CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০২ জানুয়ারি, ২০২৬

রংপুরে ভোট দেবে ১লাখ ৬৬হাজার ৬৯৭জন নতুন ভোটার

#
news image

রংপুরে তৃতীয় লিঙ্গ সহ নতুন ভোটার বেড়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৭জন। এরমধ্যে  তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারও রয়েছে ৭ জন। ৬টি আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এবারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন ভোটাররা নতুন আমেজে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এসব নতুন ভোটাররা কখনও ভোট দেওয়ার জন্য এর আগে ভোটারের সারিতে দাঁড়ায়নি।

রংপুর জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, এর আগে,রংপুরের ৬টি আসনে মোট ভোটার ছিল ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৫০৫ জন। 

৮৫৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে নারী ভোটার ছিলেন ১২ লাখ ২০ হাজার ৩৯৪জন।  পুরুষ ভোটার ছিল ১২ লাখ ১২ হাজার ৮৭। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ছিল ২৪ জন। 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চিত্র পাল্টে গেছে। এবার মোট ভোটার ২৫ লাখ ৯৯ হাজারের বেশি। নারী ভোটার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৬ হাজার ৩৩৩ জনে, পুরুষ ১২ লাখ ৯২ হাজার ৮৩৮ জন, তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩১ জন। কেন্দ্রও বেড়েছে, এখন ৮৭৩টি।

রংপুর-১ ( গঙ্গাচড়া) আসনে এসেছে ভৌগোলিক পরিবর্তন। গঙ্গাচড়া ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে ৯ নম্বর ওয়ার্ড। এতে ভোটার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ লাখ ৭৫ 
হাজার ২২৭জন। বৃদ্ধি পেয়েছে৪৩ হাজার ৮জন ভোটার। সেই সাথে কেন্দ্র বেড়েছে ১৩৯টি।

রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনে ভোটার বেড়েছে ২৩ হাজার ৮৭৫ জন। মোট ভোটার এখন ৩ লাখ ৮০ হাজার ৯২১। কেন্দ্র ১৩৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৩৭টি।

রংপুর-৩ (সদর ও সিটি করপোরেশন) সবচেয়ে বড় আসনগুলোর একটি। সদর উপজেলার পাঁচ ইউনিয়ন, সিটি কর্পোরেশনের ১০ থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড এবং ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড নিয়ে গঠিত এই আসনে ভোটার বেড়েছে ১০ হাজার ৪৫৬ জন। তবে, এখানে এক ব্যতিক্রম,ভোটকেন্দ্র কমে হয়েছে ১৬৯টি।

রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ভোটার সংখ্যা বেড়েছে ৩১ হাজার ৫২৩ জন। কেন্দ্র সংখ্যা ১৬৩টি,  অপরিবর্তিত রয়েছে। 

রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৫৪ জন। কেন্দ্র বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫২টি।

রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে ভোটার বেড়েছে ২৫ হাজার ৯৮১ জন। কেন্দ্র এখন ১১৩টি।

নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, এই বৃদ্ধির পেছনে আছে দুটি কারণ,বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং অনলাইনে নিবন্ধনের সুযোগ। একই সঙ্গে বাদ দেওয়া হয়েছে মৃত ভোটারদের নাম। অর্থাৎ তালিকা শুধু বড় হয়নি, হয়েছে তুলনামূলকভাবে আরও পরিশুদ্ধ। তবে, প্রশ্ন থেকে যায়,এই নতুন ভোটাররা কি শুধু সংখ্যায় যুক্ত হবে, নাকি তারা বদলে দেবে ভোটের ভাষা? তরুণদের এই ঢেউ কি কেবল তালিকায় সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি ব্যালট বাক্সে গিয়ে তার প্রতিফলন ঘটাবে?

মোস্তাফিজার বাবলু,রংপুর অফিস

২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫,  4:03 PM

news image

রংপুরে তৃতীয় লিঙ্গ সহ নতুন ভোটার বেড়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৭জন। এরমধ্যে  তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারও রয়েছে ৭ জন। ৬টি আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এবারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন ভোটাররা নতুন আমেজে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এসব নতুন ভোটাররা কখনও ভোট দেওয়ার জন্য এর আগে ভোটারের সারিতে দাঁড়ায়নি।

রংপুর জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, এর আগে,রংপুরের ৬টি আসনে মোট ভোটার ছিল ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৫০৫ জন। 

৮৫৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে নারী ভোটার ছিলেন ১২ লাখ ২০ হাজার ৩৯৪জন।  পুরুষ ভোটার ছিল ১২ লাখ ১২ হাজার ৮৭। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ছিল ২৪ জন। 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চিত্র পাল্টে গেছে। এবার মোট ভোটার ২৫ লাখ ৯৯ হাজারের বেশি। নারী ভোটার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৬ হাজার ৩৩৩ জনে, পুরুষ ১২ লাখ ৯২ হাজার ৮৩৮ জন, তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩১ জন। কেন্দ্রও বেড়েছে, এখন ৮৭৩টি।

রংপুর-১ ( গঙ্গাচড়া) আসনে এসেছে ভৌগোলিক পরিবর্তন। গঙ্গাচড়া ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে ৯ নম্বর ওয়ার্ড। এতে ভোটার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ লাখ ৭৫ 
হাজার ২২৭জন। বৃদ্ধি পেয়েছে৪৩ হাজার ৮জন ভোটার। সেই সাথে কেন্দ্র বেড়েছে ১৩৯টি।

রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনে ভোটার বেড়েছে ২৩ হাজার ৮৭৫ জন। মোট ভোটার এখন ৩ লাখ ৮০ হাজার ৯২১। কেন্দ্র ১৩৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৩৭টি।

রংপুর-৩ (সদর ও সিটি করপোরেশন) সবচেয়ে বড় আসনগুলোর একটি। সদর উপজেলার পাঁচ ইউনিয়ন, সিটি কর্পোরেশনের ১০ থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড এবং ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড নিয়ে গঠিত এই আসনে ভোটার বেড়েছে ১০ হাজার ৪৫৬ জন। তবে, এখানে এক ব্যতিক্রম,ভোটকেন্দ্র কমে হয়েছে ১৬৯টি।

রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ভোটার সংখ্যা বেড়েছে ৩১ হাজার ৫২৩ জন। কেন্দ্র সংখ্যা ১৬৩টি,  অপরিবর্তিত রয়েছে। 

রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৫৪ জন। কেন্দ্র বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫২টি।

রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে ভোটার বেড়েছে ২৫ হাজার ৯৮১ জন। কেন্দ্র এখন ১১৩টি।

নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, এই বৃদ্ধির পেছনে আছে দুটি কারণ,বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং অনলাইনে নিবন্ধনের সুযোগ। একই সঙ্গে বাদ দেওয়া হয়েছে মৃত ভোটারদের নাম। অর্থাৎ তালিকা শুধু বড় হয়নি, হয়েছে তুলনামূলকভাবে আরও পরিশুদ্ধ। তবে, প্রশ্ন থেকে যায়,এই নতুন ভোটাররা কি শুধু সংখ্যায় যুক্ত হবে, নাকি তারা বদলে দেবে ভোটের ভাষা? তরুণদের এই ঢেউ কি কেবল তালিকায় সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি ব্যালট বাক্সে গিয়ে তার প্রতিফলন ঘটাবে?