নিউজ ডেস্ক
১৩ এপ্রিল, ২০২৬, 3:04 PM
দেশের ব্যাংকিং সেবায় গ্রাহক ভোগান্তি কমাতে নতুন করে কঠোর অবস্থানে গেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ করে ছেঁড়া, ময়লা বা ক্ষতিগ্রস্ত নোট বদলাতে গিয়ে গ্রাহকদের যে বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হয়, তা বন্ধে এবার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সম্প্রতি জারি করা এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে বাধ্যতামূলকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নোট গ্রহণ করতে হবে এবং তার পরিবর্তে সমমূল্যের নতুন অথবা ব্যবহারের উপযোগী নোট দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গড়িমসি বা অনীহা সহ্য করা হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ছোট মূল্যমানের নোট- ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার ক্ষেত্রে। এসব নোট বিনিময়ের জন্য ব্যাংকগুলোকে আলাদা কাউন্টার চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই সেবা নিতে পারেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্দেশনার পেছনে মূল লক্ষ্য হচ্ছে- গ্রাহকবান্ধব ব্যাংকিং নিশ্চিত করা এবং বাজারে চলমান নোটের মান বজায় রাখা। কারণ দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ ছিল, অনেক ব্যাংক ছেঁড়া বা ময়লাযুক্ত নোট নিতে অনীহা দেখায়, ফলে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
নতুন নির্দেশনায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই নিয়ম অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজ ডেস্ক
১৩ এপ্রিল, ২০২৬, 3:04 PM
দেশের ব্যাংকিং সেবায় গ্রাহক ভোগান্তি কমাতে নতুন করে কঠোর অবস্থানে গেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ করে ছেঁড়া, ময়লা বা ক্ষতিগ্রস্ত নোট বদলাতে গিয়ে গ্রাহকদের যে বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হয়, তা বন্ধে এবার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সম্প্রতি জারি করা এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে বাধ্যতামূলকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নোট গ্রহণ করতে হবে এবং তার পরিবর্তে সমমূল্যের নতুন অথবা ব্যবহারের উপযোগী নোট দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গড়িমসি বা অনীহা সহ্য করা হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ছোট মূল্যমানের নোট- ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার ক্ষেত্রে। এসব নোট বিনিময়ের জন্য ব্যাংকগুলোকে আলাদা কাউন্টার চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই সেবা নিতে পারেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্দেশনার পেছনে মূল লক্ষ্য হচ্ছে- গ্রাহকবান্ধব ব্যাংকিং নিশ্চিত করা এবং বাজারে চলমান নোটের মান বজায় রাখা। কারণ দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ ছিল, অনেক ব্যাংক ছেঁড়া বা ময়লাযুক্ত নোট নিতে অনীহা দেখায়, ফলে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
নতুন নির্দেশনায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই নিয়ম অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।