নিউজ ডেস্ক
১৩ এপ্রিল, ২০২৬, 3:01 PM
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি ইরান এবং আঞ্চলিক প্রতিরোধ অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে পুনরায় আগ্রাসন শুরু করে, তবে ইয়েমেন সক্রিয়ভাবে পাল্টা সামরিক অভিযান জোরদার করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল২০২৬) ইয়েমেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে তাদের এই অনড় অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছে।
বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেলে তা বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা, জ্বালানির বাজার এবং সামগ্রিক বিশ্ব অর্থনীতির ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মন্ত্রণালয়ের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বাগাড়ম্বর মূলত ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইল সামরিক প্রচেষ্টার ব্যর্থতাকেই ফুটিয়ে তুলছে।
বিশেষ করে ২০২৫ সালের জুন এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে সংঘটিত দুই দফা যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ও তার সহযোগীরা ইসলামি প্রজাতন্ত্রটিকে উৎখাত করার যে লক্ষ্য নিয়েছিলেন, তাতে তারা সফল হতে পারেননি।
সম্প্রতি ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে ঘোষণা করেছেন যে, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালীতে পূর্ণ নৌ-অবরোধ আরোপ করবে এবং সেখানে ইরানের পেতে রাখা মাইনগুলো ধ্বংস করবে। ট্রাম্পের এই হুমকির প্রতিক্রিয়ায় ইয়েমেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রণালীটি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।
এদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফও ট্রাম্পের এই মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন যে, হুমকির ভাষা দিয়ে ইরানকে দমানো যাবে না এবং ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে ইরান বারবার প্রমাণ করেছে যে তারা কোনো ধরনের সামরিক বা অর্থনৈতিক চাপের কাছে মাথানত করবে না।
মূলত ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর পুনরায় হামলার এই হুমকি প্রদান করেন।
নিউজ ডেস্ক
১৩ এপ্রিল, ২০২৬, 3:01 PM
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি ইরান এবং আঞ্চলিক প্রতিরোধ অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে পুনরায় আগ্রাসন শুরু করে, তবে ইয়েমেন সক্রিয়ভাবে পাল্টা সামরিক অভিযান জোরদার করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল২০২৬) ইয়েমেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে তাদের এই অনড় অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছে।
বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেলে তা বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা, জ্বালানির বাজার এবং সামগ্রিক বিশ্ব অর্থনীতির ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মন্ত্রণালয়ের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বাগাড়ম্বর মূলত ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইল সামরিক প্রচেষ্টার ব্যর্থতাকেই ফুটিয়ে তুলছে।
বিশেষ করে ২০২৫ সালের জুন এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে সংঘটিত দুই দফা যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ও তার সহযোগীরা ইসলামি প্রজাতন্ত্রটিকে উৎখাত করার যে লক্ষ্য নিয়েছিলেন, তাতে তারা সফল হতে পারেননি।
সম্প্রতি ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে ঘোষণা করেছেন যে, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালীতে পূর্ণ নৌ-অবরোধ আরোপ করবে এবং সেখানে ইরানের পেতে রাখা মাইনগুলো ধ্বংস করবে। ট্রাম্পের এই হুমকির প্রতিক্রিয়ায় ইয়েমেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রণালীটি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।
এদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফও ট্রাম্পের এই মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন যে, হুমকির ভাষা দিয়ে ইরানকে দমানো যাবে না এবং ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে ইরান বারবার প্রমাণ করেছে যে তারা কোনো ধরনের সামরিক বা অর্থনৈতিক চাপের কাছে মাথানত করবে না।
মূলত ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর পুনরায় হামলার এই হুমকি প্রদান করেন।