মোস্তাফিজার বাবলু, রংপুর অফিস
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, 3:56 PM
রংপুর বিভাগের ইটভাটা গুলো গিলে খাচ্ছে ফসলি জমির উর্বর মাটি। প্রকাশ্যে ড্রেজার মেশিন দিয়ে সংঘবদ্ধ চক্র গুলো মাটি উত্তোলন করে ইটভাটায় বিক্রয় করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এতে একদিকে, মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ফসলি জমি। অপরদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের সড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে, যোগাযোগ ব্যবস্থার মারাত্মক বিঘ্নতা ঘটেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রংপুর বিভাগের রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় গড়ে উঠেছে ১০৩৭টি ইটভাটা। এরমধ্যে বৈধ ইটভাটা ১৯৬ টি হলেও অবৈধ ইটভাটা রয়েছে ৮৪১টি। রংপুরের ২১৬ টি ইটভাটার মধ্যে ৩৫টি ইটভাটার ছাড়পত্র রয়েছে।
এসব ইটভাটার মালিকগণ প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে মাটি পোড়ানো লাভজনক ব্যবসা।
পীরগাছা উপজেলার অন্নদানগর ইউনিয়নের জুয়ান খা মুন্সী পাড়া গ্রামের একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রতি দোন( ২৪ শতাংশ) জমির মাটি ২০ হাজার টাকা দরে গৃহস্থদের নিকট থেকে ক্রয় করে থাকেন সংঘবদ্ধ অসাদু চক্র।
তারপর, ওই জমি থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি উত্তোলন করে ইটভাটার মালিকদের নিকট অবাধে বিক্রয় করছে। ইটাকুমারী ইউনিয়নের কামদেব এলাকার একাধিক গ্রামবাসী একই কথা জানালেন।
বদরগঞ্জের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের হাজিপুর তাতীপাড়ার গোলাপি রানী, পরিমল চন্দ্র ও সাজেদুল ইসলাম জানান, ফসলি জমির মাটি উত্তোলন ও পরিবহন যোগে ইটভাটায় নেওয়া হয়। এতে রাস্তা ঘাট খানাখন্দের সৃষ্টি হচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় ছেলে মেয়েদের বিয়ে দিতে হিমসিম খেতে হয়।
তবে, সচেতন মহলের দাবি, অজ্ঞাত কারণে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ এসব জেনেও নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন।
এবিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
মোস্তাফিজার বাবলু, রংপুর অফিস
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, 3:56 PM
রংপুর বিভাগের ইটভাটা গুলো গিলে খাচ্ছে ফসলি জমির উর্বর মাটি। প্রকাশ্যে ড্রেজার মেশিন দিয়ে সংঘবদ্ধ চক্র গুলো মাটি উত্তোলন করে ইটভাটায় বিক্রয় করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এতে একদিকে, মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ফসলি জমি। অপরদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের সড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে, যোগাযোগ ব্যবস্থার মারাত্মক বিঘ্নতা ঘটেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রংপুর বিভাগের রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় গড়ে উঠেছে ১০৩৭টি ইটভাটা। এরমধ্যে বৈধ ইটভাটা ১৯৬ টি হলেও অবৈধ ইটভাটা রয়েছে ৮৪১টি। রংপুরের ২১৬ টি ইটভাটার মধ্যে ৩৫টি ইটভাটার ছাড়পত্র রয়েছে।
এসব ইটভাটার মালিকগণ প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে মাটি পোড়ানো লাভজনক ব্যবসা।
পীরগাছা উপজেলার অন্নদানগর ইউনিয়নের জুয়ান খা মুন্সী পাড়া গ্রামের একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রতি দোন( ২৪ শতাংশ) জমির মাটি ২০ হাজার টাকা দরে গৃহস্থদের নিকট থেকে ক্রয় করে থাকেন সংঘবদ্ধ অসাদু চক্র।
তারপর, ওই জমি থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি উত্তোলন করে ইটভাটার মালিকদের নিকট অবাধে বিক্রয় করছে। ইটাকুমারী ইউনিয়নের কামদেব এলাকার একাধিক গ্রামবাসী একই কথা জানালেন।
বদরগঞ্জের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের হাজিপুর তাতীপাড়ার গোলাপি রানী, পরিমল চন্দ্র ও সাজেদুল ইসলাম জানান, ফসলি জমির মাটি উত্তোলন ও পরিবহন যোগে ইটভাটায় নেওয়া হয়। এতে রাস্তা ঘাট খানাখন্দের সৃষ্টি হচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় ছেলে মেয়েদের বিয়ে দিতে হিমসিম খেতে হয়।
তবে, সচেতন মহলের দাবি, অজ্ঞাত কারণে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ এসব জেনেও নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন।
এবিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।