CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিরাপত্তাঝুঁকিতে আজও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

হামে আক্রান্ত শিশুর প্রতি করণীয় ও সতর্কতা

#
news image

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সাধারণত শরীরে ভাইরাসের প্রবেশের ১ থেকে ২ সপ্তাহ পর এর লক্ষণ প্রকাশ পায়। কানের পেছনে বা গলার পাশে লালচে র্যাশ এবং ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর হামের প্রধান লক্ষণ। শিশুর সঠিক যত্ন ও সময়মতো চিকিৎসা না পেলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।

কখন সতর্ক হবেন? যদি দেখেন শিশু কিছু খেতে পারছে না, যা খাচ্ছে সবই বমি করে দিচ্ছে কিংবা শিশুর খিঁচুনি হচ্ছে—তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শিশুর চিকিৎসা ও ঘরোয়া পরিচর্যা

খাবার ও পুষ্টি: শিশুকে বারবার বুকের দুধ এবং স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে। জ্বরের সময় প্রচুর তরল খাবার দেওয়া জরুরি।
জ্বর নিয়ন্ত্রণ: শরীরের তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রির বেশি হলে প্যারাসিটামল দেওয়া যেতে পারে। ৩-৪ দিনের বেশি জ্বর থাকলে অন্য কোনো সংক্রমণ আছে কি না তা পরীক্ষা করা জরুরি।


চোখ ও মুখের যত্ন: চোখের কোণে পুঁজ জমলে পরিষ্কার ভেজা কাপড় বা তুলা দিয়ে মুছে দিতে হবে। মুখে ঘা হলে কুসুম গরম লবণ পানি দিয়ে দিনে অন্তত চারবার মুখ পরিষ্কার করতে হবে।


ভিটামিন-এ: হামে আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রায় দুই ডোজ ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। এটি চোখের ক্ষতি ও অপুষ্টি রোধে কাজ করে।


সংক্রমণ রোধে বিশেষ সতর্কতা: হামে আক্রান্ত শিশুকে ফুসকুড়ি ওঠার পর থেকে অন্তত চার দিন অন্য শিশুদের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে হবে। যদি আক্রান্ত শিশুর সংস্পর্শে অন্য কোনো শিশু আসে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তাকে দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে। মনে রাখবেন, নিউমোনিয়া বা দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়ার মতো জটিলতা দেখা দিলে শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নিউজ ডেস্ক

০৭ এপ্রিল, ২০২৬,  12:23 PM

news image
সংগৃহীত

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সাধারণত শরীরে ভাইরাসের প্রবেশের ১ থেকে ২ সপ্তাহ পর এর লক্ষণ প্রকাশ পায়। কানের পেছনে বা গলার পাশে লালচে র্যাশ এবং ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর হামের প্রধান লক্ষণ। শিশুর সঠিক যত্ন ও সময়মতো চিকিৎসা না পেলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।

কখন সতর্ক হবেন? যদি দেখেন শিশু কিছু খেতে পারছে না, যা খাচ্ছে সবই বমি করে দিচ্ছে কিংবা শিশুর খিঁচুনি হচ্ছে—তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শিশুর চিকিৎসা ও ঘরোয়া পরিচর্যা

খাবার ও পুষ্টি: শিশুকে বারবার বুকের দুধ এবং স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে। জ্বরের সময় প্রচুর তরল খাবার দেওয়া জরুরি।
জ্বর নিয়ন্ত্রণ: শরীরের তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রির বেশি হলে প্যারাসিটামল দেওয়া যেতে পারে। ৩-৪ দিনের বেশি জ্বর থাকলে অন্য কোনো সংক্রমণ আছে কি না তা পরীক্ষা করা জরুরি।


চোখ ও মুখের যত্ন: চোখের কোণে পুঁজ জমলে পরিষ্কার ভেজা কাপড় বা তুলা দিয়ে মুছে দিতে হবে। মুখে ঘা হলে কুসুম গরম লবণ পানি দিয়ে দিনে অন্তত চারবার মুখ পরিষ্কার করতে হবে।


ভিটামিন-এ: হামে আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রায় দুই ডোজ ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। এটি চোখের ক্ষতি ও অপুষ্টি রোধে কাজ করে।


সংক্রমণ রোধে বিশেষ সতর্কতা: হামে আক্রান্ত শিশুকে ফুসকুড়ি ওঠার পর থেকে অন্তত চার দিন অন্য শিশুদের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে হবে। যদি আক্রান্ত শিশুর সংস্পর্শে অন্য কোনো শিশু আসে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তাকে দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে। মনে রাখবেন, নিউমোনিয়া বা দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়ার মতো জটিলতা দেখা দিলে শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।