ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:15 PM
ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু চন্দ্র দাসকে (২৮) পিটিয়ে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার মামলায় আরও ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মোট ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ছয় জন ভুক্তভোগীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিতে বাধ্য করে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা পুলিশের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ওই দিন মধ্যরাতে ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের কাশর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয় আসামিকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
গ্রেফতাররা হলেন- সুনামগঞ্জের তাকবির (২২), ঠাকুরগাঁওয়ের রুহুল আমিন (৪২), ময়মনসিংহ সদরের নূর আলম (৩৩), তারাকান্দা উপজেলার শামীম মিয়া (২৮), নোয়াখালীর সেলিম মিয়া (২২) ও মাদারীপুরের মাসুম খালাসী (২৩)।
এর আগে গ্রেফতার ১২ আসামি হলেন- আশিকুর রহমান (২৫) কাইয়ুম (২৫), লিমন সরকার (১৯), তারেক হোসেন (১৯), মানিক মিয়া (২০), এরশাদ আলী (৩৯), নিজুম উদ্দিন (২০), আলমগীর হোসেন (৩৮), মিরাজ হোসেন আকন (৪৬), আজমল হাসান সগীর (২৬), শাহিন মিয়া (১৯) ও নাজমুল (২১)।
গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকালে নিহতের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১৫০/১৬০ জনকে আসামি করে ভালুকা থানায় মামলা করেন। মামলার পর উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মোট ১৮ জনকে গ্রেফতার করে র্যাব-পুলিশ।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গ্রেফতার ছয় আসামি ফ্যাক্টরির ভেতরে উপস্থিত কর্মচারীদের উসকানি, স্লোগান দিয়ে ফ্যাক্টরির বাইরে ছড়িয়ে দেওয়া এবং দিপুকে চাকরিচ্যুতির জন্য চাপ সৃষ্টি করে। কেন ওই যুবককে পুলিশের হাতে না দিয়ে জনতার হাতে তুলে দেওয়া হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
গত ১৮ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাতে ভালুকার জামিরদিয়া এলাকার পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস বিডি লিমিটেড কারখানায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপুকে গণপিটুনি দেয় উত্তেজিত জনতা। পরে তার লাশ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে রাত আড়াইটার দিকে অর্ধপোড়া লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:15 PM
ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু চন্দ্র দাসকে (২৮) পিটিয়ে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার মামলায় আরও ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মোট ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ছয় জন ভুক্তভোগীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিতে বাধ্য করে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা পুলিশের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ওই দিন মধ্যরাতে ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের কাশর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয় আসামিকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
গ্রেফতাররা হলেন- সুনামগঞ্জের তাকবির (২২), ঠাকুরগাঁওয়ের রুহুল আমিন (৪২), ময়মনসিংহ সদরের নূর আলম (৩৩), তারাকান্দা উপজেলার শামীম মিয়া (২৮), নোয়াখালীর সেলিম মিয়া (২২) ও মাদারীপুরের মাসুম খালাসী (২৩)।
এর আগে গ্রেফতার ১২ আসামি হলেন- আশিকুর রহমান (২৫) কাইয়ুম (২৫), লিমন সরকার (১৯), তারেক হোসেন (১৯), মানিক মিয়া (২০), এরশাদ আলী (৩৯), নিজুম উদ্দিন (২০), আলমগীর হোসেন (৩৮), মিরাজ হোসেন আকন (৪৬), আজমল হাসান সগীর (২৬), শাহিন মিয়া (১৯) ও নাজমুল (২১)।
গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকালে নিহতের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১৫০/১৬০ জনকে আসামি করে ভালুকা থানায় মামলা করেন। মামলার পর উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মোট ১৮ জনকে গ্রেফতার করে র্যাব-পুলিশ।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গ্রেফতার ছয় আসামি ফ্যাক্টরির ভেতরে উপস্থিত কর্মচারীদের উসকানি, স্লোগান দিয়ে ফ্যাক্টরির বাইরে ছড়িয়ে দেওয়া এবং দিপুকে চাকরিচ্যুতির জন্য চাপ সৃষ্টি করে। কেন ওই যুবককে পুলিশের হাতে না দিয়ে জনতার হাতে তুলে দেওয়া হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
গত ১৮ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাতে ভালুকার জামিরদিয়া এলাকার পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস বিডি লিমিটেড কারখানায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপুকে গণপিটুনি দেয় উত্তেজিত জনতা। পরে তার লাশ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে রাত আড়াইটার দিকে অর্ধপোড়া লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।