নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, 3:05 PM
নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে শুরু হচ্ছে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৬। আগামী ১ জানুয়ারি সকাল ১০টায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস মাসব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মেলার সার্বিক প্রস্তুতি তুলে ধরেন। এ সময় ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান হাসান আরিফ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুর রহিম খান ও ইপিবির মহাপরিচালক বেবি রাণী কর্মকার উপস্থিত ছিলেন।
এবারের মেলার অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ স্কয়ার’। এখানে ৫২-এর ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মরণে স্থিরচিত্র প্রদর্শনী থাকবে। এছাড়া রপ্তানি খাতের সক্ষমতা তুলে ধরতে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ ‘এক্সপোর্ট এনক্লেভ’।
দর্শনার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে বিআরটিসির ২০০টির বেশি শাটল বাস নিয়মিত চলাচল করবে। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে ভাড়া ৪০ টাকা, ফার্মগেট (খেজুরবাগান-খামারবাড়ি) থেকে ৭০ টাকা, নারায়ণগঞ্জ (চাষাড়া) থেকে ১২০ টাকা, মুক্তারপুর থেকে ১৩০ টাকা, নরসিংদী থেকে ১০০ টাকা এবং মেলা প্রাঙ্গণ থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত জনপ্রতি ভাড়া ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত শাটল বাসগুলো চলাচল করবে। এছাড়া বিআরটিসির পাশাপাশি রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ‘পাঠাও’ সাশ্রয়ী মূল্যে যাতায়াত সেবা প্রদান করবে।
মেলায় টিকিটের মূল্য: প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা এবং ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য ২৫ টাকা। মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী এবং জুলাই আন্দোলনে আহতরা কার্ড প্রদর্শন করে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। এবারও লাইনে দাঁড়ানো এড়াতে ‘ই-টিকিটিং’ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে।
মেলায় দেশি বস্ত্র, মেশিনারিজ, কার্পেট, কসমেটিক্স অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহসামগ্রী, চামড়া বা আর্টিফিশিয়াল চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ফাস্টফুড, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকোর ইত্যাদি পণ্য প্রদর্শিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
এবারের মেলাকে সম্পূর্ণ পলিথিন ও সিংগেল ইউজ প্লাস্টিকমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ সরবরাহ করা হবে। মেলায় খাদ্যদ্রব্যের মান নিয়ন্ত্রণে এবং ভোক্তা অধিকার রক্ষায় প্রতিদিন ভেজালবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।
উল্লেখ্য, দেশীয় পণ্যের প্রচার ও বিপণনের লক্ষ্যে ১৯৯৫ সাল থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করে আসছে। এবারের মেলায় ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুরসহ ৬টি দেশের ১১টি বিদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, 3:05 PM
নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে শুরু হচ্ছে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৬। আগামী ১ জানুয়ারি সকাল ১০টায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস মাসব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মেলার সার্বিক প্রস্তুতি তুলে ধরেন। এ সময় ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান হাসান আরিফ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুর রহিম খান ও ইপিবির মহাপরিচালক বেবি রাণী কর্মকার উপস্থিত ছিলেন।
এবারের মেলার অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ স্কয়ার’। এখানে ৫২-এর ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মরণে স্থিরচিত্র প্রদর্শনী থাকবে। এছাড়া রপ্তানি খাতের সক্ষমতা তুলে ধরতে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ ‘এক্সপোর্ট এনক্লেভ’।
দর্শনার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে বিআরটিসির ২০০টির বেশি শাটল বাস নিয়মিত চলাচল করবে। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে ভাড়া ৪০ টাকা, ফার্মগেট (খেজুরবাগান-খামারবাড়ি) থেকে ৭০ টাকা, নারায়ণগঞ্জ (চাষাড়া) থেকে ১২০ টাকা, মুক্তারপুর থেকে ১৩০ টাকা, নরসিংদী থেকে ১০০ টাকা এবং মেলা প্রাঙ্গণ থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত জনপ্রতি ভাড়া ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত শাটল বাসগুলো চলাচল করবে। এছাড়া বিআরটিসির পাশাপাশি রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ‘পাঠাও’ সাশ্রয়ী মূল্যে যাতায়াত সেবা প্রদান করবে।
মেলায় টিকিটের মূল্য: প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা এবং ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য ২৫ টাকা। মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী এবং জুলাই আন্দোলনে আহতরা কার্ড প্রদর্শন করে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। এবারও লাইনে দাঁড়ানো এড়াতে ‘ই-টিকিটিং’ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে।
মেলায় দেশি বস্ত্র, মেশিনারিজ, কার্পেট, কসমেটিক্স অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহসামগ্রী, চামড়া বা আর্টিফিশিয়াল চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ফাস্টফুড, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকোর ইত্যাদি পণ্য প্রদর্শিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
এবারের মেলাকে সম্পূর্ণ পলিথিন ও সিংগেল ইউজ প্লাস্টিকমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ সরবরাহ করা হবে। মেলায় খাদ্যদ্রব্যের মান নিয়ন্ত্রণে এবং ভোক্তা অধিকার রক্ষায় প্রতিদিন ভেজালবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।
উল্লেখ্য, দেশীয় পণ্যের প্রচার ও বিপণনের লক্ষ্যে ১৯৯৫ সাল থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করে আসছে। এবারের মেলায় ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুরসহ ৬টি দেশের ১১টি বিদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।