নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, 2:34 PM
নেত্রীকে ‘একটু বেশি কদর করতেন’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপিনেত্রী খালেদা জিয়া গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে দেশে কার্যত নেতৃত্বে ছিলেন মির্জা ফখরুল। লন্ডনে তখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুজনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিতর্কহীনভাবে এগিয়ে নিয়েছেন দলীয় কার্যক্রম।
গ্রেফতারের পর থেকেই নিয়মিত বেগম জিয়ার সঙ্গে পরামর্শ ও নির্দেশনার মধ্য দিয়ে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মির্জা ফখরুল। এ বিষয়টি তিনি ঘরোয়া পরিবেশেও উল্লেখ করে থাকেন আলাপে। বেগম খালেদা জিয়াকে তিনি গণতন্ত্রের মাতা হিসেবে প্রতিটি ভাষণেই উল্লেখ করেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর এভারকেয়ারে সেই নেত্রীর প্রয়াণের খবর নিয়ে এসে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মির্জা ফখরুল।
সাংবাদিকদের সামনে ধীরভাষ্যে সালাম দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সংবাদটি নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়াতে হবে আমরা কখনও ভাবিনি। আমরা এবারও আশা করছিলাম তিনি আবারও আগের মতো সুস্থ হয়ে যাবেন... কণ্ঠ ভারী হয়ে উঠে মির্জার, চোখে জল আসে। একটু থেমে জড়তাকণ্ঠে আবার বলেন, ‘আজ ভোর ছয়টায় আমাদের গণতন্ত্রের মা, আমাদের অভিভাবক, (ফুপিয়ে উঠেন মির্জা ফখরুল) আমাদের জাতীয় অভিভাবক, আমাদেরকে ছেড়ে চলে গেছেন। ইন্নারিল্লাহি ওইন্না ইয়াইহি রাজিউন।’
‘এই শোক, এই ক্ষতি, অপূরণীয়। এ জাতি এটা কোনোদিন পূরণ করতে পারবে না। যে নেত্রী তার সারাটা জীবন জনগণের অধিকারের জন্য, কল্যাণের জন্য, তার সমগ্র জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। সেই নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে নেই, আমরা যারা তার রাজনৈতিক কর্মী, আমরা তা ভাবতে পারি না।’
মির্জা ফখরুল নিজেকে সামলে নিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো। শুধু তাই নয়, গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও একটি বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো।’
এরপর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন। তিনিও ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েন কথা বলতে গিয়ে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে একে-একে সিনিয়রনেতারা এভারকেয়ারে আসেন। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে ইন্তেকাল করেন খালেদা জিয়া।
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, 2:34 PM
নেত্রীকে ‘একটু বেশি কদর করতেন’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপিনেত্রী খালেদা জিয়া গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে দেশে কার্যত নেতৃত্বে ছিলেন মির্জা ফখরুল। লন্ডনে তখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুজনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিতর্কহীনভাবে এগিয়ে নিয়েছেন দলীয় কার্যক্রম।
গ্রেফতারের পর থেকেই নিয়মিত বেগম জিয়ার সঙ্গে পরামর্শ ও নির্দেশনার মধ্য দিয়ে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মির্জা ফখরুল। এ বিষয়টি তিনি ঘরোয়া পরিবেশেও উল্লেখ করে থাকেন আলাপে। বেগম খালেদা জিয়াকে তিনি গণতন্ত্রের মাতা হিসেবে প্রতিটি ভাষণেই উল্লেখ করেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর এভারকেয়ারে সেই নেত্রীর প্রয়াণের খবর নিয়ে এসে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মির্জা ফখরুল।
সাংবাদিকদের সামনে ধীরভাষ্যে সালাম দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সংবাদটি নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়াতে হবে আমরা কখনও ভাবিনি। আমরা এবারও আশা করছিলাম তিনি আবারও আগের মতো সুস্থ হয়ে যাবেন... কণ্ঠ ভারী হয়ে উঠে মির্জার, চোখে জল আসে। একটু থেমে জড়তাকণ্ঠে আবার বলেন, ‘আজ ভোর ছয়টায় আমাদের গণতন্ত্রের মা, আমাদের অভিভাবক, (ফুপিয়ে উঠেন মির্জা ফখরুল) আমাদের জাতীয় অভিভাবক, আমাদেরকে ছেড়ে চলে গেছেন। ইন্নারিল্লাহি ওইন্না ইয়াইহি রাজিউন।’
‘এই শোক, এই ক্ষতি, অপূরণীয়। এ জাতি এটা কোনোদিন পূরণ করতে পারবে না। যে নেত্রী তার সারাটা জীবন জনগণের অধিকারের জন্য, কল্যাণের জন্য, তার সমগ্র জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। সেই নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে নেই, আমরা যারা তার রাজনৈতিক কর্মী, আমরা তা ভাবতে পারি না।’
মির্জা ফখরুল নিজেকে সামলে নিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো। শুধু তাই নয়, গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও একটি বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো।’
এরপর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন। তিনিও ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েন কথা বলতে গিয়ে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে একে-একে সিনিয়রনেতারা এভারকেয়ারে আসেন। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে ইন্তেকাল করেন খালেদা জিয়া।