CKEditor 5 Sample
ঢাকা ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
ঐতিহ্যবাহী শুটকি মেলায় দুই দিনে কোটি টাকা বিক্রির প্রত্যাশা বিয়ে করলেন জুবিন নটিয়াল সনদ ও গণভোট বাস্তবায়নে ১৫ দিনের কর্মসূচি জামায়াতসহ ১১ দলের মঞ্চে ‘চিত্রাঙ্গদা’য় বসন্ত রূপে নিশক তারেক আজিজ চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতি প্রবর্তনের পরিকল্পনা ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হতে চায় বাংলাদেশ সংসদের অধিবেশন রোববার বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি বার কাউন্সিল নির্বাচনে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করেনি: আইনমন্ত্রী ফ্ল্যাট গ্রহণে অনিয়ম: টিউলিপ সিদ্দিকসহ ২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ৬ মে বন বিভাগের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ভুয়া আইডি বিরুদ্ধে আইনি ব‍্যবস্থা

হামে আক্রান্ত শিশুর প্রতি করণীয় ও সতর্কতা

#
news image

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সাধারণত শরীরে ভাইরাসের প্রবেশের ১ থেকে ২ সপ্তাহ পর এর লক্ষণ প্রকাশ পায়। কানের পেছনে বা গলার পাশে লালচে র্যাশ এবং ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর হামের প্রধান লক্ষণ। শিশুর সঠিক যত্ন ও সময়মতো চিকিৎসা না পেলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।

কখন সতর্ক হবেন? যদি দেখেন শিশু কিছু খেতে পারছে না, যা খাচ্ছে সবই বমি করে দিচ্ছে কিংবা শিশুর খিঁচুনি হচ্ছে—তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শিশুর চিকিৎসা ও ঘরোয়া পরিচর্যা

খাবার ও পুষ্টি: শিশুকে বারবার বুকের দুধ এবং স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে। জ্বরের সময় প্রচুর তরল খাবার দেওয়া জরুরি।
জ্বর নিয়ন্ত্রণ: শরীরের তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রির বেশি হলে প্যারাসিটামল দেওয়া যেতে পারে। ৩-৪ দিনের বেশি জ্বর থাকলে অন্য কোনো সংক্রমণ আছে কি না তা পরীক্ষা করা জরুরি।


চোখ ও মুখের যত্ন: চোখের কোণে পুঁজ জমলে পরিষ্কার ভেজা কাপড় বা তুলা দিয়ে মুছে দিতে হবে। মুখে ঘা হলে কুসুম গরম লবণ পানি দিয়ে দিনে অন্তত চারবার মুখ পরিষ্কার করতে হবে।


ভিটামিন-এ: হামে আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রায় দুই ডোজ ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। এটি চোখের ক্ষতি ও অপুষ্টি রোধে কাজ করে।


সংক্রমণ রোধে বিশেষ সতর্কতা: হামে আক্রান্ত শিশুকে ফুসকুড়ি ওঠার পর থেকে অন্তত চার দিন অন্য শিশুদের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে হবে। যদি আক্রান্ত শিশুর সংস্পর্শে অন্য কোনো শিশু আসে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তাকে দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে। মনে রাখবেন, নিউমোনিয়া বা দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়ার মতো জটিলতা দেখা দিলে শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নিউজ ডেস্ক

০৭ এপ্রিল, ২০২৬,  12:23 PM

news image
সংগৃহীত

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সাধারণত শরীরে ভাইরাসের প্রবেশের ১ থেকে ২ সপ্তাহ পর এর লক্ষণ প্রকাশ পায়। কানের পেছনে বা গলার পাশে লালচে র্যাশ এবং ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর হামের প্রধান লক্ষণ। শিশুর সঠিক যত্ন ও সময়মতো চিকিৎসা না পেলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।

কখন সতর্ক হবেন? যদি দেখেন শিশু কিছু খেতে পারছে না, যা খাচ্ছে সবই বমি করে দিচ্ছে কিংবা শিশুর খিঁচুনি হচ্ছে—তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শিশুর চিকিৎসা ও ঘরোয়া পরিচর্যা

খাবার ও পুষ্টি: শিশুকে বারবার বুকের দুধ এবং স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে। জ্বরের সময় প্রচুর তরল খাবার দেওয়া জরুরি।
জ্বর নিয়ন্ত্রণ: শরীরের তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রির বেশি হলে প্যারাসিটামল দেওয়া যেতে পারে। ৩-৪ দিনের বেশি জ্বর থাকলে অন্য কোনো সংক্রমণ আছে কি না তা পরীক্ষা করা জরুরি।


চোখ ও মুখের যত্ন: চোখের কোণে পুঁজ জমলে পরিষ্কার ভেজা কাপড় বা তুলা দিয়ে মুছে দিতে হবে। মুখে ঘা হলে কুসুম গরম লবণ পানি দিয়ে দিনে অন্তত চারবার মুখ পরিষ্কার করতে হবে।


ভিটামিন-এ: হামে আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রায় দুই ডোজ ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। এটি চোখের ক্ষতি ও অপুষ্টি রোধে কাজ করে।


সংক্রমণ রোধে বিশেষ সতর্কতা: হামে আক্রান্ত শিশুকে ফুসকুড়ি ওঠার পর থেকে অন্তত চার দিন অন্য শিশুদের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে হবে। যদি আক্রান্ত শিশুর সংস্পর্শে অন্য কোনো শিশু আসে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তাকে দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে। মনে রাখবেন, নিউমোনিয়া বা দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়ার মতো জটিলতা দেখা দিলে শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।