নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, 6:21 PM
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগে কোর অব মিলিটারি পুলিশের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করতে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা এবং পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কোর অব মিলিটারি পুলিশকে সময়োপযোগী, আধুনিক ও দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সাভার সেনানিবাসের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (সিএমপিসিএন্ডএস) আয়োজিত কোর অব মিলিটারি পুলিশের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাবাহিনী প্রধান এসব কথা বলেন।
বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে কোর অব মিলিটারি পুলিশের অধিনায়করা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেনাপ্রধান কোরের সার্বিক কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গবেষণাভিত্তিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
এ সময় তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী কোর অব মিলিটারি পুলিশের বীর সেনানীসহ সব বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় কোর অব মিলিটারি পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই কোরের নিরলস অবদানের কথা তুলে ধরেন।
সেনাবাহিনী প্রধান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও কোর অব মিলিটারি পুলিশের পেশাদারত্ব ও অবদানের প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, সেনাবাহিনী প্রধান সিএমপিসিএন্ডএস এ পৌঁছালে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২৯ ডিসেম্বর সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান কোর অব মিলিটারি পুলিশের সপ্তম ‘কর্নেল কমান্ড্যান্ট’ হিসেবে অভিষিক্ত হন। সাভার সেনানিবাসের সিএমপি সেন্টার অ্যান্ড স্কুল প্রাঙ্গণে সামরিক রীতি ও ঐতিহ্য অনুসরণ করে এ অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে কোর অব মিলিটারি পুলিশের জ্যেষ্ঠতম অধিনায়ক ও মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্টের হাতে গৌরবমণ্ডিত ‘কর্নেল কমান্ড্যান্ট র্যাংক-ব্যাজ’ পরিয়ে দেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, 6:21 PM
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগে কোর অব মিলিটারি পুলিশের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করতে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা এবং পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কোর অব মিলিটারি পুলিশকে সময়োপযোগী, আধুনিক ও দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সাভার সেনানিবাসের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (সিএমপিসিএন্ডএস) আয়োজিত কোর অব মিলিটারি পুলিশের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাবাহিনী প্রধান এসব কথা বলেন।
বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে কোর অব মিলিটারি পুলিশের অধিনায়করা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেনাপ্রধান কোরের সার্বিক কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গবেষণাভিত্তিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
এ সময় তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী কোর অব মিলিটারি পুলিশের বীর সেনানীসহ সব বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় কোর অব মিলিটারি পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই কোরের নিরলস অবদানের কথা তুলে ধরেন।
সেনাবাহিনী প্রধান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও কোর অব মিলিটারি পুলিশের পেশাদারত্ব ও অবদানের প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, সেনাবাহিনী প্রধান সিএমপিসিএন্ডএস এ পৌঁছালে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২৯ ডিসেম্বর সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান কোর অব মিলিটারি পুলিশের সপ্তম ‘কর্নেল কমান্ড্যান্ট’ হিসেবে অভিষিক্ত হন। সাভার সেনানিবাসের সিএমপি সেন্টার অ্যান্ড স্কুল প্রাঙ্গণে সামরিক রীতি ও ঐতিহ্য অনুসরণ করে এ অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে কোর অব মিলিটারি পুলিশের জ্যেষ্ঠতম অধিনায়ক ও মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্টের হাতে গৌরবমণ্ডিত ‘কর্নেল কমান্ড্যান্ট র্যাংক-ব্যাজ’ পরিয়ে দেন।