নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:59 PM
দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানদেশে ফিরেছেন। তাকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও ফ্রন্টের মুখপাত্র এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে জাতীয় পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে যে গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটাধিকার ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার জন্য আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে আসছে, বিশেষত ২৪ এর গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য সব গণতান্ত্রিক শক্তির সম্মিলিত চেষ্টা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।
নেতারা আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের পথে একটি ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়ক হবে এবং তিনি জনগণের ন্যায্য আকাঙ্ক্ষা পূরণে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গঠনমূলক ভূমিকা রাখবেন।
নেতারা আরও বলেন, জাতীয় স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংযম, ধৈর্য্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সংলাপের মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক ও জনগণের আস্থাভাজন রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলাই আজ সময়ের দাবি।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:59 PM
দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানদেশে ফিরেছেন। তাকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও ফ্রন্টের মুখপাত্র এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে জাতীয় পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে যে গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটাধিকার ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার জন্য আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে আসছে, বিশেষত ২৪ এর গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য সব গণতান্ত্রিক শক্তির সম্মিলিত চেষ্টা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।
নেতারা আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের পথে একটি ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়ক হবে এবং তিনি জনগণের ন্যায্য আকাঙ্ক্ষা পূরণে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গঠনমূলক ভূমিকা রাখবেন।
নেতারা আরও বলেন, জাতীয় স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংযম, ধৈর্য্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সংলাপের মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক ও জনগণের আস্থাভাজন রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলাই আজ সময়ের দাবি।