাপতি, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল)
রাজেকুজ্জামান রতন (সভাপতি, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট)
আবুল কালাম আজাদ (যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র)
সাইফুজ্জামান বাদশা (সভাপতি, জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশ)
সাকিল আখতার চৌধুরী (সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন)
কোহিনূর মাহমুদ ও মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (বিলস প্রতিনিধি)।
এলায়েন্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিএনপি’র মাধ্যমে এই যাত্রা শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য বড় রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজের কাছেও এই ‘শ্রমিক ইশতেহার’ পৌঁছে দেওয়া হবে। শ্রমজীবী মানুষের কণ্ঠস্বরকে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়াই এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।